Tokyo Institute of Technology থেকে পাশ করেছেন, জাপানে ছয় লাখ ইয়েন বেতনের চাকুরি ছেড়ে দেশ সেবার ব্রত নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন। এই পাগলা মানুষটা ওয়ান ম্যান আর্মি।সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতার এক অনন্য প্রতীক। যিনি একাই প্রায় আমাদের ঢাকা বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার ধারণা আমূল পাল্টে দিয়েছেন। তিনি আমাদের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ ভাই। পাবলিক পেইজ খুলে(Magistrates, All Airports of Bangladesh ), ফোন নাম্বার উম্মুক্ত করে দিয়ে ২৪ঘন্টা মানুষকে সেবার ব্যবস্থা করে চলেছেন।
ইউসুফ ভাই "Bansuri M Yousuf" প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত। অসীম সাহসী এই মানুষটা কর্ম জীবনে একবিন্দুও অসততা করেননি। জীবনের হুমকি গ্রাহ্য না করে তার পেশায় সৎ থেকেছে। সততার সাথে চাকুরী করতে গিয়ে তার পকেটে আজ দশ/বিশ হাজার টাকাও নেই , যে জায়গায় চোখ বন্ধ করে কোটি টাকা ইনকাম করা কোনো ব্যাপারই না। এইমুহূর্তে তাঁর জরুরী উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।বাবা মা নেই , ভিটে মাটি নদী ভাঙ্গনে সব চলে গেছে।যে আমাদের লক্ষ প্রবাসীদের মুখে হাসি এনে দিয়েছে তার জন্য এবার ঋণ পরিশোধের পালা।
যতবার ইউসুফ ভাইয়ের নিউজ পড়ি ততবার চোখ দুটি ছল ছল করে উঠে। জানিনা আরও কত মানুষ আমারই মতো চোখের জল ফেলেছে নিরবে !! "বিমানবন্দরে আমি তো শুধু আমার দায়িত্বটাই পালন করেছি। এই দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে মানুষের এত ভালোবাসা পেয়েছি। এই ভালোবাসা থাকতে থাকতেই চলে যেতে চাই। যদি বেঁচে যাই তাহলে এই ভালোবাসা আবার কমে যায় কি না! ---ইউসুফ ভাই"। অসম্ভব! কেন ভাই, এত অভিমান? চাইলেও যেতে পারবেন না আমাদের ছেড়ে! দিবো না যেতে.. আপনার মত ভাল মানুষ এত তারাতারি চলে যেতে পারে না।
সবাই মিলে ইউসুফ ভাইয়ের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি যেন উনাকে সুস্থতা ও দীর্ঘজীবন দান করেন এবং মানুষের সেবা করার সুযোগ দান করেন। এমন মানুষ আমাদের বড় প্রয়োজন....
হিরোরা কখনো হারেনি, কখনো হারবে না। আমরা হারতে দিবই না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনার পাশে থাকবো। আপনি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। আপনি আমাদের সুপার হিরো। সুপারহিরোরা কখনো হারে না, হারতে পারে না..............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

