সে নাকি আসলে মানুষ ছিলনা ,
যদিও মানুষের মত তার অবয়ব ,
হাত, পা ,নাক মুখ নখ দাঁত সবই
তার মানুষের মতই ছিল।
শুনেছি ছেলেবেলায় সে মানবশিশুর মত
মায়ের কোলে ঘেষটে শু্যে রুপকথা শুনতো,
তবে রাজকুমারের হাতে রাক্ষসের মৃত্যু তাকে
কেন যেন বিমর্ষ করে দিত আর রাজকুমারকে
নেকড়ের নৃশংসতায় ছিড়ে টুকরো টুকরো করার চিন্তায়
সেই ছেলেবেলাতেও সে নেয়ে উঠতো আনন্দস্বেদ বন্যায় ।
মানুষের মতো তারো কিছু বন্ধু ছিল শুনেছি,
তবে খেলার মাঠে বন্ধুদের মনোমালিন্য
রক্তাক্ত পরিসমাপ্তি না ঘটলে তার মনোকষ্ট
স্বজন হারানোর বেদনাকেও যেন ছাড়িয়ে যেত।
সে ভালবাসতে জানতো, সবার প্রিয় হয়ে উঠতে পারতো
বন্ধুরা তাকে বিশ্বাসও করেছিলো ততোদিন পর্যন্ত
যতোদিন না তারা দেখেছিলো রাতআঁধারের সুযোগে
তাদেরই এক প্রিয়বন্ধুর পিঠ চিরে রক্তমাংসের
চব্যচর্ষে নৈশভোজে ব্যস্ত ছিলো সে।
তার ভালোবাসা ,বন্ধুত্ব আর মানুষের মুখোশটি শুধু
নরমাংস শিকারের জন্য ,রক্তলোলুপ পৈশাচিকতার
মচ্ছব আয়োজনের প্রস্তুতি।
শুনেছি সে আজকাল রূপ বদলে ফেলতে শিখেছে
মিশে গেছে আপনজনের ভীড়ে।
কেউ জানেনা হয়তো এই মুহূর্তে ঐ মানুষরুপী পিশাচ
শুভাকাংখির মুখোশে কুটিল নামতায়
ভালোবাসার মানুষটির রক্তবিন্দু গুনতে ব্যস্ত ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


