
মেধা তালিকা তো নয়ই, প্রায় ৬৫০০ এর বেশি তম Waiting List থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কম মূল্যবান বিষয় ঊর্দু তে ২০০২ এ ভর্তি হয় এই নাজমুল।
বাবা চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী, বাড়িতে ছিলো ব্রিটিশ সময়ের পুরনো একটা টিনের ঘর। বর্তমানে সেখানে তিন তলা বিলাসবহুল বাড়ি। ২০০৫ সালে হলের ক্যান্টিনে খাবার খেয়ে বিল না দেওয়ায় উত্তম-মাধ্যম ভালই হয়েছিল। ঢাবি আশপাশে চায়ের দোকানে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছে দীর্ঘ ৬-৭ বছর। ভর্তি কোচিং ফি ১০০% পরিশোধের ক্ষমতাও ছিল না বলে শিবিরের কোচিং এ ৩৫০০ টাকা মাফ করায়ে ভর্তি হয়েছিল ফোকাস ভর্তি কোচিং এ। বাবার মত চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নয়, যেন প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক হবার সপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিল ঢাবি তে।
এখন নাজমুল কে ২ টা অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে হাসিনা সরকার। যে ছেলে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে ভয় পেত, সেই ছেলে এখন নিয়মিত থাইল্যান্ডে যায় চেক-আপ এর জন্য।
সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত করে, মেধাকে ধিক্কার জানানোর অভিশাপ জাতি তিলে তিলে উপলব্ধি করবে।
চৌধুরী সাব
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



