প্রথম আলোর দেয়া নাম 'মিনি পাকিস্তান' বাঁশখালীতে পরিবেশ ধ্বংসকারী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প বিরোধী মিছিলে পুলিশ পাখির মত গুলি করে ইচ্ছামত মানুষ মেরে নেয়ার ঘটনায় পত্রিকায় এসেছে পাঁচ জন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন ২৫ জন। স্থানীয়দের অভিযোগ, জোর করে তাদের কাছ থেকে বসত-ভিটার জমি কেড়ে নিচ্ছিলো। যেহেতু এটি একটি অজপাড়াগাঁ এবং আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী লোক জড়িত এই জমি কেড়ে নেয়াতে সেহেতু এগুলো মিডিয়ায় আসেনা।
.
বাঁশখালী জায়গাটির সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয় প্রথম আলো। ২০১৩ সালে তারা একটি রিপোর্ট করে, 'দক্ষিণ বাঁশখালী পাকিস্তান নামে পরিচিতি পাচ্ছে' এই শিরোনামে। তারা আরও বলেন, বাঁশখালী স্পর্শকাতর এলাকা। পাকিস্তানি ভাবধারার লোকজনের দাপট এখানে বেশি। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মামলার রায় ঘোষণা করার আগে কিংবা রায় কার্যকর করার আগে থেকেই বাঁশখালীতে নিরাপত্তা জোরদার করা অপরিহার্য। স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা কি সেই তাগিদ অনুভব করেন?
.
স্থানীয় প্রশাসন সেই তাগিদ অনুভব করেছেন এবং বর্তমান ওসির নাম স্বপন কুমার মজুমদার। হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই পঙ্কজ বড়ুয়া। উনারা বেশ ভালো দায়িত্ব পালন করছেন এবং এই দায়িত্বের তাগিদ পেয়েছেন প্রথম আলোর কাছ থেকে সেই ২০১৩ সালেই। যেহেতু এটি পাকিস্তান নামে ঘোষণা করেছে এই পত্রিকা সেহেতু এই এলাকার মানুষগুলোকে মেরে ফেলবার রাইট আছে সরকারের। এবং এজন্যই প্যারালাল সরকার ইমরান সরকার এবং প্যারালাল গণভবন শাহবাগ থেকে আবেগের মিছিল বের হবেনা।
.
আমার কথা হলো, এই প্রথম আলোই বেশ কয়েকদিন যাবত প্রচার করেছে আমাদের ভারত বন্ধু আমাদেরকে বিদ্যুৎ দিয়ে ভাসিয়ে দেবে। তাহলে আজ এই বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজন কেন ছিলো? এবং নিজের ভিটে হারাবার ভয়ে ভীত দরিদ্র ঐ মানুষগুলোর উপর নির্বিচারে গুলি চালানোর ইমডেনটি পুলিশকে কে দিয়েছে? এই দেশ কি এখন মগের মুল্লুক? কিসের বিপ্লব ফালান চেতনাধারীরা?
.
এদিকে শাহবাগী নন্দিনীরা 'পুলিশকে ফুল দিন' নামে রঙিন যে কার্যক্রম শুরু করেছেন সেই কার্যক্রমে আমিও অংশ নিতে চাই। তবে দানব পুলিশকে ফুল দেবার আগে ফুলগুলোকে এদেশের গরীব অসহায় মানবের রক্তে চুবিয়ে নিচ্ছি। আর প্রথম আলো যে আওয়ামিলীগের টু ইন ওয়ান মানে থিংক ট্যাংক এবং স্পোকসপারসন, তা আবার প্রমাণ হলো। এবার সাংবাদিকদেরও ফুল দিন
Elora Zaman

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


