সরকারী ভবন নির্মাণে লোহার পাতের বদলে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার হচ্ছে' যখন পত্রিকায় দেখলাম তখন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এও কি সম্ভব!
পরক্ষণেই ভেবে দেখলাম, জনগণের কোটি কোটি টাকা খুল্লাম খুল্লা লোপাট করেও ক্যামেরার সামনে যখন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বলা সম্ভব হয়, 'বাঙালীকে খুশি করা সম্ভব না। তাদেরকে যত দেই তারা আরো চায়' তখন এটি সম্ভব। রডের খরচ বাঁচাতে এই কঞ্চি দেয়া সম্ভব। কঞ্চির খরচ বাঁচাতে কিছু না দেওয়াও সম্ভব।
খেতে খেতে বাঁশ পর্যন্ত খেয়ে নিয়েছে এই সরকার। এখন কঞ্চি দিচ্ছে তা নিয়েই শুকরিয়া আদায় করেন। কয়েকদিন পর এই কঞ্চিও যখন দেবেনা, বাতাস দিয়ে ভবন নির্মাণ করবে, তখন কি করবেন? আবার আরেকটু জয়বাংলা গিললে বলবে, ভবন নির্মাণ আছে। আপনি দেখতে পাচ্ছেন না? পাকিস্তান চলে যান।
বারবার ফিরে আসুক রানা প্লাজা। হু কেয়ারস? বাদ দেন। আসেন একটা গল্প বলি। মুক্তিযুদ্ধের গল্প। আমার বাপ দাদায় সেই সময় এক বিশাল চাদর বুনাইছিলো। পঁয়তাল্লিশ বছর পুরান চাদরের গল্প। চেতনার চাদর। যেই চাদর দিয়া আজো সব আকাম ঢাকা যাইতেছে। সেই গল্প।
Elora Zaman
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



