পুলিশ এক মহিলার পড়নের কাপড় ধরে টানা হেচড়া করে এবং তার ব্লাউজ ছিড়ে ফেলে। এসআই ফজলুর রহমান তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পুলিশ তার হাতে কামড়িয়ে দেয়। এসময় তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক হয়। আশেপাশের লোকজন ঘটনার প্রতিবাদ করলে পুলিশ পিস্তল তাক করে গ্রামবাসীকে হুমকি দিয়ে বলে-কেউ কথা বললে গুলি করবো।
১৯৭১ পাক-বাহীনি অনেক মা-বোনের ইজ্জতের উপর আক্রমন করেছিল আর আজ ২০১৫ সাল
বাকশালী হাসিনার রক্ষি-বাহীনি একই আচারণ।
বাড়িতে ঢুকে নির্যাতন, লতাহানী ও ধর্ষনের চেষ্টা, হাত কামড়িয়ে দেয় গোপালী পুলিশ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসিসহ ৪ পুলিশ বাড়িতে ঢুকে নারীদের নির্যাতন, শীলতাহানী ও ধর্ষণ চেষ্টা। গত ২৭শে মার্চ রাত ৮ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম, এসআই ফজলুর রহমান পুলিশ নিয়ে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের দিরাই পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুকুল মিয়ার বাড়িতে যান। এসময় মুকুল মিয়াসহ বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় বাড়ির বাসিন্দারা গেটে তালা লাগিয়ে ভেতরে প্রতিদিনের মতো কাজ করছিলেন। এসময় পুলিশ বাড়ির সামনে গিয়ে তাদের গেট খুলতে বলে। তারা গেট খুলতে রাজি না হওয়ায় এসআই ফজলুর রহমান পাশের বাড়ি থেকে লোহার শাবল নিয়ে এসে গেটের তালা ভেঙ্গে বাড়িতে প্রবেশ করে। মুকুল মিয়াকে না পেয়ে সেখানে তারা বাড়িতে থাকা নারীদের বেধড়ক মারপিট শুরু করে ।
পুলিশ তার ভাতিজির পড়নের কাপড় ধরে টানা হেচড়া করে এবং তার ব্লাউজ ছিড়ে ফেলে। এসআই ফজলুর রহমান তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পুলিশ তার হাতে কামড়িয়ে দেয়। এসময় তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক হয়। আশেপাশের লোকজন ঘটনার প্রতিবাদ করলে পুলিশ পিস্তল তাক করে গ্রামবাসীকে হুমকি দিয়ে বলে-কেউ কথা বললে গুলি করবো।
হায়রে দেশের বিবেকবান মানুষেরা !!! তোমরা কি দেখ না !!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




