নানুবাড়িতে যাওয়া জন্য যে কারনে চাতক পাখীর মত অপেক্ষা করি তা হচ্ছে আড্ডামারা। আমার নানুবাড়ি নরসিংদী।দুই ঈদ ছাড়াও আরো নানান উপলক্ষে নানুবাড়ি যাওয়া হয়। আর নানুবাড়ির মূল আকর্ষনই হলো আড্ডা। এই আড্ডায় অংশ নেয় 7 বছরের কাজিন সম্পদ থেকে শুরু করে 65 বছরের বৃদ্ধা আমার নানু।পরশু গিয়েছিলাম নানুবাড়িতে। উদ্দেশ্য ফাইনাল পরীক্ষার আগে নানুকে সালাম করে আসা।এবার নানুর রুমের বিশাল খাটে আমি, আম্মু, ভাইয়া, কল্পনা আন্টি,কচি আন্টি,বিতাত মামা, তৌফিক মামা, রুমী মামা,কাজি ন সিয়াম ভাইয়া,সীরাত সবাই একসাথে আড্ডা মারলাম। আড্ডার বিষয় বস্তু নানান ধরনের। পারিবারিক, সমালোচনা, বাংলাদেশের রাজনীতি, ক্রিকেট, পড়াশোনা এমনকি ভূত।
রাত বারটার সময় আম্মু আন্টিরা চলে গেলো অন্য রুমে। আমরা কাজিনরা আর রুমী মামা একসাথে।আমাদের আড্ডা চলতে থাকলো। রুমী মামা বার বার ঘুমাতে চাচ্ছিল কিন্তু আমরা তাকে বিরক্ত করে ঘুমাতে দিচ্ছিলাম না। পরে রুমী মামা হাল ছেড়ে দিয়ে আড্ডায় যোগ দিলেন। একটু পরেই রাত দুইটার দিকে শুরু করলাম ভূতের গল্প। সবাই ভয়ে পাশাপাশি গাদাগাদি করে শুয়ে গল্প করতে লাগলাম। পরে তিনটার দিকে পাশের রুমে গিয়ে দেখি আম্মুরাও ভূতের গল্প করছে।আবার সবাই মিলে শুরু কেরলাম ভূতের গল্প। ভয়ংকর সব গল্প। আড্ডা চলল ভোর 5টা পযন্ত। তারপর লাল হয়ে যাওয়া চোখ নিয়ে গেলাম ঘুমাতে।
এইরকম দিন বারবার ফিরে আসুক আল্লাহর কাছে একটাই চাওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



