somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টিসিবির ওএমএস: সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ

২১ শে নভেম্বর, ২০২৪ দুপুর ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টিসিবির ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কার্যক্রম: দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। সুলভ মূল্যে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করে এই কার্যক্রমটি অনেক পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। টিসিবির ট্রাক থেকে চাল, আলু, পিঁয়াজ, তেল, চিনি ইত্যাদি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারা সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় সুবিধা

জনপ্রিয়তার কারণ: টিসিবির পণ্যের দাম বাজারের তুলনায় অনেক কম। ৫৯০ টাকায় যে পরিমাণ পণ্য টিসিবি থেকে পাওয়া যায়, সেটি বাজার থেকে কিনতে গেলে ১০৫০ টাকা খরচ হবে। এই দামের পার্থক্যটি নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য একটি বড় স্বস্তি।

সমস্যা: এই জনপ্রিয়তার কারণেই একটি বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। টিসিবির ট্রাকে পণ্যের সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। একটি ট্রাকে যে পরিমাণ পণ্য থাকে, তা তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো লোকের জন্য যথেষ্ট হলেও, পণ্য কিনতে পাঁচ শতাধিক মানুষের ভিড় জমে। ফলে অনেকেই খালি হাতে ফিরে যান।

সমাধান: এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারকে কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে হবে:

* টিসিবির ট্রাক ও পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি: বর্তমানে যে সংখ্যক ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হয়, তা বাড়িয়ে দিতে হবে। একই সাথে প্রতিটি ট্রাকে পণ্যের মজুদও বাড়াতে হবে।

* আওতা বিস্তার: টিসিবির ওএমএস কার্যক্রমের আওতা আরও বাড়িয়ে দিতে হবে। বর্তমানে যেসব এলাকায় এই সেবা পাওয়া যায়, তা ছাড়াও দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এই সেবা চালু করতে হবে।

* বিকল্প বিতরণ ব্যবস্থা: টিসিবির ট্রাকের পাশাপাশি অন্যান্য বিকল্প বিতরণ ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। যেমন, স্থানীয় দোকানের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা।

উপসংহার: টিসিবির ওএমএস কার্যক্রম একটি সুন্দর উদ্যোগ। তবে এই কার্যক্রমকে আরও সফল করার জন্য সরকারকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার যদি এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারে, তাহলে দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০২৪ দুপুর ২:২৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৫ হাজার টাকা বিনিয়োগে ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা ফেরতের প্রলোভন!

লিখেছেন শাহাবুিদ্দন শুভ, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ওয়েবসাইটের প্রচার দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রথম আলোর আদলে তৈরি একটি ডিজাইন ব্যবহার করে উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এমনকি তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানের ফটোকার্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×