somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুতুল নাচের শেষকথা

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


(মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট অবলম্বনে ২০২৬ সালের এক কল্পিত উত্তরকথা)

গাওদিয়া গ্রামটি আর আগের মতো নেই, আবার গভীরভাবে তলিয়ে দেখলে একেবারেই বদলায়নি।

মাটির মেঠো রাস্তাগুলোর ওপর এখন কালো পিচের প্রলেপ পড়েছে। গোপাল দাসের সেই পুরনো বিশাল চণ্ডীমণ্ডপ ভেঙে সেখানে উঠে দাঁড়িয়েছে চারতলা পাকা দালান। ঘরে ঘরে রঙিন আলো জ্বলে, তরুণদের হাতে স্মার্ট ফোন। তবে খালটার ওপর আগের মতোই সেই পানা জমে থাকে, আর বৃষ্টির দিনে এখনো বাতাসে মেটে গন্ধের সাথে ভেসে আসে এক অস্পষ্ট রোগ আর বিষণ্নতার গন্ধ।

সুয়ালোর দিক থেকে সাঁকো পার হয়ে যে ডাক্তারখানাটা দেখা যায়, তার সামনের কাঠের সাইনবোর্ডটা রোদে-জলে ক্ষয়ে গেছে। তাতে লেখা: ‘ডাক্তার শশীভূষণ দাস, এম.বি.’।

২০২৬ সালের এক কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ডাক্তারখানার বেতের চেয়ারে বসে ছিলেন শশী।

শশীর বয়স এখন আশি পার হয়েছে। চুলগুলো ধবধবে সাদা, চোখের কোণে ছানির ঝাপসা পর্দা। সেই তরুণ বয়সের তীব্র অন্তর্দ্বন্দ্ব, কলকাতা ফিরে যাওয়ার ব্যাকুলতা আর গ্রামের মানুষদের নিয়ে তার যে গভীর হতাশা ছিল—সবকিছু এখন এক নিস্তরঙ্গ শান্তিতে রূপ নিয়েছে। ডেস্কে এখনো একটা পুরনো অ্যালুমিনিয়ামের কেসে রাখা স্টেথোস্কোপ পড়ে থাকে, পাশে থাকে ডিজিটাল ব্লাড প্রেসার মাপার যন্ত্র। কিন্তু যন্ত্রের চেয়ে শশী এখনো রোগীর কবজি ছুঁয়ে নাড়ির স্পন্দন গুনেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য পান।

শশীর ছেলে সুপ্রিয় এখন ঢাকা শহরের বড় হাসপাতালের নামজাদা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সার্জন। বছরে দু-একবার দামি গাড়ি নিয়ে গাওদিয়ায় আসে, বাবার এই জরাজীর্ণ ঘরে পড়ে থাকার বাতিক দেখে বিরক্ত হয়।

"বাবা, গাওদিয়ায় এখনো পড়ে থাকার কোনো মানে হয়?" সুপ্রিয় ল্যাপটপ ব্যাগটা টেবিলে রেখে একদিন বলেছিল। "ডিজিটাল হেলথ কার্ডে এখন গ্রামের মানুষ শহরের বড় হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের অ্যাপে পরামর্শ পায়। তোমার এই পুরানো ওষুধ আর স্টেথোস্কোপের দিন শেষ।"

শশী চশমাটা নাকের ওপর থেকে নামিয়ে ছেলের দিকে তাকিয়েছিলেন। তার সেই চিরন্তন মৃদু নির্মোহ হাসিতে শশীর মুখটা ভরে গিয়েছিল।

"তুই বুঝবি না সুপ্রিয়। প্রযুক্তি পাল্টেছে, যন্ত্র পাল্টেছে, কিন্তু গাওদিয়ার মানুষগুলোর ভেতরের সুতোটা তো সেই আগের মতোই কোনো এক অদৃশ্য হাত ধরে টানছে। তুই যাকে 'ডিজিটাল সমাধান' বলছিস, তা আসলে তাদের শহরের বড় কর্পোরেট ফার্মেসি আর অ্যাপের কাছে নতুন করে জিম্মি করছে। আগে মানুষ ছন্নছাড়া হয়ে লোক ঠকানো কবিরাজের কাছে যেত, এখন তারা ভুয়া অ্যাপের চক্করে টাকা খোয়ায়। মানুষ পুতুলই থেকে গেল, শুধু সুতোটার রং পাল্টাল।"

খালের ধারের সেই পুরানো আমবাগানটার জায়গা এখন অনেকটাই ছোট হয়ে গেছে।

কুসুমের বয়স এখন ছিয়াত্তর। বয়স তার শরীরের শক্ত বাঁধন আলগা করেছে, কিন্তু ওই চোখ দুটো—যে চোখে একসময় অসীম রহস্য, অবাধ্যতা আর অনাবিল তৃষ্ণা ছিল—তা এখনো গাওদিয়ার অন্য কোনো নারীর চোখে দেখা যায় না। মোতির মৃত্যুর পর, পরাণ যখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল, কুসুমই এই সংসারটাকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছিল।

এখন কুসুম একা থাকে। বিকেল হলে সে খালের ধারে বটগাছটার নিচে এসে বসে।

শশী প্রতিদিন নিয়ম করে বিকেলে একবার খালের পাশ দিয়ে হেঁটে যান। আশি বছরের বৃদ্ধ শশী আর ছিয়াত্তর বছরের বৃদ্ধা কুসুম—দুজন মুখোমুখি দাঁড়ান।

সেদিন বিকেলের মেঘাচ্ছন্ন আকাশে ছিল শ্রাবণের বিষাদ। বাতাসে ছাতিম ফুলের তীব্র গন্ধ।

শশী ধীরপায়ে এসে বটের শিকড়ের ওপর বসলেন। কুসুম তার জরাজীর্ণ আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে একটু সরে বসল।

"ছোটবৌ?" শশী অনেক বছর পর, গলার গভীর থেকে সেই পুরনো নামটা উচ্চারণ করলেন।

কুসুম খালের পানাঘেরা ঘোলাটে জলের দিকে তাকিয়েই রুদ্ধস্বরে বলল, "কবা ডাক্তার? আশি বছর পার কইরা এখন আর 'ছোটবৌ' বইলা ডাকার কী অর্থ?"

শশী হাতের লাঠিটার ওপর দুই হাত রেখে মাথা নোয়ালেন। "সারাজীবন তো মানুষকে ওষুধ দিলাম কুসুম, কিন্তু নিজের মনের ভেতরের রোগটার তো চিকিৎসা করতে পারলাম না। কলকাতা পালানোর ভয়ে, সমাজের ভয়ে... যে কথাটা তোমায় বলা হয়নি কখনো...।"

কুসুম ঘুরে শশীর মুখের দিকে তাকাল। সেই ছিয়াত্তর বছর বয়সী বলিরেখাচ্ছন্ন মুখে এক মুহূর্তের জন্য ভেসে উঠল পঁচিশ বছরের সেই চঞ্চল কুসুমের ছায়া।

"কী বলবা ডাক্তার?" কুসুমের কণ্ঠে মৃদু ক্ষোভ আর এক অনন্ত হাহাকার মিশে রইল। "বলবা যে তুমি আমারে ভালোবাসতা? নাকি বলবা যে আমারে না পাওয়ার ভয়ে তুমি গাওদিয়ার এই কাদাজলে নিজেকে বন্দি কইরা রাখলা? লজ্জায় যা তহন কও নাই, এখন এই পচা খালের ধারে বইসা তা শুইনা আমি কী করব? পরাণ চইলা গেছে, যৌবন চইলা গেছে... এখন আর কথা দিয়া কী হবে শশী?"

শশী কোনো উত্তর দিতে পারলেন না। শুধু চোখ দুটো বুজলেন। কুসুমের এই নিষ্ঠুর সত্যবাদিতাই একসময় তাকে আকর্ষণ করেছিল, আজ জীবনের শেষপ্রান্তে এসেও সেই একই সত্য শশীর অন্তরাত্মাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল।

কুসুমের নাতনি তুলি দূর থেকে সমাজবিজ্ঞানের ফিল্ড-নোটবুক হাতে নিয়ে দেখছিল তাদের। তুলির চোখে আধুনিক পৃথিবীর যুক্তিবাদ, কিন্তু রক্তের মধ্যে রয়েছে দিদিমা কুসুমের সেই অবাধ্য আত্মপ্রত্যয়।

গাওদিয়ায় এখন এক নতুন সংকট এসেছে।

গ্রামের পেছনের বড় বিলটা বুজিয়ে এক শক্তিশালী রিয়েল এস্টেট লবি প্রকাণ্ড ‘স্মার্ট টাউনশিপ’ তৈরি করতে চায়।

গ্রামের তরুণ নেতা রকি কেবল লোভী বা দালাল নয়। রকির শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে, কিন্তু শহরে পাঁচ বছর ঘুরেও কোনো চাকরি মেলেনি। তার বৃদ্ধ বাবার ডায়াবেটিসের ওষুধের খরচ চালাতে সে দেউলিয়া।

তুলি আর সুপ্রিয় যখন রকিকে বিল বোজানোর বিরুদ্ধে থামাতে গেল, তখন রকি ক্ষেপে গিয়ে তার মোবাইল স্ক্রিনে ব্যাংকের খালি অ্যাকাউন্টের মেসেজ দেখাল।

"আপনারা শহরের বড় লোক, তুলি আপা!" রকি চেঁচিয়ে উঠল, তার চোখে জল আর ক্ষোভের আগুন। "পরিবেশের দোহাই দেওয়া আপনাদের সাজে! বিল না বুজালে কোম্পানি এই জমি কিনবে না। আমার বাবার প্রেসারের ওষুধ কেনার টাকা নেই, ঘরে চাল নেই। বিল বুজলে যদি আমি দুটো টাকা কমিশন পাই, তাতে আমার পরিবার বাঁচে! আমরা জানি এটা ভুল, কিন্তু পেটের ক্ষুধা আমাদের এই দালালি করতে বাধ্য করছে!"

রকির এই বাস্তবতার সামনে সুপ্রিয় ও তুলি স্তব্ধ হয়ে গেল। তাদের চোখের সামনে সেই চরম সত্য ফুটে উঠল—নৈতিকতা কেবল ভরা পেটের মানুষের বিলাসিতা।

ঝড় ওঠার আগের দিন গ্রামে এসেছিল এক বৃদ্ধ ভ্রাম্যমাণ পুতুলশিল্পী—নাম তার নিবারণ। সে কলকাতা থেকে এসেছে, হাটে-হাটে কাঠের পুতুল নাচিয়ে দুটো পয়সা উপার্জন করে। কিন্তু হাটের কোনো ছেলেই তার পুতুলনাচ দেখতে আসে না; তরুণরা তখন মোবাইলের ৬-ইঞ্চি স্ক্রিনে রিলস আর জুয়ার অ্যাপে মগ্ন।

নিবারণ হাটের কোণে তার কাঠের ফ্রেম খাটিয়ে ঢাক বাজাচ্ছিল।

পুতুলের মঞ্চে কাঠের রাজা আর রানি নাচছিল সুতোর টানে।

ঠিক সেই মুহূর্তেই তার পেছনে বিশাল এক বিলবোর্ডে ঝুলছিল স্মার্ট টাউনশিপের বিজ্ঞাপন, আর নিচে সারিবদ্ধ তরুণরা ঘাড় গুঁজে মোবাইলের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে বসেছিল।

শশী ডাক্তার হেঁটে এসে নিবারণের পুতুলনাচের সামনে দাঁড়ালেন। নিবারণ বিষণ্ন মুখে বলল, "ডাক্তারবাবু, কাঠের পুতুলের নাচ আর কেউ দেখে না। সবাই এখন হাতের তালুর ভেতরের ওই মায়াজালে নাচে।"

শশী নিবারণের দিকে তাকিয়ে ধীরস্বরে বললেন, "তফাত একটাই নিবারণ। তোমার পুতুলের সুতোটা দেখা যায়, তাই মানুষ জানে তারা স্বাধীন নয়। আর ওই স্ক্রিনের ফাইবার অপটিক্যাল সুতোটা দেখা যায় না, তাই মানুষ ভেবে নেয় তারা নিজের ইচ্ছায় নাচছে।"

বর্ষা নামল এক প্রলয়ঙ্করি রূপে। ২০২৬ সালের এই জলবায়ু পরিবর্তনের দিনে গাওদিয়ায় এমন বৃষ্টি আগে কখনো দেখা যায়নি।

বিল বোজানোর ফলে পানি বের হওয়ার সব পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কোম্পানির ড্রেজারগুলো কাদায় তলিয়ে গিয়ে আটকে পড়ল। খালের বাঁধ ভেঙে ঘোলাটে নোনা পানি গাওদিয়া গ্রামে ঢুকতে শুরু করল। যে রকি ভেবেছিল টাকা পাবে, তার নিজের ঘরই পানির তোড়ে ভেসে যেতে লাগল।

কিন্তু চরম বিপদের দিনে গ্রামের আধুনিক প্রযুক্তি বিকল হয়ে গেল। সোলার টাওয়ারগুলো বাজ পড়ে নষ্ট হলো, মোবাইল নেটওয়ার্ক গায়েব।

সুপ্রিয় তার ঢাকার সার্জনের অহংকার ভুলে গিয়ে শশী ডাক্তারের সেই আশি বছরের পুরনো কায়দায় হাত লাগিয়ে বাঁশের তৈরি কলার ভেলা বানাতে লাগল। আর তুলি দিদিমা কুসুমের সাথে মিলে গ্রামের নারীদের উঁচু প্রাইমারি স্কুলে আশ্রয় দেওয়ার কাজে লেগে পড়ল।

রকি যখন ভেলায় করে তার পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবাকে নিয়ে স্কুলে পৌঁছাল, সে সুপ্রিয় আর শশীর পা জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলল।

পরদিন সকালে বৃষ্টি থামল।

স্মার্ট টাউনশিপের প্রজেক্ট কাদামাটির নিচে চিরতরে চাপা পড়ে গেছে। কোম্পানি তাদের ড্রেজার গুটিয়ে পালিয়ে গেছে। উন্নয়ন থমকে গেছে, কিন্তু গাওদিয়া গ্রামের মানুষের জীবন বেঁচে গেছে।

স্কুলের বারান্দায় এসে পাশাপাশি দাঁড়িয়েছেন শশী আর কুসুম। সুপ্রিয় আর তুলি তখন ত্রাণ বিলি করছে, নিবারণ শিল্পী ভাঙা পুতুলগুলো রোদে শুকাতে দিয়েছে।

কুসুম খালের দিকে তাকিয়ে বলল, "পানি আবার নাইমা যাবে শশী। কিন্তু মানুষগুলো কি আবার আগের জায়গায় ফিরবে?"

শশী চশমাটা মুছে চোখে পরলেন।

"ফিরবে কুসুম। রকিরা আবার পেটের টানে নতুন কোনো সাউকারের কাছে যাবে, সুপ্রিয়রা আবার শহরে ফিরে গিয়ে নতুন যন্ত্রের পেছনে ছুটবে। এই গাওদিয়া আবার শান্ত হবে, আবার অশান্ত হবে।"

"তাহলে আমাদের এই সারাজীবনের দেখা কী দিয়ে গেল?" কুসুমের সপ্রশ্ন দৃষ্টি।

শশী কুসুমের দিকে তাকালেন। পরম শান্তিতে তার মুখটা ভরে গেল।

"দিয়ে গেল এই শিক্ষা—পুতুলনাচ বন্ধ হয় না কুসুম। মঞ্চ বদলায়, সুতো বদলায়, পুতুল বদলায়। কিন্তু নাচটা থেকে যায়। আমরা আমাদের পার্ট খেলে গেলাম, এবার নতুন পুতুলরা তাদের নাচ নাচবে।"

গাওদিয়ার বাতাসে খালের ভেজা মাটির গন্ধ, ছাতিম ফুলের সুবাস আর নিবারণের পুতুলের ঢাকের শেষ আওয়াজটা মিলেমিশে এক হয়ে গেল। সময় বদলে ২০২৬ এসেছে, কিন্তু জীবন ও নিয়তির সেই সনাতন ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ অমলিন হয়ে রয়ে গেল গাওদিয়ার প্রতিটি ধূলিকণায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাবা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, ছেলে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:২১

মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে অনেক হৃদয়বিদারক ঘটনা আছে। কুমিল্লার এমনই একটি ঘটনার কথা বলেছেন একজন মুক্তিযোদ্ধা -

কুমিল্লা শহরের উত্তর দিকে রসুল আহমদ নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান।... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের সীমা (জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা!)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০

“সুন্দর শব্দ মধুচক্রের মতো, আত্মার জন্য সুমিষ্ট এবং অস্থির জন্য আরোগ্য।” — প্রবচন ১৬:২৪, বাইবেল

প্রতিদিন বাসা থেকে বের হলেই হাজারো শব্দ উড়ে এসে আছড়ে পড়ে আমাদের কানে। দূর ও নিকট... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন কর্মী ও তার ন্যায্য পাওনা

লিখেছেন কিরকুট, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

বাংলাদেশের বেসরকারি খাত নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত বিনিয়োগ, মুনাফা, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ কিংবা উদ্যোক্তার ঝুঁকির কথা ভাবি। কিন্তু এই পুরো ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কর্মীর শ্রম নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×