অঙ্কু মানে অংকিতা ।ক্লাস টেনে পড়ি।বাবা মার বড় আদরের সন্তান।বাবা আমাকে আদর করে ডাকে অঙ্কু।আমি বড় হয়ে যাচি্ছ এটা মা বাবার চোখে তখনও পড়ে নি।হঠাৎ দেখি মা ছাই রংয়ের একটা ওড়না কিনে আনলেন।অামাকে পড়তে বলল আমি ভীষণ লজ্জা পাইলাম।মা বলল,শরম কিসের বড় হয়েছিস না।আমি মায়ের কথা না শোনার ভান করে আমার রুমে চলে গেলাম।
নিজেকে আয়নায় দেখলাম মায়ের কথার সত্যতা প্রমাণের জন্য।নিজেকে প্রশ্ন করলাম বড় হইলাম কোন দিন এই তো মা সেদিন আমাকে কোলে করে নিয়ে ঘুরলেন আর ফিডার খাওয়াইলেন।মাঝে মাঝে ফিডার দিতে দেরি হলে অনামিকা আঙ্গুলটা চুষতাম।কথা গুলো মনে হতেই আমার গালে একটি হাসির রেখা ফুটে উঠল।আমি ড্রেসিং টেবিলে মুখটা আবার দেখতে লাগলাম ।সেদিন আমার এক বান্ধবীর ভাই আমাকে বলেছে আমি নাকি দেখতে খুব সুন্দর।সত্যিই নিজেকে আয়নাতে দেখে অহংকার ভাবটা আমার মনে উদয় হল।আমার সব বান্ধবীর চেয়ে আমিই সুন্দর।মা ডাকল অঙ্কু এই অঙ্কু এদিকে আয়।আমি ধীরে ধীরে ছোট বাচ্চা মেয়ের মত মায়ের সামনে উপস্তিত হলাম।মাও একটা মুচকি হাসি দিয়ে ফেলল।মা ওড়নাটা আমার বুকের উপর সুন্দর করে গেঁথে দিল।দেখতে ভালই লাগছে।আমার চেহারা দুধে আলতা এর সঙ্গে ছাই রং ,মা বলল বেশ মানিয়েছে তো।আমার বান্ধবী ইস্পা ওর স্বাস্হ্য খুব ভাল ।ও ক্লাস নাইন থেকে ওড়না পড়ে।ওকে যেদিন প্রথম ওড়না পড়া দেখছিলাম আমার বান্ধবীরা অনেক হাসাহাসি করছিলাম।ওর ওড়নার কালারটা ছিল আকাশী........চলবে(২য় পর্ব লেখা হবে আগামীকাল পড়ে ভাল লাগলে কমেন্ট করে উৎসাহ করবেন).আমি উপন্যাস এখানে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


