অনেকেই খালেদা জিয়ার নিরাপদে থাকার বিষয়টাকে হাসিনার উদারতা হিসেবে বলে থাকেন। সামুতে এক ব্লগারের লেখাও দেখলাম। সর্বপ্রথম এটা পরিস্কার হওয়া দরকার, বিএনপি কারো ভিক্ষার দয়ায় চলে না, হাম্বাদের কারো সহানুভূতির আমাদের প্রয়োজন নেই। আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।
আজ বেগম খালেদা জিয়া ৪থ দিনের মতো নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন। সাথে আছেন ছাত্রদল সভাপতি রাজীব এবং আমার মতো ২০০র কিছু বেশী জিয়ার সৈনিক যারা মোটর সাইকেল নিয়ে ম্যাডামের নিরাপত্তায় সফরসঙ্গী।
আজ নেংটির বাচ্চা ছাত্রলীগরা কি গর্তে ঢুকেছে?
ম্যাডাম প্রতিদিনের ন্যায় আজও নির্বাচনী প্রচারনায় নেমেছিলেন! ম্যাডামের সাথে নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেয় ছাত্রদলের প্রায় এক থেকে দেড় হাজার কর্মীসসহ মোট তিনহাজার নেতা-কর্মীর মত। ম্যাডামের গাড়ির সামনে পেছনে ছিল কমপক্ষে ৩০০ মোটর সাইকেল.....
আজ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রায় সকল বাঘা বাঘা নেতারাই নিয়োজিত ছিলেন ম্যাডামের নিরাপত্তা রক্ষায়! জুয়েল ভাই,হাবিব ভাই,রাজিব ভাইসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রায় সকল জাদরেল নেতারাই ছিলেন।
ম্যাডামের নিরাপত্তার জন্য করা হয় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়....
প্রথমে সিএসএফ...এরপরে সোহেল ভাইসহ সিনিয়র নেতারা....এরপরে ছাত্রদল!
নির্বাচনের জন্য ভোট চেয়ে ফেরার পথে ফকিরাপুল মোড়ে এক গলির ভেতর থেকে আওয়ামীলীগ এর ২০/৩০ জন টোকাই কালো পতাকা হাতে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে ম্যাডামের গাড়ির দিকে আসার চেষ্টা করে। তখনই রাজীব ভাই সামনে থেকে ছাত্রদল কর্মীদের নিয়ে ধর ধর বলে ধাওয়া দিয়ে সবগুলা টোকাই পালিয়ে যায়। তাদেরকে ধরার চেষ্টা করা হয়েছি কিন্তু তারা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি......
এরপরে ফকিরাপুল থেকে ম্যাডামের গাড়িবহরকে পরিপূর্ন নিরাপত্তা দিয়ে পার্টি অফিসে নিয়ে আসা হয়। পার্টি অফিসে ম্যাডাম আসার পরই এই কার্যালয় রুপ নেয় জনসমুদ্রে। মূহুর্তেই প্রায় ১০ হাজারের মত লোক সমাগম হয়ে যায়। শ্লোগানে শ্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নয়াপল্টন! ম্যাডাম তখন আগামীকাল সকলকে নির্বাচনের ওয়ার্ক করার আহ্বান জানিয়ে বিদায় দিয়ে বাসায় ফিরে যান...
পরিশেষে বহুবছর পর ছাত্রদলকে পূর্বের রুপে দেখল দেশবাসী! থ্যাংকস ছাত্রদল!
আবারো বলব, বিএনপি কোন ডাকাতের হুমকিতে ভয় পায় না।
শহীদ জিয়া অমর হোক
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


