আনিসুল হক ঢাকার খিলক্ষেতে মোহাম্মদী গার্মেন্টসের কয়েকটি বিশাল কারখানা আছে। এগুলে খিলক্ষেতের সবচাইতে বড় গার্মেন্টস। সেখানে আগে ডোবা ছিলো, বাচ্চারা সেই ডোবাতে একসময় সাতার কাটত, মাছও পাওয়া যেতো। ডোবাগুলি ভরাট করে আনিসুল হক গার্মেন্ট কারখানা বানিয়ে ব্যবসা করছেন। গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠার ৩ যুগ আগে থেকে এখানে জনবসতি ছিল। এই ঘনবসতি এলাকায় জলাশয় বন্ধ করে আনিসুল হক গার্মেন্ট কারখানা বানিয়েছেন, যেখানে রেসিডেন্সিয়াল এলাকায় মিল ফ্যাক্টরি বানানো টোটালি নিষিদ্ধ। এ্রই বড় বড় গার্মেন্টস করাখানার বিশাল বয়লারগুলি প্রচন্ড শব্দ দুষন করছে, এলাকার হিউমিডিটি বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে আবাসিক মানুষের জীবন যাপন বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া ঐ গার্মেন্টগুলি থেকে ডাইং এর বর্জ সরাসরি যাচ্ছে ড্রেন ও ডোবা নালায়। আশেপাশের ডোবাগুলিতে যেখানে মাছ চাষ হত, এখন সেই ডোবাতে আনিস ফেলছে কারখানার বিষাক্ত বর্জ। এতে ডোবাগুলি টোটালি মাছ শূণ্য হয়ে গেছে। আনিস সাহেবের গার্মেন্টসে ৩টা মনস্টার জেনারেটর চলে, যার গরম বাতাসের নল রাস্তার উপর তাক করা। এর প্রচন্ড গরম সরাসরি এসে লাগে আশেপাশের থচারীরাও এর ভাগ পায়। জেনারেটরগুলির প্রচন্ড শব্দে আশেপাশের বাড়ীতে লোকজন বসবাস করতে পারছে না। আনিস সাহেব কি জানেন, তার গার্মেন্টসের বড় বড় কন্টেইনারগুলি ট্রাক যখন মাল নিয়ে যায় ও রাখতে আসে, তখন মোটামুটি পুরো খিলক্ষেত এলাকাজুড়ে প্রচন্ড জ্যাম লাগে? কারন খিলক্ষেত থেকে বেরোনোর রাস্তা একটাই। সিটির আইনে আছে ঢাকা শহরে রাত ১০টার আগে কোন ট্রাক ঢুকতে পারবেনা, সেখানে আনিসুল হক তার ক্ষমতা খাটিয়ে তার গার্মেন্টসের লরি আর ট্রাকে সারাদিন জ্যাম তৈরী করে রাখেন। ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের গণউপদ্রব সৃষ্টি করে ব্যবসা করার লুটেরা ব্যক্তির নাম আনিসুল হক।
তো, এই আনিসুলিএক ঢাকা নগরবাসীর কাছে ভোট চাইছে। সে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, নাগরিক সমস্যা সমাধান করবেন। তো, আনিসুল কি তার গার্মেন্টসগুলি রেসিডেন্সিয়াল এলাকা থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিবেন? জেনারেটরগুলো কি অফ করবেন? তার বয়লার বন্ধ করবেন? জনবসতি এলাকায় ফ্যাক্টরির ডাইং বর্জ ফেলা বন্ধ করবেন? কনটেইনার লরি দিয়ে এলাকায় জ্যাম সৃষ্টি করবেন না? নাকি ক্ষমতা খাটিয়ে আরো গার্মেন্টস বানাবেন? তাহলে এই ভণ্ডকে আর ঢাকাবাসী ভোট দিবেন কেনো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


