ঢুকে আছে, খুব আয়েশে।
আমি এখন পথে পথে ব্যস্তথাকি, সমস্তদিন।
আমি এখন ভদ্রমানুষ, তাই থামিনা, থামতে মানা।
তবু আমার মোবাইল ফোনে, মৃতু্য এল তরঙ্গিত
আমার ঘরে পর্দা টানা, নতুন বাতাস ঢুকতে মানা
তবু দেখো, মৃতু্য কেমন ঘুরছে আমার ঘরটা জুড়ে।
একটা ছবি, একটা হাসি, ভালোমানুষ গোবেচারা।
মৃতু্য মানে আমার কাছে, হলুদ হওয়া একটা কাগজ
হারিয়ে যাওয়া, হারিয়ে যাওয়া...
মৃতু্য মানে আর খুবজোড়, কয়েকফোঁটা চোখের পানি,
বুকের মধ্যে একটুখানি, থমকে যাওয়া রুগ্ন বাতাস
আর কিছু না, আর কিছু না।
আমি এখন স্বপ্ন বেচি।
স্বপ্ন মানে সবুজ উঠান, ফুলের বাগান ছোটখাটো।
স্বপ্ন মানে দু-তিনটা ঘর, রঙবেরঙের দালান কোঠা।
স্বপ্ন মানে সারা জীবন সুদের মাশুল, আসল নকল।
তবু যখন অন্ধকারে, অফিস পাড়া ঘুমিয়ে পড়ে।
আমি তখন গুটি গুটি, ফিরতে থাকি, ঘুরতে থাকি।
আমি তখন অন্ধকারে, একটা জানলা আলোকিত
যায় না ছোঁয়া, যায় না ছোঁয়া...
কিংবা যখন অফিস ঘরে।
জানলা বেয়ে গড়িয়ে নামে অন্ধকারের তরল শরীর।
নিয়ন বাতির বিশাল ঘোরে, নিরবতা ঘুরতে থাকে।
ব্যস্ত আমার আঙুলগুলো থমকে থামে,
কানের পাশে কার নিঃশ্বাস? হাসতে থাকে হাসন রাজা।
জুতার ভেতর পাথর কুচি, তুলতে মানা, যায় না থামা।
প্রকাশ: পরবাস (আনুমানিক : 2002 সালের প্রথম দিকে)
Click This Link
ছবিটা নীলাঞ্জনা বসুর আাঁকা। পরবাস থেকে নেয়া।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৫:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




