কালও ছিল, যদিও তারো আগে আরো
যখন পায়ের তল ভিজে গেল ঘাসের আড়াল
ছেড়ে বাসের পথের দিকে ধাবমান হয়ে
তখনো আসেনি এই বোধ, তখনো হয় নাই ভয়।
এই ক্ষণে মনে আছে রেশীভুত গত হওয়া
চিঠোপচিঠিন, ইদানিং ঘুমের আরাম ভোলা
ব্যারামে বিরামহীন ঘায়েল থাকায, জেগে থাকা
খালি খালি ঘুম ঘুম কাটে। কুয়াশায় পিঠ দিয়ে
ছায়ার শরীর সব - আসে, বসে, হাসে, যায়।
বলা যায় আসিতে আসিতে তারা হাসিতে
হাসিতে এবং বসিতে বসিতে হাসে আবার
যাইতে যাইতেও আসে। অবাস্তব এ বাস
তীরে, বাসস্থানে, অলৌকিক শালিক-চড়াই
করছে আবাস, তবুও স্বপ্নে আসে বাস।
ভীষণ বাতাস! আর সামনে উদীয়মান গাছেদের
সারি থেকে শব্দহীন শিশির সুবাস। কারো নাই
বসে থাকা। থাকা আছে। চলমান জানালা সেই,
কোন ছবি রাখে নাই, ঘুনর্ী ঘোরে চাকা। আহা
যেন আজ তারও লাগে খুব একা একা!
21/02/2004
কবিতা সঞ্চালন 3.
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




