উ মিনসিয়া ১৯৮৫ সালের ১০ নভেম্বর সাংহাই শহরে জন্মগ্রহণ করেন। সংগীত, বই পড়ার বিষয়ে তাঁর সখ আছে। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সাফল্য হচ্ছে ২০০১ সালে বিশ্ব চ্যাম্পয়নশীপে নারীদের ৩ মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিং দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন হন।
১৯৯১ সালে তিনি সাংহাই শহরের দ্বিতীয় ডাইভিং স্কুলে অনুশীলন করেন, তখন তাঁর কোচ ছিলেন ইয়েন লিয়ানইং। ১৯৯৫ সালে তিনি সাংহাই শহরের ডাইভিং দলে প্রবেশ করেন, তখন তাঁর কোচ ছিলেন শি হুইকুও। ১৯৯৮ সালে তিনি জাতীয় দলে প্রবেশ করেন, তখন তাঁর কোচ ছিলেন উ কুওছুন এবং ওয়াং মিন। ২০০১ সালে তাঁকে প্রশ্রিক্ষণ দেবার দায়িত্ব নেন লিউ হেংলিন।
২০০১ সালে বিশ্ব চ্যাম্পয়নশীপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিং দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০১ সালে পূর্বএশীয় গেমসে নারীদের ৩ মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিং দফায় তিনি চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০২ সালে বিশ্ব কাপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিং দ্বৈত, একক দফায় রানার্স-আপ হন, এবং দলগত দফায় চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক সাঁতার ফেডারেশনের গ্রাঁপির ক্যানাডা ধাপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্পীংবোর্ড ডাইভিংয়ের একক এবং দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক সাঁতার ফেডারেশনের গ্রাঁপির যুক্তরাষ্ট্র ধাপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিংয়ের একক দফায় চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০২ সালে জাতীয় ডাইভিং চ্যাম্পয়নশীপে তিনি নারীদের এক মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিংয় দফায় রানার্স-আপ হন। ২০০২ সালে ফুসান এশীয় গেমসে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীংবোর্ড ডাইভিংয়ের দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন, একক দফায় রানার্স-আপ হন। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক সাঁতার ফেডারেশনের গ্রাঁপির অষ্ট্রেলিয়া ধাপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীবোর্ড ডাইভিংয়ের দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক সাঁতার ফেডারেশনের গ্রাঁপির চীন ধাপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীবোর্ড ডাইভিংয়ের দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন এবং একক দফায় রানার্স-আপ হন। ২০০৩ সালে বিশ্ব চ্যাম্পয়নশীপে তিনি নারীদের ৩ মিটার স্প্রীবোর্ড ডাইভিংয়ের দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন এবং একক দফায় তৃতীয় হন। ২০০৪ সালে বিশ্ব কাপে নারীদের ৩ মিটার স্প্রীবোর্ড ডাইভিংয়ের দ্বৈত দফায় চ্যাম্পিয়ন এবং একক দফায় তৃতীয় হন।
আলোচিত ব্লগ
ওরা ভয়ংকর

বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!
শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন
জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন
আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন
জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভাংগুক অচলায়তন

ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।
ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।
নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার
ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।