somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ১০)

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মুক্তিযুদ্ধের পরে পুরো প্রশাসন ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছিল। আওয়ামী লীগের এমসিএ-নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা বেপরোয়া লুটপাট আর সম্পদ সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন। শেখ মুজিব কখনো কঠোর, কখনো নরম হয়ে এই দুঃসহ অবস্থা মোকাবিলার চেষ্টা করলেন। প্রথমেই তিনি কঠোর হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করেছিলেন। ১৯৭২ সালের ৬ এপ্রিল দুর্নীতি ও দেশবিরোধী তৎপরতার কারণে তাঁর দলের ১৬ জন সাংসদকে তিনি দল থেকে বহিষ্কার করেন । ৯ এপ্রিল ৭ জন এবং ২২ সেপ্টেম্বর আরো ১৯ জন সাংসদকে তিনি বহিষ্কার করেন।স্বাধীনতার সুফল ভোগের দাবি নিয়ে এলেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। তাদের ভাব এমন যে, তারা যুদ্ধে জয়ী হয়ে এসেছেন; সুতরাং বিজিতদের সবকিছুতেই তাদের অগ্রাধিকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক যারা আত্মরক্ষার জন্য ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তারা সবাই নিজেদের পছন্দমতো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা অনুরূপ পদ বেছে নিলেন। ঠিক তেমনিভাবে শুধু ভারত ঘুরে এসেছেন সেই অধিকারে দু'টো-তিনটে পদ টপকে একেকজন উপরে উঠে বসলেন। ‘শত্রুসম্পত্তি’ এই বাহানা দিয়ে গাড়ি, বাড়ি, ফ্রিজ, টেলিভিশন, দরজা, জানালা লুট করা হলো । যারা এই দুষ্কর্ম করলেন তাদের অনেকেই বেশ পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব। গোটা দেশ নিঃশব্দে দু'টি শিবিরে ভাগ হয়ে গেল ।

স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ আওয়ামী লীগের হাতে চলে যায় । এ সময় মওলানা ভাসানী ছাড়া দেশে দৃশ্যত কোনো বিরোধীপক্ষের অস্তিত্ব ছিল না। এছাড়া ছিল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফ্ফর) ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নামে অন্য দু'টি রাজনৈতিক দল । ন্যাপ (মো) এবং সিপিবি সরকারকে সমর্থন করছিল। সরকারের কাছে এই তিনটি দল ছিল ‘দেশপ্রেমিক'।
আইন না মানার যে সংস্কৃতি চালু হয়, তা প্রশাসনের উচ্চপর্যায়কেও আক্রান্ত করে। একবার কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত রেলের যাত্রীদের টিকিট চেক করে শতাধিক টিকিটবিহীন যাত্রীকে চিহ্নিত ও আটক করা হয়। অবাক হওয়ার মতো কাণ্ড, টিকিটবিহীন যাত্রীদের মধ্যে একজন ছিলেন পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, তাও আবার সপরিবারে। প্রশাসনের উচ্চ স্তরে পছন্দমাফিক নিয়োগ শুরু হয়। এ সময় পাবলিক সার্ভিস কমিশনও পছন্দমাফিক গড়ে তোলা হয়। ১৯৭২ সালের মে মাসে প্রথম পিএসসি গড়ে তোলার সময় যাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়, সেই ড. এ কিউ এম বজলুল করিম ছিলেন মৃত্তিকা বিজ্ঞানের একজন শিক্ষক!৯ গুরুত্বপূর্ণ এই পদটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষককে নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র বিবেচ্য বিষয় ছিল, তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদের শিক্ষক।


এদিকে আওয়ামী লীগের নেতারা সশস্ত্র প্রহরীসহ ঘোরাফেরা করতেন। যাকে- তাকে হত্যার হুমকি দিতেন, মারধর করতেন। সেই সময়ের চিফ হুইপ শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন খুব গর্বভরেই লিখেছেন, কীভাবে সচিবালয়ে একজন সচিবকে হত্যার ভয় দেখিয়ে কাজ আদায় করেছিলেন, সেই কাহিনী। তিনি সেই সচিবের অসহায় অবস্থা সম্পর্কে লিখেছেন—'সে পাগলের মতো একবার শিক্ষামন্ত্রীর ও একবার আমার পায়ে পড়তে লাগল। বারবার একই কথা বলল, স্যার এবারের মতো ছেড়ে দেন। আমি আর কোনোদিন আপনাদের কথার অবাধ্য হবো না।' উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীদের বাধ্য করার এই তরিকা ব্যাপকভাবে ‘জনপ্রিয় হয়ে উঠলো।
আরেক ঘটনায় তিনি রোডস্ অ্যান্ড হাইওয়েজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে তিন তলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেবার ভয় দেখিয়ে কাজ আদায় করেছিলেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার উপায়ান্তর না দেখে শেখ মুজিবের কাছে এর সুরাহার জন্য যান এবং এই অন্যায় ও জবরদস্তিমূলক আচরণের প্রতিকার চান। উল্টো শেখ মুজিব তাকে বলেন, ‘মোয়াজ্জেম না হয়ে আমি হলে আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে নিচে ফেলে দিতাম। আপনি কোন সাহসে চিফ হুইফের কথা অমান্য করেন! যান, যেভাবে বলেছে, সেভাবে কাজ করুন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফাইল পাঠিয়ে দিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মন্ত্রীরা নিজে সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকতেন। কোনো সিদ্ধান্ত পরে ভুল প্রমাণিত হলে প্রধানমন্ত্রী বিরক্ত হবেন—এই আশঙ্কায় অথবা নিজেদের যোগ্যতার প্রতি আস্থার অভাবের কারণে তারা এই ঝুঁকি নিতে চাইতেন না।
১৯৭২ সালের মাঝামাঝি সময় সরকার সাড়ে তিন শত উচ্চতর প্রারম্ভিক পদে (সিভিল সার্ভিস) মুক্তিযোদ্ধা প্রার্থীদের মধ্যে থেকে নিয়োগের উদ্যোগ নেয়। বলা হয়েছিল, এজন্য পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রথাসিদ্ধ কোনো পরীক্ষা নেয়া হয়নি। নেয়া হয়েছিল একটি তড়িঘড়ি মৌখিক পরীক্ষা।মুক্তিযোদ্ধা প্রার্থীদের মধ্যে থেকে অফিসারদের এ নিয়োগ অবশ্য সাড়ে তিন শ'তে সীমিত থাকেনি। বরং প্রায় দেড় হাজার অনুরূপ প্রার্থীকে প্রশাসন,পুলিশ, নবগঠিত ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস (আইএমএস) ইত্যাদিতে নিয়োগ দেয়া হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সের ক্ষেত্রে অভাবিত শিথিলতার কারণে এ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত অসম প্রকৃতির প্রার্থীদের নিয়োগ লাভের সুযোগ ঘটে। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে সিভিল সার্ভিসে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ বছর বয়সী গ্র্যাজুয়েটগণ সুযোগ পেতেন। এরূপ প্রার্থী আবার স্নাতক পর্যায়ে তৃতীয় শ্রেণির ডিগ্রির অধিকারী হয়ে থাকলে তা পুষিয়ে নেয়ার জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায়ে তার প্রথম শ্রেণি থাকতে হতো। মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগপ্রাপ্ত হলে তো প্রশ্নই ছিল না। কিন্তু এসব নিয়ম উল্লিখিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একেবারেই উপেক্ষিত হয়। সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়সী প্রার্থীকে এই নিয়োগে সুযোগ দেয়া হয়। সেই সাথে, গ্র্যাজুয়েট হলেই হলো, শ্রেণি বা বিভাগের বিষয়ে মাথা ঘামানো হলো না। ফলে এ প্রক্রিয়ায় এমনও অফিসার সিভিল সার্ভিসে পাওয়া গেল যারা এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক— এই তিনটি পরীক্ষাতেই বসেছেন এবং এগুলোর প্রত্যেকটিতে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণির সার্টিফিকেট অর্জন করতে পেরেছেন। ব্রিটিশ আমলের তো প্রশ্নই ওঠে না, পাকিস্তান আমলেও এ ধরনের প্রশাসনিক কর্মধারা ছিল অচিন্তনীয়।

এমন সব ব্যবস্থা সূচিত করার মাধ্যমে মেধার গুরুত্ব অস্বীকারই করা হয়েছে। সময়ে সময়ে মেধার গুরুত্ব উচ্চকিত করার স্বল্পপ্রাণ দু'-একটি চেষ্টা ছাড়া এ দেশের প্রশাসনকে অতি-সাধারণ পর্যায়ে নামিয়ে ফেলার অন্তহীন প্রচেষ্টার সূচনা ছিল স্বাধীনতার পর সম্পাদিত ওই অতি-যত্নের অতি-তাৎক্ষণিক নিয়োগকাণ্ড। খন্দকার মোশতাক এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। আবার স্বাধীন দেশে সিদ্ধান্ত গ্রহণে মন্ত্রীদের হাতে সম্পূর্ণ দায়িত্বভার ন্যাস্ত না হওয়ায় সাধারণভাবে মন্ত্রীরা ‘কাজের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়' করা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
শেখ মুজিবের প্রবণতা ছিল সচিবদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা। সচিবদের সরাসরি নির্দেশনা দিয়ে তিনি দ্রুত ফলাফল ও কাজের অগ্রগতি প্রত্যাশা করতেন। এসব কারণে অনেক ক্ষেত্রেই মন্ত্রীরা নিজেদের অনেকটা দায়িত্ববিহীন ও জবাবদিহিতা থেকে মুক্ত বলে মনে করতেন। ক্রমান্বয়ে মন্ত্রীরাও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব দায়-দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দিয়ে তার ইশারা-ইঙ্গিতের দিকে চেয়ে বসে থাকতেন।

শেখ মুজিবের সাথে প্রশাসনিক বিষয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লে. জে. অরোরা বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে আমি যখন তার সঙ্গে (মুজিব) আরো ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশার সুযোগ পেলাম, তখন আমি উপলব্ধি করলাম যে, তিনি প্রশাসনিক বিষয়ে যত না দক্ষ, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে, তাদেরকে ক্ষেপিয়ে তুলতে তিনি তার চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। তিনি কথা বলে লোকজনকে নাচাতে পারতেন। কিন্তু প্রশাসন চালানোর ব্যাপারে তিনি তেমন দক্ষ ছিলেন না

সম্পদের অভাবনীয় স্বল্পতা এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক মুদ্রার অভাবের কারণে ১৯৭৪ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অতি দ্রুত এবং মারাত্মক অবনতি ঘটে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিও অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব ফেলে। সরকার সামাজিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

১৯৭৩ সালের ১০ জুন দৈনিক পত্রিকায় একটি ভয়াবহ খবর ছাপা হয়। গাইবান্ধা শহর থেকে দশ মাইল দূরবর্তী মহিমাগঞ্জ এলাকা থেকে আগত পাঁচ শতাধিক অর্ধ-উলঙ্গ নারী মিছিল সহকারে শহরের প্রধান প্রধান রাস্তা প্রদক্ষিণের পর মহকুমা প্রশাসকের বাসভবন ঘেরাও করে কাপড়ের দাবি জানায়। এই একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, সদর থানার তুলসীঘাট এলাকায় জনৈকা শাশুড়ি বস্ত্রাভাবে জামাইয়ের সামনে ঘর থেকে বেরুতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন। এমনই হয়েছিল বস্ত্র সংকটে জর্জরিত বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজের চিত্র।
শেখ মুজিব যখন যুগোশ্লাভিয়া সফরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি আমলাতন্ত্রের ভূমিকা নিয়ে প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটোর সঙ্গে আলাপ করেছিলেন। একটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রকে একটি ভিন্ন আর্থ-সামাজিক দর্শনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুলতে হলে একজন নেতাকে কী সমস্যায় পড়তে হয়, এ নিয়ে দু'জনের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। পুরনো ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-ভাবনাসমৃদ্ধ কর্মকর্তাদের 
দিয়ে এই কাজটি যুগোশ্লাভিয়ায় কীভাবে হয়েছে, এটা জানতে শেখ মুজিব বিশেষ উদগ্রীব ছিলেন। এ ব্যাপারে শেখ মুজিবকে টিটো জানিয়েছিলেন, আমলাদের অবশ্যই রাজনৈতিক নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা ও মতবাদের ধারণায় অংশীদার হতে হবে এবং তাদের অবশ্যই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি অনুগত থাকতে হবে ।টিটো গর্ব করে শেখ মুজিবকে বলেছিলেন, তিনি যুগোশ্লাভিয়ায় এসে যা দেখেছেন তাতে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন যে, ওই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না ।সেই সময় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে লোকজন নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা ব্যাপকভাবে হস্তক্ষেপ করেন, এমন কথাবার্তা লোকমুখে প্রচলিত ছিল ।

পরিকল্পনা কমিশনের উপ-প্রধান নুরুল ইসলাম শেখ কামালকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠিয়ে দিতে শেখ মুজিবকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এতে সে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকতে এবং নিজের ভবিষ্যতের ব্যাপারে প্রস্তুতি নিতে পারবে। শেখ মুজিব তার প্রস্তাবের সঙ্গে একমত হলেন; তবে এ ব্যাপারে তিনি তাঁর আর্থিক অক্ষমতার কথাও জানালেন। দাতা সংস্থা ও বিদেশি বেসরকারি দাতাদের সঙ্গে সম্পর্কের সুবাদে নুরুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশে তাদের নিয়মিত সাহায্য কর্মসূচির বাইরে কোনো বৃত্তির ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা আমি চেষ্টা করে দেখতে পারি? তিনি উত্তর দিলেন, এ প্রস্তাব তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কামাল এমনিতে মেধাবী ছাত্র নয়, তার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করলে সেটা ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা স্বজনপ্রীতি বলে গণ্য হবে।শেখ মুজিব তাঁর মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও বাজারে যে সব ‘গুজব’ ছিল সে ব্যাপারে অবগত ছিলেন। কিন্তু রাজনীতির জটিল ও বিপদসংকুল সময়ে যারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন, সে সব সহকর্মীর বিরুদ্ধে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নিতে দ্বিধান্বিত ছিলেন ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজব পোশাক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬


এক দেশে ছিল একজন রাজা। রাজার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া। সিপাহী-সামন্ত লোকলস্করে রাজপুরী গমগম। রাজার ধন-দৌলতের শেষ নেই। রাজা ছিল সৌখিন আর খামখেয়ালি। খুব জাঁকজমক পোশাক-পরিচ্ছদ পরা তার শখ। নিত্যনতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচনী অঙ্গীকার চাই ফুটপাথ ফেরাও মানুষের কাছে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬


ভোটের মিছিলে কথা হয় অনেক
পোস্টারে ভরা উন্নয়নের ঢাক
কিন্তু বলো তো ক্ষমতাপ্রার্থী দল
ফুটপাথ কার এ প্রশ্নের কি জবাব?

ঢাকা ছোটে না, ঢাকা পায়ে হেটে ঠেলে চলে
শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই পড়ে কষ্টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×