somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ১১)

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


স্বাধীনতার পরে এ উজ্জ্বল বিকেলে শেখ মুজিবের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী । নানা বিষয়ের সাথে কথা উঠলো দালালদের বিচার এবং ক্ষমা নিয়ে। আবদুল গাফফার চৌধুরী দাবী নিয়েই শেখ মুজিবকে বলেন, অন্তত দালালদের ‘পালের গোদাদের’ ছেড়ে দেয়া উচিত হবেনা। আবদুল গাফফার চৌধুরীর এই আবেদন শুনে শেখ মুজিব হেসে বললেন-
‘না, তা হয় না। সকলকেই ছেড়ে দিতে হবে। আমার এ আসনে বসলে তোমাকেও তা-ই করতে হতো । আমি তো চেয়েছিলাম, ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যকে ছেড়ে দিয়ে অন্তত ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী অফিসারের বিচার করতে।তাও পেরেছি কি? আমি একটা ছোট অনুন্নত দেশের নেতা। চারিদিকে উন্নত ও বড় শক্তির চাপ। ইচ্ছা থাকলেই কি আর সব কাজ করা যায়।
এই ঘটনার কিছুদিন পরেই ১৯৭৩ সালের জানুয়ারিতে 'ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় লুইস এম সাইমন্স লেখেন:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন মুজিবকে এই মর্মে উপদেশ দিয়েছে যে, ৭৩ হাজার সামরিক ও ২০ হাজার বেসামরিক ব্যক্তির বিচার হলে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো নীতিভ্রষ্ট পাকিস্তানি জনগোষ্ঠী নিয়ে মহা সমস্যায় পড়ে যাবেন এবং এটি উপমহাদেশের শান্তি আলোচনাকে মারাত্মকভাবে বিনষ্ট করবে।

সেই বছর ৩০ নভেম্বর একটি আকস্মিক সরকারি ঘোষণায় যে সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই এবং দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন, এমন সকল আটক ব্যক্তির প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। ইতিপূর্বেকার সমস্ত প্রতিশ্রুতি, জনসভায় ক্রন্দন, বিশ্বমানবসমাজ ও ইতিহাসের কাছে দায়ী থাকার ভীতি প্রকাশ করে দেয়া বক্তব্য, প্রতিজ্ঞা ইত্যাদি বিস্মৃত হয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ নির্দেশ দেন,
যেন এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত দালালকে ছেড়ে দেয়া হয়, যাতে তারা দেশের তৃতীয় বিজয় দিবস পালনের উৎসবে শরিক হতে পারে । তিনি এই দালালদের দেশগড়ার কাজে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর দালাল আইনে আটক ৩৭ হাজারের অধিক ব্যক্তির ভেতর প্রায় ২৬ হাজার ছাড়া পায়। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণায় বলা হয়- নরহত্যা, নারী ধর্ষণ এবং অগ্নিসংযোগ অথবা বিস্ফোরকের সাহায্যে ঘরবাড়ি ধ্বংস অথবা জলযান ধ্বংসের অভিযোগে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই সাধারণ ক্ষমা প্রযোজ্য হবে না । যদি অপরাধী অনুপস্থিত থাকে, সে ক্ষেত্রে সে সব অভিযুক্তদের সাধারণ ক্ষমার জন্য আবেদন করতে হবে ও তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রেই তারা সাধারণ ক্ষমার জন্য যোগ্য বিবেচিত হতে পারে, যদি তাদের বিরুদ্ধে উপরে উল্লিখিত অপরাধের অভিযোগ না থাকে।
সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরও ১১ হাজারের বেশি ব্যক্তি যুদ্ধাপরাধের দায়ে কারাগারে আটক ছিল এবং তাদের বিচার কার্যক্রম চলছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ১৯৭৫-এর ৩১ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম সামরিক অধ্যাদেশ জারি করে দালাল আইন বাতিল করেন। থেমে যায় যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রম। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যেই মালেক মন্ত্রিসভার সদস্যবর্গ, কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি ও শান্তি কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং ‘বুদ্ধিজীবী হত্যার চক্রান্তকারী দালাল'সহ মূল স্বাধীনতা বিরোধীরা
জেল থেকে বেরিয়ে আসে।২৬ মার্চ, ১৯৭৫, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রদত্ত এক ভাষণে অত্যন্ত ব্যথিত কন্ঠে মুজিব বলেন, আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো। আমি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছি। আমি তাদের বিচার করিনি। আমি তাদের ক্ষমা করেছি। কেননা আমি এশিয়া এবং বিশ্বের বন্ধুত্ব চেয়েছিলাম ।৩

এভাবেই মানব ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড পরিচালনাকারী উম্মাদদের আবার স্বজন হারানো জনতার মাঝে ছেড়ে দেয়া হয়। এই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরও সরকারি গেজেটে আত্মগোপনকারী দালালদের নাম, , ঠিকানাসহ আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ, অন্যথায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার হুঁশিয়ারি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সমন প্রকাশিত হতে থাকে, কারণ ইতোমধ্যেই তা মুদ্রিত হয়ে গিয়েছিল।

একাত্তরের ঘাতক ও দালালদের কেন ক্ষমা করা হলো, এ নিয়ে আওয়ামী মহল ও বিরোধী মহলের ধারণা সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী । আওয়ামী লীগের আবেগাক্রান্তরা মনে করেন, দালালদের ক্ষমা করা ছিল 'বঙ্গবন্ধুর মহানুভবতা', দালালদের পুনর্বাসনের জন্য তাঁকে কোনোভাবেই দায়ী করা যাবে না। অপেক্ষাকৃত যুক্তিবাদীদের বক্তব্য— পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালিদের উদ্ধার করার জন্য দালালদের ক্ষমা করতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। বিরোধী পক্ষ অবশ্য এ যুক্তি খণ্ডন করে বলেছেন, আটকেপড়া বাঙালিদের মুক্তির জন্য ৯৬ হাজার যুদ্ধবন্দি যথেষ্ট ছিল। বিরোধীপক্ষের কেউ এভাবেও মূল্যায়ন করেছেন- আওয়ামী লীগের মধ্যে সামগ্রিকভাবে যদি সাম্প্রদায়িক, ভারত ও সোভিয়েতবিরোধী ও মার্কিনপন্থি শক্তিসমূহের প্রভাব বৃদ্ধি না হতো, তাহলে এই ক্ষমা প্রদর্শন করা আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে সম্ভব হতো না। এই পরিবর্তন যদি না ঘটতো, তাহলে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর এবং ১৯৭২ সালের প্রথমে যাদেরকে বাংলাদেশের ‘জাতশত্রু' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই জাতশত্রুদেরকে দেশ গড়ার কাজে আহ্বান জানানো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা কিছুতেই সম্ভব হতো না।
এই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণায় শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবীদের মাতা, পিতা, স্ত্রী ও সন্তানরা ক্ষুব্ধ হন। স্বাধীনতাযুদ্ধে শহিদ তরুণ মুক্তিযোদ্ধা রুমির মা লেখিকা জাহানারা ইমাম বলেছেন, গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যায় যাদের ভূমিকা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছিল, স্বাধীনতার পর পরই তাদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সাধারণ ক্ষমার জন্য তা হয়নি। তৎকালীন সরকারের সাধারণ ক্ষমার সিদ্ধান্ত ছিল মারাত্মক একটি ভুল।


প্রখ্যাত সাংবাদিক শহিদ শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার বলেন, বর্তমানে রাজাকার, আল-বদরদের যে দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে, তা শেখ মুজিবের সাধারণ ক্ষমারই ফল। ওই ক্ষমা ছিল বিচার-বুদ্ধিহীন। আওয়ামী লীগের প্রথম সারির কোনো নেতা যুদ্ধে আপনজন হারাননি। ফলে স্বজন হারানোর ব্যথা তাদের জানা ছিল না। ঘাতকদের তারা সহজেই ক্ষমা করে দিতে পেরেছিলেন।দেশ স্বাধীন হবার একদিন আগে, ১৫ ডিসেম্বর আল্-বদর, রাজাকাররা এক পরিবারের তিন সহোদরকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। পরদিন ১৬ ডিসেম্বর, যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দিনে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে তিন ভাইয়ের লাশ পাওয়া যায়। এই তিন ভাই হচ্ছেন- শহিদ বদিউজ্জামান বদি, শহিদ শাহজাহান ও শহিদ করিমুজ্জামান ওরফে মলুক জাহান।শহিদ বদি পরিবারের মুখপাত্র হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হুদা সাধারণ ক্ষমা সম্পর্কে বলেন, রাষ্ট্র প্রধান যে কাউকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু যারা লাখ লাখ স্বাধীনতাকামী লোককে হত্যা করেছিল, তাদের ক্ষমা করে দেয়া ছিল অমার্জনীয় অপরাধ। ছিল একটি চরম ভুল সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, শুধু ক্ষমা নয়, ওই সরকার শহিদ পরিবারগুলোর প্রতি ন্যূনতম কৃতজ্ঞতাও প্রদর্শন করেনি। শহিদ বদির পুত্র তুরান বলে যে, আমার পিতার হত্যাকারীদের বিচার না হওয়ায় আমি স্তব্ধ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ও প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক শহিদ ডাঃ মর্তুজার স্ত্রী মিসেস মর্তুজা বলেন, যাদের প্রাণ গেছে, তাদের আত্মীয়-স্বজনরাই বুঝতে পেরেছেন শেখ মুজিবের সাধারণ ক্ষমার মর্মান্তিক মর্ম।
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানের অমর সুরকার শহিদ আলতাফ মাহমুদের স্ত্রী সারা মাহমুদ বলেন, সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা কোনোভাবেই উচিত হয়নি। সেদিন সাধারণ ক্ষমা না করা হলে, অন্তত আমার স্বামীকে হত্যা করে কোথায় 'দাফন' করা হয়েছিল তা জানতে পারতাম। কিন্তু সাধারণ ক্ষমার ফলে আমার স্বামীর বধ্যভূমির ঠিকানাও পাইনি।
শহিদ অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর স্ত্রী মনোয়ারা চৌধুরী বলেন, ঘাতকদের সাধারণ ক্ষমা করা হবে, তা আমরা ভাবতেই পারিনি। কিন্তু সরকার সাধারণ ক্ষমা করে দিলো। আমরা ভেবেছিলাম, শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় এসে ঘাতকদের বিচার করবেন। কিন্তু তিনি তা করলেন না। শেখ মুজিব তো ব্যক্তিগতভাবেও আমাদের চিনতেন। সে চেনা-জানাটুকুও কাজে লাগলো না।
স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে নিহত জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতার স্ত্রী বাসন্তী গুহ ঠাকুরতা সাধারণ ক্ষমা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রথমেই প্রশ্ন তোলেন, ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী সামরিক অফিসারের কেন বিচার করা হলো না? শেখ মুজিব তো বহুবার বললেন, যুদ্ধাপরাধী অফিসারদের বিচার করবেন। কিন্তু পারলেন না। আবার তিনি এ দেশীয় ঘাতকদেরও ক্ষমা করে দিলেন। সেদিন অন্তত দু'-একজন ঘাতকেরও যদি সাজা হতো, তাহলে অনেক শহিদ পরিবারই শান্তি পেতো।
শহিদ অধ্যাপক সিরাজুল হকের স্ত্রী বেগম সুরাইয়া খানম বলেন, ঘাতকদের আমরা তো ক্ষমা করিনি। ক্ষমা করেছে সরকার। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু তা পাইনি । এত বছর পরে বিচার চাইবোই-বা কার কাছে?
এদেশের সংবাদপত্র জগতের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব এবং দৈনিক ইত্তেফাকের 'মঞ্চে- নেপথ্য' কলামের লেখক সিরাজউদ্দিন হোসেনের পুত্র শাহীন রেজা নূর বলেন, শুধু সাধারণ ক্ষমা নয়, এর আগে বিচারের নামে প্রহসন করা হয়েছিল। হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সুকৌশলে রেহাই দেয়া হয়। অথচ যাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রমাণ ছিল না, তাদেরকে জেলে ঢোকানো হয়। এছাড়া যারা হত্যার মূল পরিকল্পনা করেছিল, তারাও অদৃশ্য হাতের ছোঁয়ায় সকল দায়দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যান। এ রকম প্রহসনমূলক বিচারের পর আবার আসলো সাধারণ ক্ষমা।'

শাহীন রেজা বলেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এর সাথে একমাত্র তুলনা হয় জার্মান একনায়ক হিটলারের 'কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের হত্যাকাণ্ডের'। অথচ তৎকালীন সরকার জঘন্য হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিলেন। এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ হয়েছিল। আর এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে তৎকালীন সরকারের অদূরদর্শিতাই প্রমাণিত হয়েছিল।শহিদ শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহেল বাকির বৃদ্ধ পিতা শেখ মোহাম্মদ আবদুল বারী বলেন, শহিদদের রক্তের দাগ শুকাতে না শুকাতে আওয়ামী লীগ সরকার '৭১-এর ঘাতকদের ক্ষমা করে দিলো । এই ক্ষমা ছিল এক অদ্ভুত খেয়ালীপনা। পৃথিবীতে এমন ঘটনা নজিরবিহীন। খুনিদের ক্ষমা করে দিয়ে যে অবস্থার সৃষ্টি করা হয়েছে, তা মেনে নেয়া যায় না। তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত সাধারণ বিষয় যে, যারা হত্যা করে, তাদের বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু তা হয়নি। আর এই বিচার না হওয়াটা অমার্জনীয় অপরাধ হয়েছে।এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই, ব্যক্তিগতভাবে শেখ মুজিবুর রহমান দালালদের ক্ষমা করার ক্ষেত্রে মহানুভবতা দেখাতে পেরেছেন শ্রেণিস্বার্থ অভিন্ন বলে।

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে এসেছিলেন ইউনুস স্যার!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৪



অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ছেড়ে গেলেও নতুন বাংলাদেশ গড়ার সার্বিক দায়িত্ব আমার, আপনার, আমাদের সবার। দীর্ঘ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন কিরকুট, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

*** জামাত শিবির এর যারা আছেন তারা দয়ে করে প্রবেশ করবেন না ***


বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এখন আর কেবল একটি দলের ভাগ্যের প্রশ্ন নয় এটি রাজনৈতিক ভারসাম্য, গণতান্ত্রিক কাঠামো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীর বুকে এই দুর্যোগ যেন কোনওদিন না আসে

লিখেছেন অর্ক, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২২



পৃথিবীর বুকে এই দুর্যোগ যেন কোনওদিন না আসে। দুর্ধর্ষ মাফিয়া একটি রাষ্ট্রের মালিক হতে যাচ্ছে। দেশ সীমানা ভূখণ্ডের গণ্ডি পেরিয়ে, পৃথিবীর জন্যই অত্যন্ত বিপদজনক। অবশ্য নির্মম বাস্তবতা হলো, আগাগোড়া অসভ্য,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবশেষে দেশে গণতন্ত্র কায়েম হইলো

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৩

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে এখন আমাদের আর কোন টেনশন রইলো না। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীদের আজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই মূলত দেশ আবার গণতন্ত্রের ট্রেনে যাত্রা শুরু করলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঙিন ডালিম ফলের একটি ব্যতিক্রমি অঙ্গ বিশ্লেষন ( Anatomy of Pomegranate )

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১১


সবুজ পাতার আড়াল ভেঙে
ডালিম ঝুলে লাজুক রঙে
বাইরে রক্তিম খোলস কঠিন
ভিতরে দারুন জীবন রঙিন।
শত দানার গোপন ভুবন
একসাথে বাঁধা মধুর টান
হৃদয়ের হাজার স্বপ্ন যেন
লুকিয়ে থাকা রক্তিম গান।

উপরে প্রচ্ছদ চিত্রে রেনেসাঁ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×