হেফাজতে ইসলামের কোন দাবি মুক্তিযোদ্ধের সাথে কোন ভাবেই সাংঘর্ষীক নয়।১৯৬৬ সালের ৬ দফাই হচ্চে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধের সনদ।৬ দফার কোথাও ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বা ধর্ম নিয়ে কোন কথা বলা হয় নাই।৬ দফার সারকথা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অসমাঞ্জস্যতা দুরীকরন এবং আঞ্চলিক নিরপত্তা রাক্ষায় জন্য আধা-সামরিক বাহিনী বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব পূর্ব বাংঙলার মানুষের হাতে থাকবে।কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তান এ দাবি অগ্রয্য করল এবং তার শোষন নীতি বৃদ্ধি করল যার ফলস্রুতিতে স্বাধীনতার লাল সূর্যের রঙিন স্বপ্ন পূর্ব বাংলার মানুষের কাছে আর রঙিন হতে থাকল।এখানে ধর্ম বা সাংষ্কৃতিক কোন বিরোধ চিল না, যা ছিল তা হচ্ছে ভিন্নতা।কিন্তু হেফাজতে ইসলামের কোন দাবি মুক্তিযোদ্ধের সনদের পরিপন্তি নয়।হেফাজতের দাবি ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাতের বিপক্ষে ।ধর্মীয় শিক্ষার পক্ষে।
হেফাজতে ইসলাম যুদ্ধাপরাধের বিচার সমন্ধে কোন আওয়াজ তোলে নাই।
বিনপি ,জাতীয় পার্টি সহ অনেক অরাজনৈতিক দল বিচারে মান এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেচে কিন্তু হেফাজতে ইসলাম এ বিষয় নিয়ে কিছুই বলে নি।
জামাতে ইসলাম রক্ষায় কোন কথা বলে নাই।এখন যদি ওদের লেবাস দেখে সরকার জামাত মনে করে তবে ওদের কিচুই করার নাই
অনেকে আজ প্রশ্ন তুলছে ওরা কেন যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবি কেন করে নাই
আরে ভাই ওরা আসছে রসুল এবং তার দীনের প্রেমের পরীক্ষা দিতে অন্য কোন পরীক্ষা দিতে নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


