সিনেমাটা দেখানো হচ্ছে বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে। প্রথম প্রেস শোতে দেখার সুযোগ পেয়ে অনেকটা ছুটেই গেলাম। অনেকদিন পর ওয়াইড স্ক্রিনে ম্যানসাইজ ইমেজ। বিগ অ্যান্ড বিউটিফুল। সাউন্ড সিস্টেমও ভাল।
শুরু হলো দেজা ভু। সায়েনস ফিকশন ক্রাইম থ্রিলার। প্রথম পর্বেই আস্ত একটা নেভাল শিপে বিস্ফোরণ ঘটলো। নিহত হলো পাঁচশতাধিক মানুষ। ইনভেস্টিগেশন শুরু হলো, চারদিকে কান্নার রোলের মধ্যে। ড্যানজেল ওয়াশিংটন এক নারীর মৃতদেহ পরীক্ষার সূত্রে দুর্ঘটনার অন্য এক প্রান্তের সন্ধান পেলেন। এই মেয়েটি শিপের বিস্ফোরণে মারা যায়নি। আলামত বলছে আগেই তাকে মেরে শিপের মৃতদেহগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেয়া হয়েছে। একজন এফবিআই এজেন্ট ড্যানজেলকে নিয়ে যায় এই এক অদ্ভূত সরকারি যন্ত্রের কাছে। যে যন্ত্রটি গত চারদিনে ঘটে যাওয়া যে কোনো ঘটনা একবারের জন্য দেখতে পারে। সেখানে গিয়ে পলা প্যাটনের ঘরের ছবি দেখতে শুরু করে তারা। দেখতে দেখতে ড্যানজেলের মনে এক অদ্ভুত প্রশ্নের জন্ম হয়। এই মেয়েটি কি জীবিত? অর্থাৎ ঘটনাটা কিএখন ঘটছে কিনা। এখানেই ফিলোসফি আর সায়েনস ফিকশনের প্রসঙ্গ। মেয়েটিকে অনুসরণ করে তারা খুঁজে পায় খুনী ও সন্ত্রাসীকে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের খুঁজে পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ড্যানজেলের মনে হয় অতীতের ঘটনায় ইন্টারভেইন করা সম্ভব।
মিশন অ্যাকমপলিশড হওয়ার পরও তাই আবার সেই পর্যবেক্ষণ রুমে ফিরে যান তিনি। যন্ত্রের সাহায্যে ফিরে যান মেয়েটি নিহত হওয়ার কয়েক ঘন্টা আগের ঘটনাস্থলে। মেয়েটিকে বাঁচিয়ে নেভাল শিপটিকেও বাঁচানোর আয়োজন করেন। সেখানে তার মৃতু্য হয়। রিয়েল লাইফে ঘটনার দিন আবারও ফিরে আসেন বর্তমানের ড্যানজেল ওয়াশিংটন। সঙ্গে সঙ্গে পলা প্যাটনের মনে হয় আগেও এ ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা হয়েছে। সিনেমাটিতে বেশ কয়েকবার দর্শকের মনে দেজা ভু তৈরি হবে। তারা নুতন দেখা দৃশ্য আগেও দেখেছে বলে মনে করবে। দারুণ টেকনিক ও ডিটেইলিং করে এই ঘটনাগুলো ঘটানো হয়েছে।
মুভিটি পরিচালনা করেছেন টনি স্কট। মুভিতে ড্যানজেল ওয়াশিংটনের নাম ডঘ কার্লিন আর পলা প্যাটনের নাম ক্লেয়ার কুশেভার।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



