মেলাদিন আগে আলিশার একটা গান খুব বিখ্যাত হয়েছিল। মেড ইন ইনডিয়া। মেড ইন বাংলাদেশ নামটা শুনে প্রথমবার আলিশার কথাই মনে পড়েছিল। যাই হোক সিনেমাটা কোনো জাতীয়তাবাদী প্রকল্পে পর্যবসিত হয় নাই। বহুত সুখের কথা।
গত কোরবানীর ঈদের দিন চ্যানেল আইতে মেড ইন বাংলাদেশ দেখাইতেছিল। বিভিন্ন বাসায় দাওয়াত খাইতে খাইতে দেখতেছিলাম সিনেমাটা। কিন্তু বিজ্ঞাপনের বাহারে মেড ইন বাংলাদেশকে মোটামুটি পাতাবাহারের মতো লাগতেছিল। তবে যা বোঝার বুঝে নিয়েছি। সিনেমাটার প্রথম প্রিমিয়ার শোর আগে মেলা শোরগোল হয়েছিল। আউলা বিজ্ঞাপন, সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের দেরী এইসব নিয়ে। ব্যাচেলর জ্বরের পর এই সিনেমা লোকে হলে, টিভিতে, ডিভিডিতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে দেখবে সেটাই স্বাভাবিক। সেরকমই হয়েছে। কিন্তু ব্যাচেলরের মতো এইটার কোনো লঙ টার্ম ইমপ্যাক্ট খেয়াল করলাম না। কেন সেটা হলো? আর সিনেমাটার পুরোটাতে কি আছে এইটা জানতে ডিভিডিতে দেখলাম সিনেমাটা।
ব্লগে কেউ একজন লিখেছিলেন মেড ইন বাংলাদেশ নিয়ে। এখন খুঁজে পাচ্ছি না। ফলে তিনি এই সিনেমায় হলিউডের কোন সিনেমার প্রভাব আছে বলেছিলেন তার রেফারেন্সও দিতে পারছি না। পরে শুনলাম একটা হিন্দি সিনেমার প্রভাবও নাকি আছে। আমি দেখি নাই সিনেমা দুইটা। অতএব প্রভাব বিষয়ে আপাতত চুপ থাকছি।
গল্পের দুইভাগ।
একভাগে বেকার খোরশেদের বৌদি প্রেম। জানালা কাহিনী।
দ্বিতীয় অংশে জিম্মি ঘটনা।
দুইটা ভিন্ন নাটক। বারবার মনে হচ্ছিল তেলে জলে মিশ খাচ্ছে না। ডিভিডিতে ইন্টারন্যাশনাল ভার্সন দেখলাম। প্রথম অংশ পুরো ছেঁটে দেয়া হয়েছে। তবে কি বাঙ্গালকে বৌদির হাইকোর্ট দেখানোর জন্যই এই অনর্থক প্রথম অংশ?
দ্বিতীয় অংশটা জমজমাট। হেভি শিক্ষণীয়। বন্দুকের ক্ষমতা নিয়ে মাও তেকে ফুকো সবই কপচানোর উদ্যোগ আছে। শুধু ভাশুরের নাম নেয়া হয়নি। কত কাজের কথা বলা হয়েছে। ফারুকীকে আমার মনে হয়েছিল আরও আউলা। উনি যে এত শিক্ষণীয় ছবি করতে পারেন সেটা বুঝতে পারিনি। আর চিন্তা ভাবনাগুলাও মোটামুটি সিভিল সোসাইটি মার্কা। আনিসুল হক প্রবাহিত হইতে পারে।
বাকী থাকলো খোরশেদ আলমের দাবি দাওয়া। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর সমর্থনে এই তততাবধায়ক সরকার এসে খোরশেদ আলমের দাবি পূরণ করেছে। অনেকগুলাই।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী হলেন সিভিল সোসাইটির উইয়ার্ড ভার্সন। তার পক্ষে রাগী পরিচালকের ভঙ্গি সম্ভব বটে। লেকনি পুরা নেহি। আধুরা। থোড়া পাগলামি ছে বিজনেস জরুর হোতা হ্যায় লেকিন পাগলামি নেহি।
সরয়ার ফারুকীর সিভিলাইজেশন হয়ে গেছে। মানে সুশীলায়ন।
আলোচিত ব্লগ
শৈশব থেকে খেলতে খেলতে শিশুকে ইংরেজি শিক্ষা দিন। ২ বছর বয়স থেকে কীভাবে আপনার শিশুকে খেলাধুলা, আনন্দ এবং দৈনন্দিন জীবনের মাধ্যমে ইংরেজি শেখাবেন?
অনেক অভিভাবকের ধারণা, ইংরেজিতে সাবলীল হতে হলে ছোটবেলা থেকেই কোচিং, টিউটর বা ব্যয়বহুল স্কুল প্রয়োজন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভিন্ন কথা বলে। আমি আমার সন্তানকে খেলার ছলে, স্বাভাবিক পরিবেশে এবং পরিবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন
=আল্লাহ মহান=

একবার চিন্তায় ডুবাও মন?
ভেবে দেখো আরো একবার
আল্লাহ কত মহান, কত যে তাঁর দয়া;
ভুমিকম্প হলো প্রকট
তবুও বেঁচে আছি এ যাত্রায়
শোকর গুজার করেছো কী তাঁর?
ভাবনায় একবার আনো,
আল্লাহর দেয়া গজব-কত ভয়ঙ্কর
তবুও কী ভয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাঠে নামছে জামায়াত-এনসিপি।

বাংলাদেশে এই প্রথম একটা অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি আমরা। সরকার টেকানোর জন্য মাঠে নামছে বিরোধী দল! জ্বী, আপনি ঠিকই পড়েছেন। আগামীকাল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ওহ সরি,... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।