তেল প্রসঙ্গে
আমার পোস্টের পর যারা মন্তব্য করেছেন তাদের অনেকেই তেল দেওয়ার কথা উঠিয়েছেন। মজার মজার সব মন্তব্য এসেছে। বিশেষ করে কলু মোর্শেদ উপাধিটা আমার বিশেষভাবে ভালো লেগেছে। বাঙালি তেল প্রবণ বলেও মত এসেছে। যারা আমাকে চেনেন তারা আমার ভাল চেয়েই হয়তো আমাকে তেল দেয়া থেকে বিরত রাখতে চেয়েছেন। এই শুভবুদ্ধির প্রশংসা না করে পারি না। আবার যারা আমাকে চেনেন না পাশাপাশি পছন্দও করতে পারছেন না অথবা যারা রাইসুর জাতশত্রু তারা আমাকে ভালভাবেই আক্রমণ করার প্রয়াস পেয়েছেন। রাইসু এদের বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছেন বলেই এমন ঘটেছে- এটা আমার অনুমান। এতে দোষ নাই। কারণ যে কেউ তার প্রতিপক্ষকে স্বনামে বেনামে গালাগালি করতে পারে। একহাত দেখেও নিতে পারে। এতে বাধা দেওয়ার কিছু নাই। ব্লগের মাধ্যমে এইভাবে অবদমিত কামনা থেকে নিস্তার পাওয়া গেলে আমাদের সমাজে শান্তি আসতে পারে। যারা এই জায়গা থেকে আমাকে গালি দিয়েছেন তাদের জন্য আমার সিমপ্যাথি। আপনারা চাইলে আমিও রাইসুকে আপনাদের পক্ষ থেকে গালি দিতে পারি। আপাতত আমার পক্ষ থেকে গালি দেবার কারণ ঘটে নাই।
কারও সম্পর্কে অতিকথন করলে, সে যা না তা বললে তাকে তেল বলা যায়। একে পাম দেওয়াও বলে। আমি রাইসুকে কোনো আহামরি স্বীকৃতি দেইনি। সাহিত্যের সাম্প্রতিক চর্চার আলোকে যা মনে হয়েছে তাই বলেছি। কিন্তু অনেকে এটাকে একটা মহা ব্যাপার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা বলে ভুল বুঝেছেন। আমি যা বলেছি তার মধ্যে আহামরি যদি কিছু থাকে তবে তা হলো সাম্প্রতিক কবিতায় একটি ধারা চালু হওয়া বিষয়ে। এটা যে মিথ্যা না।
এখন এই শহরচলতি ভাষার ক্রেডিট নিয়া টানাটানি লেগেছে বটে, কিন্তু একসময় এটা নিয়ে শুধু রাইসুকেই দোষারোপ করা হতো। সেই সময়ের কুতুবরা সে কথা ভুলছেন কেন?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



