ছোট বেলা থেকেই মস্তিষ্ক ধারণ করে আসছে "গরু একটি নিরীহ প্রাণী" বাক্যটি। গরুর উপকারিতার তো শেষ নাই। কিন্তু এই নিরীহ উপকারী গরুই এখন মানুষে মানুষে হানাহানি খুনোখুনি সৃষ্টি করছে। এই গরুই এক জাতির ধর্ম সুদৃঢ় করছে আরেকজাতির ধর্মকে করছে অসম্মান।
এই গরুর প্রতি যারা শ্রদ্ধায় নতজানু তারাই আবার গরুর চামড়ার জুতো পড়ে গোমাতাকে ভক্তি দিতে যান। কি অমায়িক গোমাতৃ ভক্তি।। সেখানে অবশ্য আমার আপত্তি নাই। প্রত্যেকের ধর্মই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য এবং যুক্তি তর্ক নিয়ে চলে।
যে জন্য লিখা গরু নিয়ে; ভারতের মুসলমান গরু খাওয়ার জন্য এতো মরিয়া কেন? গরু না খেলেও তো মানুষ বেঁচে থাকে। ছাগল, ভেড়া, উট, পাখি, মোরগ এতো কিছু থাকতে গরু নিয়ে হানাহানি না করলেই কি নয় ভারতীয় মুসলমানদের?
যদি ভারতীয় মুসলমান মাত্র ছয়মাস/একবছর গরু না খেয়ে থাকতে পারে তাহলে ভারত সরকার সারাজীবন মুসলমানদের গরুর মাংস খাওয়া কিংবা ক্রয় করা বাধ্যতামূলক করে দিতে বাধ্য হবে বলে আমার বিশ্বাস। কেনো? ভারতের হাজার হাজার কর্মসংস্থান এই গরুকে ঘিরেই আবর্তিত। তাই ভারতীয় মুসলমানদের সুযোগ পেলে আমি চিৎকার করে বলতাম, হে গরুপ্রিয় ভাইবোনেরা আপনারা ছয়মাস থেকে একবছর আল্লাহর ওয়াস্তে নিজেদের জিহ্বাকে সংযত রাখুন, গোমাংস খাওয়া, গোদুগদ্ধ পান বন্ধ করুন। গরু দিয়ে যাদের জীবিকা আসে তারা তখন অর্থকষ্টে ভোগে সকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে, মুসলমানদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরুর মাংস আর দুধ সরবরাহ করবে দেখবেন। অযথাই কেনো এই রক্তারক্তি, ধর্মীয় সংঘাত আর সাম্প্রদায়িক দাঙা তৈরি করছেন সবাই মিলে?
বি:দ্র: ভারতের অবশ্যই গরুর চামড়া দিয়ে তৈরি সকল পণ্য নিষিদ্ধ করা উচিৎ কারণ গোহত্যা ব্যতিত গো-চামড়ার তৈরী জুতা কিংবা অন্যান্য দ্রব্যাদি তৈরী সম্ভব নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



