somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্ষ্যাত সেলিব্রেটির ক্ষ্যাত ভক্তকুল

১৫ ই জুন, ২০১৩ রাত ১০:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুক্রবার। ১টা বেজে গেছে। তাড়াহুড়ো করে পাজামা-পান্জাবি পড়ে বের হলাম। বাইরে গিয়েই দেখি টুপি টাপি পড়া অনেক লোকজন রাস্তায় দাড়নো। ভাবলাম আশে পাশে হয়তো কেউ মারা গেছে তাই জানাজার জন্য অপেক্ষা করছে। ভেবে হাটা শুরু করলাম। সামনে গিয়ে দেখি একটা গাড়ি স্লো মোশনে আসছে আর দু-পাশের লোকজন গালভরা হাসি নিয়ে জানালা দিয়ে সালাম ঠুকছে।

বুঝলাম কোন নেতা ফেতা এসেছে। অবাক হলাম মানুষগুলোকে দেখে নামাজের সময় এসব কি করছে। নেতাও বুঝি আর আসার টাইম পেলনা। বাসায় আসার পর আব্বুকে জিজ্ঞাস করলাম কে এসেছিল। বলল এলাকার এক কর্মীর বাসায় তার নেতা এসেছে। আব্বুকেও নাকি যেতে বলেছিল। আপনাদের নেতা আপনারা থাকেন, নামাজের দেরী হয়ে যাবে বলে আব্বু চলে গিয়েছিল।

এই হল আমাদের দেশের ভক্ত-সমর্থক গোষ্ঠী। এত ক্ষ্যাত কেন বুঝিনা? নাই কাজ তো খই ভাজ টাইপ। নামাজের ১৫ মিনিট বাকি, তারা অপেক্ষা করছে নেতা আসলে ওয়েলকাম করবে।

এই ক্ষ্যাতগুলার জন্যই আরেফিন রুমির মত একটা কাউয়া সেলিব্রেটি হয়। তাঁর তৃতীয় বিয়ের খবর মিডিয়াতে আসায় পর যে একখান ভিডিও আপলোড করলো আরেফিন রুমি। মাশাল্লাহ্, সেটা দেখে আমি মাননীয় স্পীকার হয়ে গেলাম। whatever it is…whatever it is…whatever it is…

এই ক্ষ্যাতগুলার জন্যই মেহজাবিনের মত atttogula pocha চান্স পায়। লাল দুটা গাল ছাড়া আর কি আছে মেয়েটার? অথচ তার ফলোয়ার নব্বই হাজার ছুই ছুই।

পাব্লিক এত টাইম পায় কই বুঝিনা। যেটাই দেখে হা করে তাকিয়ে থাকে। সেটা রাস্তার মাঝখানে গর্ত খোড়া হোক, ভুয়া ক্যানভেসার হোক, হাত-পা হীন অস্বাভাবিক অঙ্গের ভিক্ষুক হোক, pocha সেলিব্রেটি হোক, আতি-পাতি নেতা হোক...সবাই শুধু হা করে তাকিয়ে থাকে।

এক অদ্ভুত জাতি!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৩ রাত ১১:০৭
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পতাকার যুদ্ধ অথবা গামছা ও কালিমা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০

একটি দেশের পতাকা শুধু কাপড় নয়। এটা একটি চুক্তি—আমরা কে, এই প্রশ্নের সম্মিলিত উত্তর। বাংলাদেশের পতাকার রং লাল-সবুজ। লাল মানে রক্ত, সবুজ মানে মাটি। এই দুটি রঙের পেছনে একটি নির্দিষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

কি করে কি করি, কি যে করি !

লিখেছেন মেহবুবা, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৫




আজ বেশ ক'দিন হোল আমার ব্লগবাড়িতে জ্বীন ভূতের কারসাজি চলছে! আধা পৃষ্ঠা জুড়ে কয়েকটি পোষ্ট আসছে, সব আসছে না।নিজ ব্লগবাড়িতে কত কি আয়োজন থাকে ; যেমন মন্তব্য,... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের আন্দোলনরত HSC শিক্ষার্থীদের ধিক জানাই

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:২০



দেশের কমপক্ষে ৬ টি জেলায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিল ও স্থগিতের জন্যে আন্দোলনে নেমেছে। এরা হল লীগ সরকরারের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেড়ে ওঠা তরুন তরুনী, যারা পড়ালেখা না... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোলাপানগুলো এত আন্দোলন বুঝে!

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৫




পড়াশোনার টেবিল আজকাল অন্যকাজে ব্যবহার হয়, হয়তো ঐখানে বিপ্লবের লাল রং আছে শুধু। লেনিনের রক্ত, গুয়েভারার চুরুট নিয়েও আগ্রহ নেই তাদের, আছে শুধু মহাসড়ক অবরোধ, মিলনকে থাপরাড়োর অদম্য প্রয়াস,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×