যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই (অর্থাৎ বোঝ না) তা গ্রহন ও অনুসরণ কোরো না। নিশ্চয় তোমাদের শোনার (কান), দেখার (চোখ) ও উপলব্ধির (মনের) প্রত্যেকপিকে প্রশ্ন করা হবে বা প্রত্যেকের কৈফিয়ত তলব করা হবে (কেয়ামতের দিন)। [সুরাঃ বনি-ইসরাইল- ৩৬]
রাসূল (সাঃ) বোলেছেন- আমার ঈমানের ভিত্তি ও শেকড় হলো যুক্তি।
উদাহরণঃ-
১। ওহোদের যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় রাসুলাল্লাহ তাঁর তলোয়ার উঁচু কোরে ধরে বোললেন- "যে এর হক আদায় কোরতে পারবে সে এটা নাও।" ওমর (রাঃ) লাফিয়ে সামনে এসে হাত বাড়িয়ে বোললেন- 'ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাঃ) আমাকে দিন, আমি এর হক আদায় কোরবো।' মহানবী (সাঃ) তাকে না দিয়ে অন্য দিকে ঘুরে আবার বোললেন- "যে এর হক আদায় কোরতে পারবে সে নাও।" যুবায়ের বিন আল আওয়াম (রাঃ) লাফিয়ে এসে হাত বাড়ালেন- 'আমি এর হক আদায় করবো।' রাসুলাল্লাহ তাকেও তলোয়ার না দিয়ে অন্যদিকে ঘুরে আবার ঐ কথা বোললেন, এবার আনসারদের মধ্য থেকে আবু দুজানা (রাঃ) বিশ্ব নবীর (সাঃ) এর সামনে এসে প্রশ্ন কোরলেন- "হে আল্লাহর রসুল! এই তলোয়ারের হক আদায়ের অর্থ কি?" রাসুলাল্লাহ জবাব দিলেন- "এই তলোয়ারের হক হোচ্ছে এই যে এটা দিয়ে শত্রুর সঙ্গে এমন প্রচন্ডভাবে যুদ্ধ করা যে এটা দুমড়ে, ভেঙ্গে চুরে যায়।" আবু দুজানা (রাঃ) বোললেন- 'আমায় দিন, আমি এর হক আদায় করবো।' বিশ্বনবী (সাঃ) আবু দুজনার (রাঃ) হাতে তাঁর তলোয়ার উঠিয়ে দিলেন।
কাজেই যারা যুক্তি ও বিচার-বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা না কোরে ইসলামের একটা কিছু বিশ্বাস করে ফেলে তা যে কতটা ভুল, এবং এরযে কোন স্থান ইসলামে নেয় তা আর বুঝতে অসুবিধা হবে না আশা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



