২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পিএসসি ৩৪ তম বিসিএস এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। একই বছর মে মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই মাসে দুই দফা ফল প্রকাশের পর পরের বছর মার্চ মাসে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ডিসেম্বর মাসে আবারো দুই দফায় লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। জানুয়ারিতে ভাইভা শুরু হয়ে জুন মাসে শেষ হয়। অবশেষে গত ২৯ আগষ্ট রাত ১০ টায় সরকারী ছুটির দিনে প্রহসনের ফল প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে ০১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩৫ তম বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। ৩৪ তম বিসিএস এর অধিকাংশ ফলপ্রার্থী ৩৫তম লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ফলে এতদিন কেউ ৩৪ এর ফলাফল নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলেনি। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে ৩৪ তম বিসিএস এর নন-ক্যাডার এ সুপারিশপ্রাপ্তরা। অপরদিকে নাজমা আক্তার নামে একজন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। মহামান্য হাইকোর্ট আগামী ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে রুল এর জবাব দিতে বলেছন।
মূলত ৩৪ তম বিসিএস নিয়ে পিএসসি যা করেছে, প্রাধিকার কোটা ও মেধা কোটা আলাদা না করে ফল প্রকাশ করেছে। যা অতীতের সকল আইন ভংগ করে করা হয়েছে। অতীতে কখনো এভাবে ফল প্রকাশ করা হয়নি। আরো যেটা লক্ষণীয়, বিশেষ কিছু রোল নম্বরধারীদের ফলাফলে একচেটিয়া আধিপত্য যা যথেষ্ট সন্দেহজনক।
পিএসসি আমাদের জীবন থেকে তিন বছর কেড়ে নিয়ে একটি প্রহসনের ফলাফল প্রকাশ করে তাদের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করেছে। আমরা আর আস্থা রাখতে পারছিনা এ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের উপর। আমরা ফলাফল পুনরায় প্রকাশের আবেদন জানাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



