আজ সকাল দশটায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে ৩৪ তম বিসিএস এ উত্তীর্ণ কিন্তু ক্যাডার বঞ্চিতরা। এই মানববন্ধনে প্রায় শতাধিক বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থী অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী বঞ্চিতরা বলেন, পিএসসি রাতের আধাঁরে প্রহসনের ফলাফল প্রকাশ করে। কিছু প্রার্থীকে অবৈধ সুবিধা প্রদানের জন্য সরকারি ছুটির দিন গভীর রাতে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বঞ্চিত প্রার্থীরা আরো বলেন, এই ফলাফল ত্রুটিপূর্ণ, ঐতিহ্য অনুসারে মেধা ও প্রাধিকার কোটা আলাদা করে ফল প্রকাশ করা হত। কিন্তু এবার মেধা ও প্রাধিকার কোটা আলাদা না করে ফল প্রকাশ করা হয়। ফলে এই রেজাল্টে বুঝার উপায় নেই কত জন মেধা কোটায় আর কতজন প্রাধিকার কোটায় চাকুরি পেয়েছে। অপরদিকে হাজার হাজার বেকার বিসিএস এ উত্তীর্ণ হওয়ার ফলেও পিএসসি অনেকগুলো পদ খালি রেখে ফলাফল প্রকাশ করে। বঞ্চিতরা অভিযোগ করেন এটা মেধাবীদের সাথে প্রহসন ছাড়া আর কিছু নয়।
৩৩ তম বিসিএস এ দেখা যায় মোট উত্তীর্ণ প্রার্থীর প্রায় ৫৬% নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু ৩৪ তম বিসিএস এ মাত্র ২৫% প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। দীর্ঘ তিন বছর পরিশ্রম করে বিসিএস উত্তীর্ণ হয়েও বঞ্চিত প্রার্থীদের সামনে এক অনিশ্চত এক ভবিষৎ। এর মধ্যে অনেকের সরকারি চাকুরির বয়স শেষ। তাই হতাশা বিরাজ করছে বঞ্চিত প্রার্থীদের মধ্যে। প্রার্থীদের দাবি, ফলাফল পুনঃপ্রকাশ করে মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ণ করা হোক।
একই সাথে প্রার্থীরা কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানান। তারা দাবি করেন এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। কোটা ব্যবস্থা একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। যুগ যুগ ধরে এটা চলতে পারে না। উল্লেখ্য বর্তমানে বিসিএস এ ৫৬% পদ কোটাধারীদের জন্য সংরক্ষিত। অপরদিকে মেধা কোটা থেকে নিয়োগ দেয়া হয় মাত্র ৪৪%। যা দেশের সাধারণ ছাত্রদের তুলনায় খুবই নগণ্য। বঞ্চিতরা কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কার দাবি করেন। তাদের মতে, কোটা কোনভাবেই ১০% এর বেশি হওয়া উচিত নয়।
৩৪ তম বিসিএস এর ফলাফল পুনঃমূল্যায়ণ এবং বিসিএস উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীদের সরকারি চাকুরির নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, আজ একই সময়ে একই দাবিতে রাজশাহীতেও মানববন্ধন করা হয়।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



