somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মায়ের আর্তনাদ

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধূলো মাটির সরু পথ ধরে হাটতে হাটতে ছোট্ট রমিজ তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে,"বাবা আম্মু আসেনা কেন?"

রমিজের বাবা জনাব গোলাম মাওলা ছেলের দিকে কিছুক্ষণ এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে আর ছেলের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে ছেলের প্রশ্নের উত্তর দেয়,"আসবে বাবা তোমার আম্মু আসবে খুব শীগ্রই।"

ছোট্ট রমিজ বুঝতে পারে তার মায়ের কথা বললে বাবা কেমন যেন হয়ে যান। সে বুঝতে পারে তার বাবা কস্টে আছে। রমিজের বয়স ৭ হলে কি হবে অনেক কিছুই বুঝে সে।

রমিজ হাটতে হাটতে সামনে থাকা একটা ইটের টুকরোকে লাথি মারে আর এতেই সে মজা পেয়ে যায় আর হাসতে থাকে খেলাটি পছন্দ হয়েছে তার। হঠাৎ করেই কিছু না ভেবেই সে আবার প্রশ্ন ছুড়লো,"আচ্ছা বাবা আম্মুকে কেন কেম্পে ধরে নিয়ে গেছিল? তারা তো জানে না আমি আম্মুকে ছাড়া একদমই ঘুমাতে পারি না।"

জনাব গোলাম মাওলার চোখে হঠাৎ করেই পানি চলে এলো।চশমার ফাক দিয়ে সে জল দেখা যাচ্ছিল। দুই হাতে ছেলেকে জড়িয়ে কাঁদতে লাগলেন উনি। কিছুই বললেন না কিছুক্ষণ ছেলেকে ধরে কাদলেন আবার নিজেকে নিজে শক্ত করে নিলেন।

রমিজ তার বাবাকে হাত দিয়ে একটু সরিয়ে মুখ গোমড়া করলো আর তার বাবার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো,"আমি আর কখনো মায়ের কথা বলবনা তবুও তুমি কেদোনা বাবা। তুমি কাঁদলে আমার খুব কস্ট হয় বাবা খুব।"

গোলাম মাওলা চোখের পানি মুছতে মুছতে কান্না ভেজা চোখ নিয়ে ব্যর্থ হাঁসার চেষ্টা করলেন কিন্ত অই হাঁসিতে কোন রসকস নেই আছে শুধু কস্ট। রমিজ আর রমিজের বাবা আবার হাঁটতে থাকে সবকিছুই থেমে আছে শুধু তাদের হাঁটার কোন থামা নেই।

পাসের আবাদি জমি থেকে একজন মানুষ বলে উঠলো,"কি গোলাম মাওলা সাব হুনলাম ভাবীরে নাকি এখনো খুঁইজা পান নাই? দেশ তো স্বাধীন হইয়া এতদিন হইয়া গেল?"

জনাব গোলাম মাওলা কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে তারপর চোখের চশমাটা নাড়াতে নাড়াতে জবাব দেয়,"না কাঞ্চন ভাই পাই নাই।"

কাঞ্চন নামধারী লোকটির কন্ঠ হঠাৎ নরম হয়ে আসে আর উনি সান্ত্বনা দিতে থাকেন,"মাওলা ভাই চিন্তা কইরেন না পাইয়া যাইবেন ইনশাল্লাহ। রুহিতপুর কেম্পে খবর নিসিলেন? হুনলাম অইহানে নাকি প্রচুর মেয়ে লোক পাওয়া গেছে?"

জনাব গোলাম মাওলার মুখে কাঁপন চলে আসে। শরীরটা কেমন যেন দুর্বল হয়ে উঠে। তাও উত্তর দেন,"ঠিক আছে কাঞ্চন ভাই।"

কাঞ্চন নামের লোকটি আবার তার কাজে মনোযোগ দেয় আর কাজ করতে করতে বলে উঠে,"ভাবীরে পাইলে একটু খবর দিয়েন ভাই?"

জনাব গোলাম মাওলা কিছুই উত্তর দেন না। রমিজ আবার খেয়াল করে তার বাবার চোখে পানি। রমিজের ও মন খারাপ হয়ে যায় নিমিষেই। রমিজ তার বাবার দিকে তাঁকিয়ে বলে উঠে,"বাবা তুমি চিন্তা করো না দেখো আম্মু ফিরে আসবে ঠিকই।"

যেই জায়গায় ছেলেকে স্বান্তনা দেওয়া দরকার সেই জায়গায় ছেলে তাকে স্বান্তনা দিচ্ছে ভাবতেই অবাক হচ্ছেন গোলাম মাওলা। এই ছোট্ট নিষ্পাপ ছেলেটির দিকে তাকিয়ে মুহুর্তেই হু হু করে কেঁদে উঠেন উনি আর আল্লার কাছে ফরিয়াদ জানায়,"হে আল্লাহ। তুমি ওদের বিচার করো।"

ছেলেকে আবার বুকে জড়িয়ে নেন,"মানিক আমার। সোনা আমার।"

বাপ ছেলে দুজন হাটছে সামনে একটা বাড়ি অর্ধেক পোড়া পিছনে একটা বটগাছ প্রতিদিন দেখা যায়। রমিজ বাড়িটির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে জানতে চায়,"বাবা মিলিটারি বাড়িটি কেন পুড়িয়েছিল?"

গোলাম মাওলা কিছুটা শক্ত হয়ে উত্তর দেন,"এইটা হিন্দু বাড়ি তাই।"

রমিজ অবাক হয়ে মুখে হাত দেয়,"বাবা হিন্দু হলে কি হয়?"

গোলাম মাওলা ছেলের দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে তার সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন,"মিলিটারী রা তো মুসলমান তাই হিন্দু দেখতে পারে না।"

রমিজ একটু হাসার চেষ্টা করে কি যেন মিলিয়েছে এমন ভাব। হঠাৎ আবার কপাল কুঁচকিয়ে জানতে চাইলো,"তাহলে আমাদের ক্লাসের রফিকরা তো মুসলমান তাদের ঘর কেন পুড়িয়েছে?"

গোলাম মাওলা ছেলের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে আবার হাটতে লাগলেন। এমন সময়ে আসরের আযান শুনা গেল দূর মসজিদ থেকে। উনি ছেলের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন,"বাবা রমিজ তাড়াতাড়ি চল নামাজ পড়তে হবে।"

রমিজ বাবার সাথে জোরে হাঁটতে শুরু করলো। তার মনজুড়ে হাজারো প্রশ্ন খেলা করছে কিন্ত বাবাকে বলতে পারছে না সে সাহস পাচ্ছে না।

নামাজ পড়ে অনেক মানুষের সাথে গোলাম মাওলা ও বের হলেন। কিন্ত মসজিদ থেকে বের হয়ে রমিজকে কোথাও দেখতে পাচ্ছেন না কিন্ত উনি তো, এখানেই রেখে গেছিলেন! হন্যে হয়ে খুজতে আরম্ভ করলেন উনি। একে জিজ্ঞেস করে ওকে জিজ্ঞেস করে কেউ বলতে পারে না সবার একই উত্তর দেয়,"আছে হয়তো কাছে কিনারে কোথাও। খুজে দেখেন পাবেন।"

কিন্ত বাপের তো মন মানে না। চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়তে লাগলো এখন কোথায় খুজবে তার হিরের টুকরোকে?ও যে গোলাম মাওলার কলিজা। যাকে দেখছেন তাকেই জিজ্ঞেস করছেন,"ভাই আমার ছেলেকে দেখেছেন? ছোট্ট ৭ বছরের হবে গায়ে সাদা শার্ট।"

আশেপাশে অনেকেই যখন খুজে হয়রান তখনই রমিজ একটি গাছের পিছনে থেকে বেরিয়ে এসে তার বাবাকে ভয় দেখাতে বলে উঠলো,"ভেউ।"

তার বাবার চোখে কোন ভয় নেই আছে কয়েক বিন্দু অশ্রু। ছেলেকে পেয়ে বাপ যেন নিজের সব ফিরে পেয়েছেন। ছেলেকে বুকে জড়িয়ে কাঁদতে থাকেন,"কেন এমন করলি? জবাব দে? তুই ছাড়া আমার কেউ নেই রে বাপ। বাপরে তুই তো আমার কলিজা তুই যদি এমন করিস আমি কার জন্য থাকবোরে বাপ কার জন্য?"

ছোট্ট রমিজ বুঝতে পারে এটা তার কাছে খেলা হলেও বাবা অনেক কস্ট পেয়েছেন। বাবাকে রমিজ প্রচুর ভালোবাসে তাই বাবার কস্ট সইতে পারেনা সে। বাবার কাছে কথা দেয় আর কখনো এমন করবেনা।

পাস থেকে অনেকেরই নানা কথা আসছিল কিন্ত তাদের কানে তা শুনা যাচ্ছে না, তারা শুনছে শুধু কান্নার আওয়াজ বাপ ছেলের কান্নার আওয়াজ।

হঠাৎ করেই কে যেন বলে উঠলো রুহিতপুর কেম্পে(এটা আগে মিলেটারী কেম্প ছিল। পরবর্তীতে যুদ্ধ জয়ের ফলে তা মুক্তিবাহিনীর হাতে উপরন্তু তখন সারা দেশ স্বাধীন) পাঁচজন নারী দরজা বন্ধ করে আত্নহত্যা করেছে । বুকের ভিতরটা ধুক করে জ্বলে উঠে গোলাম মাওলার। বাবার চোখেমুখে এমন আতঙ্ক দেখে রমিজের ও চোখেমুখে আতঙ্ক ধরেছে। অই কেম্পে কারা যেন ফাঁস দিসে। কিন্ত তাদের ফাঁস দেওয়ার সাথে তার বাবার এমন আতঙ্কিত হওয়ায় কারণ কি?

গোলাম মাওলা রমিজের হাতটি শক্ত করে ধরে দ্রুত পায়ে হাঁটা দিল। রমিজ তার বাবাকে আগে কখনো এতটা কাঁপতে দেখেনি। তাই কৌতুহল না রাখতে পেরে জিজ্ঞেস করেই ফেললো,"বাবা আমরা কোথায় যাচ্ছি?"

জনাব গোলাম মাওলা ছেলের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে হনহন করে হাটতে থাকেন। বাবার চোখে মুখে এমন আতঙ্ক দেখে রমিজের ও ভয় করে কি হয়েছে তার বাবার? কেনই বা এত আতঙ্কিত। বাবার সাথে সে ও জোরে জোরে হাটতে থাকে।

প্রায় বিষ মিনিট হাঁটার পর রমিজ দেখতে পায় স্কুলের মতো একটা ভবন। এই গ্রামে আগে কখনো আসেনি বিধায় আজ প্রথম দেখছে সে। উপরের বড় করে লেখাটি পড়তে থাকে রমিজ,"রুহিতপুর প্রাইমারি স্কুল।"

বেড়া আর টিনের সংমিশ্রণে তৈরী লম্বায় বিশাল লম্বা। স্কুলের ভিতরে কিছু লোক দাঁড়িয়ে আছে হাতে রাইফেল চারিদিকে তাকাচ্ছে তারা।

এমনই সময়ে রমিজ প্রশ্ন করে,"বাবা এরা কারা?"

গোলাম মাওলা ছেলের দিকে তাকিয়ে উত্তর দেন,"মুক্তিবাহিনী।"

রমিজ বাবার দিকে তাকিয়ে ফিরতি প্রশ্ন করে,"মিলিটারী কই গেছে?"

বাবা উত্তর দেয়,"চলে গেছে।"

রমিজ কিছুটা খুশী হয়ে জিজ্ঞেস করে,"আর আসবেনা?"

রমিজ মিয়া ছেলের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললেন,"না।"

রমিজ হাত তালি দিতে শুরু করলো। হঠাৎ ভিতরের দিকে তাকিয়ে রমিজ বলে উঠলো,"বাবা রাজিব কাকা অই দেখ?"

ছেলের ইশারার নিশানা বরাবর একটু ঝুকে তাকান গোলাম মাওলা। আরেহ সত্যিই তো রাজিব। শ্যামলা ছেলেটা রোদে পুড়ে একদম চেঞ্জ হয়ে গেছে। আগে থেকে অনেক কালো হয়ে গেছে আর শুকিয়ে গেছে। গোলাম মাওলা স্কুলে ঢুকার জন্য পা বাড়ালো হঠাৎ রাইফেল হাতে লুংগি পড়া একজন এগিয়ে পথ আটক করে হুংকার দিল,"ভিতরে প্রবেশ নিষেধ। কমান্ডার সাব কড়া নিষেধ করেছেন।"

রমিজ মিয়া কাকুতি মিনুতির সরে বললেন,"আমার বউ ভিতরে আছে কি না একটু দেখবো ভাই।"

মুক্তিযোদ্ধাটি দাঁত চেপে হুংকার দেন,"সব দেখবেন পরে। আগে কমান্ডার মিটিং শেষ করে কি সিদ্ধান্ত নেয় দেখেন?"

রমিজ রাজিবকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার দিয়ে উঠলো,"রাজিব কাকা।"

রাজিব চারিদিকে তাকায় শব্দের উৎস কোথায় তা খুজে কিন্ত পায় না। এবার গেটের মুক্তিযোদ্ধা রমিজ কে এক ধমক দেয়,"এই ছেলে চুপ।"

এবার রাজিবের চোখে পড়ে তারা। রাইফেলটা হাতে নিয়ে এগুতে এগুতে রাজিব আর বলে উঠে,"শামসু ভাই ওরা আমার লোক ঢুকতে দেন?"

শামশু নামধারী লোকটি গোলাম মাওলা আর রমিজকে ভিতরে ঢুকতে দিয়ে বাইরের মানুষদের উদ্দেশ্যে হুংকার ছাড়ে,"সবাই চুপ একদম চুপ করেন।"

গোলাম মাওলা ঢুকেই রাজিবকে ধরে হাউ মাউ করে কেঁদে উঠে। রাজিব আশ্বাস দিয়ে মুখ খুলে,"ভাবী ভালোই আছেন। আমার কাছে আছেন। আমি উনাকে আলাদা রুমে আলাদা কেয়ারে রেখেছি যাতে কস্ট না হয় ভাবীর।"

গোলাম মাওলা যেন আশার আলো খুজে পেয়েছেন আর রমিজকে বললো,"কি বলেছিলাম না তোর আম্মু ফিরবে?"

রমিজ দাঁত কেলিয়ে হেঁসে উঠে। আর বাবাকে জড়িয়ে ধরে।

রাজিব রমিজকে আদর করতে করতে বললেন,"কি খবর রমিজ।"

রমিজ আবার দাঁত কেলালো। পরক্ষনেই জানতে চাইলো, "আম্মু কই? "

রাজিব পথ দেখিয়ে দিল।, "এই দিকে। "

রাজিব রমিজের আম্মুকে যেই রুমে রেখেছে সেই রুমের দরজা ধাক্কা দিতেই বুকটা কেঁপে উঠলো। ভিতর থেকে লক। জোরে জোরে ধাক্কা দিল খুলেনা।

দরজা ভেংগে ভিতরে ঢুকলো তারা সন্ধা ঘনিয়ে এসেছে। দূর মসজিদ থেকে মাগরিবের আযানের ধ্বনি ভেসে আসছে আর ফ্যানের সাথে একটা মহিলা ঝুলছে।

আর ভেসে আসছে রমিজের চিৎকার,,,,, আম্মা.... আম্মা... কিন্ত আম্মা নামধারী মহিলাটির উত্তর আসেনা,আসবেনা, কোনদিন না।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৮
৩টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×