somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্প:"who" (হু) এবং একটি কালো কুকুর

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গল্প:"Who"

অপরা সেই আধাঘন্টা আগ থেকেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে একটি গাড়ির ও দেখা নেই। অপেক্ষা একদমই বিরক্তিকর লাগে অপরার। রাস্তার অপর প্রান্তের রঙিন বোর্ডটির চকচকে লেখাটি বেশ কয়েকবার পড়া হয়ে গেছে ইতোমধ্যে তার। এসব বোর্ড কিংবা পোস্টারিং এর লেখাগুলোতে কখনো চোখ তুলেও তাকাইনি অপরা কিন্ত আজ সময় পার করতে আর কোন উপায় না পেয়ে লেখাটি পড়লো সে।

লেখাতে বড় করে লেখা "মাত্র ৩ মাসে ডাক্তার বানিয়ে দেয়ার কোর্স।" লেখাটি পড়ে যতটুকু না অবাক হয়েছে তারচেয়ে বেশি কস্ট পেয়েছে অপরা। দেশে এজাতীয় ডাক্তার বানিয়ে ই দেশের আজ এই অবস্থা!

মাথা ঘুড়িয়ে রাস্তার পশ্চিম দিকের মজিদ ভিলার সামনে জেব্রা ক্রসিং এর রাস্তায় তাকিয়ে অবাক হয়ে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে অপরা একটি ছেলে রাস্তায় দৌড়াচ্ছে। এটা অবাক হওয়ার মত কিছুই না। 'দুনিয়ার যাবতীয় অবাক হওয়ার পিছনে রয়েছে ব্যতিক্রমতা।' মানুষ সেই জিনিস দেখলে ই অবাক হয় যেই কার্যে ব্যতিক্রম উপস্থিত।

এখানে ও ব্যতিক্রমতা বিদ্যমান। ছেলেটির পাসে একটি কালো কুকুর। কুকুরের গায়ে মানুষের মতো জামাকাপড় পড়া আর চোখে চশমা। এরকম দৃশ্য দেখার পরে যে কেউ ই কিছুক্ষণ এর জন্য হলেও রাস্তায় দাঁড়াবে আর কিছুক্ষণ এর জন্য কুকুরটিকে পর্যবেক্ষণ করবে। কিন্ত সেরকম কিছুই হচ্ছে না কোন মানুষজন নেই। না থাকার ই কথা কারণ আজ হরতাল।

অপরা এখনো তাকিয়ে আছে,,,, ছেলেটি কালো, গায়ের জামাকাপড় দেখে বুঝাই যাচ্ছে অনেকদিন পরিষ্কার করেনি কিন্ত ছেলেটির মাঝে অদ্ভুত কিছু আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে যেমন হঠাৎ হঠাৎ কুকুরটির দিকে তাকিয়ে কি কি যেন করছে মুখ দিয়ে আর অমনি কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করে উঠছে। আবার কুকুরটাকে চাকরিকে কি সব যেন দেখাচ্ছে ছেলেটি। কি অদ্ভুত!! কুকুরকে কিছু দেখালে কুকুর কি কিছু বুঝবে?? ভাবে অপরা।

পাসেই একটা রিক্সার ক্রিংক্রিং আওয়াজ শুনতে পেয়ে অপরার দৃষ্টি পরিবর্তন হলো। রিক্সা ওয়ালা সবকটি দাঁত বের করে জিজ্ঞেস করলো,"যাইবেন আফা?"। রিক্সাওয়ালার সামনের দাঁতগুলো হলুদ হয়ে আছে দেখে কেমন যেন বমি বমি ভাব এলো অপরার। জিজ্ঞেস করতে ভুল করেনি সে,"দাঁত পরিষ্কার করেন না আপনি? দাঁত,,, ওয়াক।"

রিক্সা ওয়ালা আবার দাঁত বের করে হাসতে গিয়ে মাঝপথে থামিয়ে নিল এবার বোধহয় পূর্ববর্তী কথায় গায়ে লেগেছে। রিক্সা ওয়ালা এবার না হেসে জিজ্ঞেস করলো,"যাইবেন আফা?"

অপরা আবার ছেলেটির দিকে তাকালো এখনো সে আছে কুকুরটাকে কি যেন বুঝাচ্ছে। অপরা এমন দৃশ্য ছেড়ে যেতে চাইলো না তাই রিক্সা ফিরিয়ে দিল। মানুষ কেমন অদ্ভুত একটু আগে রিক্সার জন্য সে অপেক্ষা করেছে আর এখন ফিরিয়ে দিচ্ছে।

ছেলেটি এবার অপরার সামনেই চলে এসেছে। গায়ের কাপড়টাও কেমন অদ্ভুত! উপরে লাল মধ্যখানে সাদা আর নিচে সবুজ। এমন অদ্ভুত ড্রেস অপরা কখনো দেখেনি।

কৌতুহল আর রাখতে পারলোনা অপরা,"এইযে শুনছেন?" বলেই তাকিয়ে রইলো ছেলেটির দিকে

ছেলেটির যাত্রাপথে এমন একটি মেয়ের ডাক শুনে তেমন পরিবর্তন দেখা গেল না। অপরা আবার ডাক দিল,"এই যে হ্যালো?"

"এইটা একটা বড় ভুল।",ছেলেটি বললো

অপরা একটু হাসার ভঙ্গিতে বলে উঠে, "কোনটা বড় ভুল?"কিছুটা অবাক ও হয়েছে বোধহয়। "এইযে, হ্যালো দুটো একসাথে ডাকা টি ভুল নয়? মস্ত বড় ভুল।",নাম না জানা ছেলেটি বললো

কথার প্রসঙ্গ পাল্টালো অপরা,"আপনার কুকুরটাতো বেশ অদ্ভুত?"

কন্ঠে কাঠিন্যতা আনে ছেলেটি,"উনাকে কুকুর বলবেন না। উনি আমার বস। শ্রদ্ধা নিয়ে ডাকতে হয় 'জনাব মিন্টু।' "

হেসেই ফেলে মেয়েটি,"কুকুর আপনার বস? আর কুকুরের নাম 'জনাব মিন্টু'! হাউ স্ট্রেইঞ্জ?"

"বস ইংরেজি একদম পছন্দ করেন না। উনার সামনে বাংলায় বলুন কথা।"

"কুকুর টা কি বাংলা বুঝে নাকি?"

"আপনাকে না বললাম উনার নাম 'জনাব মিন্টু'। আর উনি বাংলা বুঝলে আমাকে রেখেছে কেন?",ছেলেটির সোজা সাপটা কথা

"একটা কুকুর, সরি সরি, জনাব মিন্টু আপনাকে রেখেছে মানে?",যত কথা বলছে ততই অবাক হচ্ছে অপরা

"হ্যাঁ বস আমায় বডিগার্ডে হিসেবে রেখেছে। আজকেই জয়েন করেছি এই চাকরিতে।",ছেলেটি এবার হাসলো

"আমি জানতাম আপনি এতক্ষণ মজা করেছেন আর আপনার হাঁসিতে তা কনফার্ম হলাম।",অপরা স্বস্থির নিশ্বাস ফেললো এতক্ষণ পরে

"বস আপনার উপরে রেগে আছে। উনি হাসতে বলেছেন বলেই আমি হেসেছি ",ছেলেটির দৃঢ় কন্ঠের উত্তর

"আপনার কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতেছিনা। একটি কুকুর,, সরি সরি জনাব মিন্টু আপনাকে কেনই বা বডিগার্ডের কাজ দিবে? আর আপনিই বা কিভাবে চাকরীতে জয়েন হলেন?"

"আর বলবেন না যেভাবে মানুষ খুন হরতাল রাহাজানি হচ্ছে এভাবে তো মানুষ ই থাকতে পারেনা জনাব মন্টুরা কিভাবে থাকবে? জনাব মন্টু এখন ক্ষমতায় কখন বিরোধীদল তাকে আক্রমণ করে বসে বলা তো যায় না। আর কিভাবে এই চাকরিতে যুক্ত হলাম সেটা তো আরেক বিরাট কাহিনী।",বলবো সেই কাহিনী কালো করে ছেলেটি বললো

অপরা একমনে ভেবেই চলেছে কি যেন। ছেলেটির কথা থামায় আবার বাস্তবে ফিরে আসে"বলুন বলুন। শুনতে তো মজাই লাগছে আমার।"

ছেলেটি কুকুরের দিকে তাকালো তারপর কি সব অঙ্গিভঙ্গি করলো,"বস আপনার উপরে আরো রেগে আছেন। জনাব মিন্টু সমাজের এত সব ইতিহাস গুলো আপনি মজার জন্য শুনছেন 'জনাব মিন্টু এতে মর্মাহত।"

অপরা কিছুটা কস্টের ছাপ আনলো মুখে তারপর কুকুরের দিকে তাকিয়ে,"সরি সরি। এবার থেকে সিরিয়াসলি শুনতেছি।"

ছেলেটি আবার কুকুরটার দিকে তাকিয়ে আগের মতো অঙ্গিভঙ্গি করলো আর অমনি কুকুর 'ঘেউ ঘেউ করে উঠলো।' অপরা ভয়ের চোটে দোয়া দরুদ পড়া শুরু করে দিল।

ছেলেটি স্বান্তনা দেয়,"বস শুনে খুশি হয়েছে যে আপনি জনাব মিন্টু সমাজ কে দাম দিচ্ছেন।"

"ওহ থ্যাঙ্কস ",মেয়েটি তখনো কাঁপছিল। "শুনবেন নাকি ইন্টারভিউ এর ইতিহাস?",ছেলেটি বললো

"অফ কোর্স, অহ সরি সরি, অবশ্যই অবশ্যই।", মেয়েটি কিছুটা আঁতকে আছে

আপনার সরিটাও ইংলিশ এই মাত্র জনাব মন্টু তা খেয়াল করলেন সামনে থেকে 'দূঃখিত' বলবেন নইলে জনাব মন্টু বিধান ২ ধারা মোতাবেক আপনাকে ভয় না পাওয়া পর্যন্ত তাড়া করে বেড়াবে মন্টু সমাজ।

"ঠিক আছে।", অপরা পুরোপুরি কাঁপছে

"তো শুনুন : ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে দেখি হাজারে হাজারে মন্টু সমাজের লোক। সবাই অনেক অনেক শিক্ষিত। আর রাত্রে কিছু পড়েও যাই নি আমি। মাত্র একটা প্রশ্ন পড়েছিলাম কিভাবে 'হাড় ভংতে হয়'। আর অমনি প্রশ্ন টা কমন পড়ে গেল। মন্টু সমাজের রাষ্টীয় টেলিভিশনে আমাকে দেখিয়েছে 'কি যে ভালো লেগেছিল।", এতক্ষণ এক টানে বলেই গেল ছেলেটি

"ওহ! যত জনাব মিন্টু সাহেবদের ইতিহাস শুনছি ততই অনেক কিছু শিখতেছি।",কুকুরটির দিকে তাকিয়ে হাসলো অপরা মনের মাঝে ভয় ও হচ্ছিল মন্টু বিধান ২ এ পড়ে যায় কখন ভুল করে কে জানে।

"আচ্ছা আপনার নাম কি?",এতক্ষণ পরে বললো অপরা

ছেলেটি অপরার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থেকে জবাব দিল,"হু "

"কে মানে? আমি তো আপনাকেই বলছি আপনার নাম কি?", একটু জোরেই বললো অপরা

"আমার নাম হু।",ছেলেটি আবার জানালো

"আমার নাম কে এটা কোন শব্দ হলো? আর আমার নাম হু এটা তো ইংলিশ ও নয় বাংলা ও নয়?", মেয়েটি রেগে যায়

"শুদ্ধ বাংলায় বলছি আমার নাম হু। আর না বুঝলে জনাব মিন্টুর দাঁত তো দেখেছেন?",হু নামধারী ছেলেটি শান্ত গলায় বললো

অপরা কুকুরটির দিকে তারপর বললো, "ওহ স,, দূঃখিত আর ভুল হবেনা। আপনার নাম হু বুঝেছি।"

"হুম ঠিক ধরেছেন।", হু আবার অপরার দিকে তাকিয়ে বললো

"আচ্ছা আপনার সাথে আর কবে দেখা পাবো?না মানে কিছুক্ষণ আড্ডা মারা যাবে তাই।",অপরা উত্তরের অপেক্ষায় তাকিয়ে আছে হু এর দিকে আর ভাবছে ছেলেটির সাথে আবার দেখা হতে হবে কিন্ত কেন এর উত্তর সে জানে না

"আপনি জনাব মন্টুর সামনে এভাবে আমাকে আড্ডার অফার দিচ্ছেন? ধারা ৩ মতে আপনাকে একটা কামড় দিবে মন্টু সমাজ।",হুর কন্ঠের একটু দৃঢ়তা

"আমার মনে হয় রুল গুলো আপনিই নিজেই বানান। আর এই রুলটা আপনি এখন ই বানিয়েছেন। ",অপরা রহস্যময় চোখে তাকিয়ে

"অবশ্যই। এটাই তো আমার ক্ষমতা। এই কুত্তা তো কিছুই বুঝেনা। আমার কথাও না।",জোরে জোরে হাসতে থাকে হু
"তাহলে এতক্ষণ?",অরপার চোখেমুখে শঙ্কা

"ওর নাম মন্টু ঠিকই কিন্ত এতক্ষন এর কিছুই ঠিক নেই। ওর পিছনে একটা পিন লাগানো, দরকার পরলেই রশি টানি আর রশির সাথে সিস্টেমে পিন আঁটকানো আর টানের সাথে পিনের খোঁচা লাগে মন্টুর পিছনে অমনি বেচারা কেউ কেউ করে উঠে।",আবারো হাসতে লাগলো হু

"ওহ। আচ্ছা তা আপনার হু এর রহস্য কি তা ভেংগে বলুন এবার ?",অপরার চোখে অবাক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েই চলেছে।

"আমার নাম হু ঠিকই আছে। নামটি আমারই দেয়া। আসলেই আমি কে? এটার উত্তর জানা নেই আমার। তাই এই উত্তর খুজতেই আমার জন্ম হু নামে। আসলেই কে আমি? 'হু'।",হু বিড়বিড় করে


অরপা একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে হু এর দিকে। ওকে যত দেখছে ততই অবাক হচ্ছে অপরা।

হু চলে যাচ্ছে অরপা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। 'এই ছেলের প্রেমে চোখ বুঝে পড়ে যেতেও কোন দিধা করবেনা অরপা। 'এমনটাই মনে হচ্ছে তার। ছেলেটির সাথে আবার দেখা হবে কি?

দিগন্ত রেখার সাথে মিলিয়ে যাচ্ছে দুটো অবয়ব একটা হু এর আরেকটি কালো কুকুর সরি 'জনাব মিন্টু ' এর।


অপরা হঠাৎ মুখ ফস্কে ডেকে উঠলো "হু"
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশে ইসলামপন্থা বনাম গণতন্ত্র: মানুষ যখন নাগরিক থেকে অনুসারী হয়ে উঠছে!

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩


কিছুদিন আগেও আমরা বলতাম, "দয়া করে ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাবেন না"। সরল এই কথাটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোধ ছিল - ধর্মীয় বিশ্বাস আর রাজনীতি এক জিনিস নয়। গত দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার হিসেবে আপনার স্ট্র্যাটেজি কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬



গত আড়াই দিনে, অর্থাৎ, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১০-তে ব্লগার ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা থেকে শুরু, এরপর থেকে আজ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় বিকাল ৪টা ৪২... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই! আপনি কি মনে করেন?

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪



বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতাবিহীন বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত কোনো ব্যক্তির পক্ষে এককভাবে স্থানীয় সরকারকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বা 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'-এর লক্ষ্য অনুযায়ী আধুনিকায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×