
গতরাতে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম, এই নাটকের শেষ কোথায়...
সকল বিপদ শেষপর্যন্ত নারী আর শিশুদের জীবনেই নেমে আসে।
সকল অপবাদ, রিরংসা, বঞ্চনা, সামাজিক-ধর্মীয় হিংস্রতা নেমে আসে নারীর ভাগ্যে। 'সকল দোষের দোষী নারী' বলেই চিহ্নিত করে দুষ্ট সমাজ!
কী হবে অর্চনা রাণীর? তাকে তো শ্রেফ ব্যবহার করা হয়েছে!
বাউল সম্প্রদায়ের দীক্ষা তাকে দেয়া হয়েছে শুধুই কি ভোগের জন্য?
বছরের পর বছর তাকে শ্রেফ ভোগের সামগ্রী হয়ে থাকতে হয়েছে ওই মিথ্যে কুহকের আশ্রয়ে!
অর্চনার কোনো স্বীকৃতি নেই, তার নিরাপত্তা ও সম্পদের অধিকার নেই।
এমনকি সে হিন্দু বলে তাকে 'র'-এর চর বানানোর গল্প ফেঁদে এক মহাবিপর্যয়ে ফেলে দেয়াও হতে পারে!
এটি ফরহাদ মজহার সাহেব করতেও পারেন!
আরেকটি গভীর বেদনা আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।
একজন কবি, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব (ইসলামী উন্মাদনার) হয়ে- অনাচার,
অবিচার এবং ভ্রান্তির এই নির্মম খেলা ফরহাদ মজহার খেলতে পারলেন... ?
একজন কবির কাছেও মানুষ, সমাজ এবং তার রাষ্ট্র নিরাপদ নয়!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


