★একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ★
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ২৮ মে,
২০১৪ ইং থেকে ১২ জুন, ২০১৪ পর্যন্ত
টেলিটক মুঠোফোন দিয়ে এস.এম.এস. এর
মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন
করা যাবে।
এছাড়া যেসকল কলেজগুলো এস.এম.এস.
পদ্ধতির বাইরে সেগুলোতে আগের
নিয়মেই আবেদন করতে হবে। ফলাফল
পুন:নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন
হবে,
তারা ১৬ জুন পর্যন্ত আবেদন
করতে পারবে। ২২ জুন ভর্তির জন্য
মনোনীত প্রার্থীদের
তালিকা প্রকাশ
করা হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তি ও
টাকা জমা দেওয়া যাবে ৩০ জুন
পর্যন্ত।
বিলম্ব ফি সহ ভর্তি ও
টাকা জমা দেওয়া যাবে ২২ জুলাই
পর্যন্ত। গতবারের মতো এবারও
ভর্তি ফরমের মূল্য ১২০ টাকা নির্ধারণ
করা হয়েছে। ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই।
→ এস.এম.এস. পদ্ধতিতে আবেদন:
২০১২ সাল থেকে একাদশ
শ্রেণিতে মোবাইল
ফোনে এস.এম.এসের
মাধ্যমে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া চালু
করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় একজন
শিক্ষার্থী যে কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক
সেই কলেজের নির্দিষ্ট EIIN নম্বর
উল্লেখ করে শিক্ষার্থীর
এস.এস.সি পরীক্ষার রোল, নাম্বার,
বোর্ড, পাসের সাল সহ আরও
প্রয়োজনীয়
তথ্য মোবাইল ফোনের
মাধ্যমে এস.এম.এস
করে ভর্তির আবেদন করতে হবে। http://www.fb.com/sadharongen
→ যে মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস
করতে হবে:
ভর্তির জন্য শুধু টেলিটক প্রি-পেইড
মোবাইল থেকে এসএমএসের
মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। একজন
আবেদনকারী একাধিক
কলেজে অথবা একই কলেজে একাধিক
গ্রুপের একাধিক শিফটে আবেদন
করতে পারবে। তবে প্রতি আবেদনেই
১২০
টাকা করে কেটে নেওয়া হবে।’ http://www.fb.com/sadharongen
→ আবেদনের নিয়ম:
মোবাইল ফোনের মেসেজ
অপশনে গিয়ে CAD স্পেস কাঙ্ক্ষিত
কলেজের EIIN স্পেস কাঙ্খিত গ্রুপের
নামের প্রথম অক্ষর স্পেস এসএসসি/
সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের
নামের
প্রথম তিন অক্ষর স্পেস রোল নম্বর
স্পেস
এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের
সাল
স্পেস শিফটের নাম স্পেস ভার্সন
স্পেস
কোটার নাম লিখে সেন্ড
করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
ফিরতি এসএমএসে আবেদনকারীর নাম,
কলেজের EIIN ও নাম, গ্রুপের নাম
এবং শিফটসহ ফি বাবদ কত
টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি PIN
নম্বর দেওয়া হবে। ওই পিন নম্বর
পাওয়ার
পর আবেদন
করতে রাজি থাকলে মেসেজ
অপশনে গিয়ে CAD স্পেস YES স্পেস
PIN
স্পেস কনটাক্ট নম্বর (নিজের ব্যবহৃত
যেকোনো মোবাইল নম্বর)
লিখে সেন্ড
করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। http://www.fb.com/sadharongen
উদাহরণ :
CAD EIIN
Number Group Board SSC
Roll 2013 Shift Version
কোটা
আবেদনে ভর্তির গ্রুপের
ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য
লিখতে হবে ‘S’, মানবিক বিভাগের
জন্য
‘H’, বাণিজ্য বিভাগের জন্য ‘B’,
গার্হস্থ্য অর্থনীতির জন্য ‘E’
এবং ইসলামী শিক্ষার জন্য ‘I’
লিখতে হবে। শিফটের
ক্ষেত্রে প্রভাতি শাখার জন্য
লিখতে হবে ‘M’, দিবা শাখার জন্য
‘D’
এবং বিকেলের শাখার জন্য ‘E’
লিখতে হবে। আবেদন
করা কোনো কলেজে যদি শাখা না থাকে তাহলে ‘N’
লিখতে হবে। ভার্সনের
ক্ষেত্রে বাংলার জন্য
লিখতে হবে ‘B’
এবং ইংলিশের জন্য ‘E’। আর কোটার
ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য
লিখতে হবে ‘FQ’,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ
এর অধীনে দফতর ও স্ব স্ব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,
কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানের
গভর্নিং বডির সন্তানের জন্য ‘EQ’
এবং বিশেষ কোটার জন্য ‘SQ’।
কোনো শিক্ষার্থী একাধিক কোটায়
আবেদন করার
যোগ্যতা থাকলে কমা (,)
দিয়ে কোটাগুলোর নাম উল্লেখ
করতে হবে। আর কোনো কোটার
আওতাধীন না হলে কোটার
অপশনে কিছু
লেখার প্রয়োজন নেই। http://www.fb.com/sadharongen
→ কোটা:
বিভাগীয় শহর ছাড়া অন্যান্য
জেলা শহরের কলেজগুলোতে ৯০
শতাংশ
আসন সবার জন্য উন্মুক্ত। অবশিষ্ট ১০
শতাংশ আসনের মধ্যে তিন শতাংশ
জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থীদের
জন্য, পাঁচ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার
সন্তান/
সন্তানের সন্তানদের জন্য ও দুই
শতাংশ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এর অধস্তন
দফতরগুলো এবং স্ব স্ব
প্রতিষ্ঠানে কর্মরত
কর্মকর্তা/কর্মচারী ও
পরিচালনা পর্ষদের সন্তানদের জন্য
সংক্ষিত। http://www.fb.com/sadharongen
→ বি.দ্র:
কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একইসঙ্গে স্কুল
ও কলেজ শাখা চালু থাকলেও সেই
প্রতিষ্ঠান থেকে এস.এস.সি পরীক্ষায়
পাসকৃত শিক্ষার্থীদের এস.এম.এস এর
মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন
করতে হবে।
মাইনুল হাসান রাফি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


