somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেমিকাকে (এখনো হয় নাই) নিয়ে রম্যবচন

২৯ শে মে, ২০১৫ রাত ২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পথের ক্লান্তি ভুলে
স্নেহ ভরা কোলে তব
মাগো বলো কবে শীতল হব,,,,
কতদূর আর কতদূর,,,,,,

আসলে রাস্তাটা বহুত । যেতে যেতে অনেকগুলো সেতু পার হতে হবে । সবচেয়ে বড় সেতুর নাম যমুনা সেতু । এই সেতু কিন্তু আমার সেতু থুক্কু ক্লাসের সেতু নয় :P । এই সেতু হইলো বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু আর আমাদের ক্লাসের সেতু হলো পিচ্চি, সুন্দ্রী সেতু । যমুনা সেতু জনগনের জন্য চালু করা হয় জুন ১৯৯৮ আর সেতুর জন্ম সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ ( ফেবুর অ্যাবাউট মি মতান্তরে) । যমুনা সেতুর স্প্যান ৪৯ টি কিন্তু আমার সেতুর থুক্কু মানে সেতুর জামা কাপড়ের সংখ্যা অগনিত । যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে দুটি ট্রেনের ট্র্যাক আছে ঠিক সেতুরও দুই জোড়া চশমা আছে ( প্রত্যক্ষদর্শী আমি নিজে ) । যমুনা সেতুর কনস্ট্রাকশনের দায়িত্বে ছিল হুন্দাই আর সেতুর ঢাবিতে আসার পিছনে স্কুল কলেজ ছিল ভিকারুন্নেছা ( নাসায় অবস্থিত :P ) ।
**যমুনা সেতুর উপর দিয়ে পার হয়ে যায় গরু পার হয় গাড়ি আর সেতু ভার্সিটির বাসে করে যায় তার বাড়ি **। নিজের অঞ্চলে যাওয়ার সময় চোখে পড়ে অপরূপ দৃশ্য, ঠিক সেতুর সাথে ক্লাসের পর দেখা হলে টিএসসির আড্ডা পর্যন্ত দেখি তার অফূর্ব বদনখানি আর তার শুনি তার কথাবার্তা । সেতুর কথা আর তার বদনখানি দেখতে ভাল্লাগে ঠিক যমুনা সেতু পার হওয়ার সময় তার আশেপাশের পরিবেশ দেখতে ভাল্লাগে । ওহ বলাই হয় নাই,,,সেতুর বাড়ি খিলগাঁও আর আমার বাড়ি ঠাকুরগাঁও,,,,ঠাকুর ঘরে খিল দিতে ভুলে গেছিলাম আমাদের গাঁওতে ( শুদ্ধ বাংলায় গ্রাম ) । সেতুর এলাকার নামের শেষে গাঁও ঠিক আমার এলাকার নামের শেষে গাঁও আছে । আর মাঝখানে দীর্ঘকায় একখান যমুনা সেতু আছে । যাহা পার হইয়্যা আমাকে আমার গন্ত্যবে যেতে হয় । সেতুর ভার্সিটিতে অর্থি নামের একখানা বান্ধবী আছে ঠিক যমুনার চারখানা লেন আছে । সেতু যখন বাড়ি যায় তখন জ্যামে পড়ে আর যমুনা সেতু দিয়ে যখন ট্রেন যায় তখন ধীরে ধীরে চলে ( পদার্থবিদ্যার ব্যাপার স্যাপার) ।সেতুর প্রায়শ ইয়া বড় আর ভারী ধরনের ব্যাগ নিয়ে ক্লাসে আসে আর যমুনা সেতু তাহার ইয়া লম্বা সাইজের রাস্তা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে দেয় । তদুপরী সেতু যেমন আমার কাছে টাকা পায় তেমনি যমুনা সেতুও টোল পায় । যমুনা সেতুতে তেমন কোন বড় ধরনের দূর্ঘটনা আমার চোখে পড়ে নি শুধু একটা ছাড়া ঠিক সেতুরে চেনার পর থেকে থাই কাপড় পড়া ছাড়া আর কোন কিছু উইয়ার্ড আমার কাছে কোনদিন মনে হয় নাই । যাই হোক যমুনা সেতু দেখতে আর কৌতুহল মেটাতে অনেকেই একবার হইলেও যমুনা সেতু দেখতে আসে ঠিক সেতু সুন্দ্রী বলে বুয়েট, মেডিকেল সবাই ক্রাশে খেয়ে বেঁচে আছে । পিচ্চি, সুন্দ‍্রী সেতু মেয়েটা অনেক ভালো । তার চশমার পাওয়ারে আমি কিচ্ছু দেখা পাই না । এমনকি সেতুরেও না । সুন্দ্রী মেয়েটার উপ্রে অনেক ছেলেই ক্রাশ । তাদের মত সৌভাগ্য আমার হয় নাই । এত্ত কিছু লিখছি বলে তুই যদি রাগ করিস তাহলে তোর টাকা ফেরত দিমু না :D :D

সেতু রাগ করলে কতৃপক্ষ ( মানে আমি ) দায়ী নই । :P :P :P

অবশেষে অনেকদিন মায়ের কাছে থাকি না । বিশেষ কিছু কারনে বাসায় যাওয়া ।
পথিমধ্যে কোন কিছু হইলে সেতু সহ তার আইনজীবী বাপরে আমার বাসায় দাওয়াত । সাথে অর্থি, বাপ্পি, রাকিব, মইন, সু আ আ আ গ,,,আরিফসহ বাকিদের দেখতে আসার জন্য বলা হইলো ।

*** ইহা কাল্পনিক অবাস্তব একখানা রম্যবচন ****
#চিরিয়াল_কত্ত???
#হাসো_ক্যান???
#তুমি_অর্গানিক_খাও_নাকি_সিন্থেটিক

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য

লিখেছেন চারাগাছ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৬




বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য


​আজকের বৃষ্টিটার কোনো ছন্দ নেই। কোনো ব্যাকরণ নেই। স্রেফ আকাশ ভাঙা জল, যা এই শহরের বুকে সশব্দে আছড়ে পড়ছে। মানুষজন তাড়াহুড়ো করে ছাতা মেলছে, আশ্রয়ের খোঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×