সেবা নয় কাড়ি কাড়ি টাকার স্বপ্ন নিয়ে একজন নব্য ডাক্তার যখন একটি সরকারী চাকরী পান তখন তিনি নিশ্চিত হন। তার ডাক্তারী সাইন বোর্ডটা পোক্ত হলো। শুরু হলো এই ভিজিটিং কার্ড নিয়ে মানুষ ঠকানোর ব্যবসা।
১)সরকারী হাসপাতালে রোগী গেলে ডাক্তারদের পুষে রাখা দারোয়ান পিওন আয়া রোগীর হাতে তার সরকারী খরচে করা ভিজির্টিং কার্ডটা ধরিয়ে দিয়ে বলে বাইরে কোন ক্লিনিকে গেলে স্যারকে পাওয়া যবে।
২) হাসপাতালে যদি ডিউটি থাকে সকাল ৭টা বা ৮টা থেকে তবে বেলা ১০টা /১১ টার আগে তাদেরকে পাওয়া যাবে না। কারন আগের রাতে ক্লিনিকে অপারেশন করেছেন অথবা রোগী দেখেছেন রাত ২/৩ টা পর্যন্ত
৩) অধিকাংশ ঢাকার ডাক্তারগন বুধবার অথবা বৃহষ্পতিবার সাইন করেই কোন মফস্বলে চলে যান টাকা ইনকাম করতে, আসে আবার রবি বারে।
৪) আর উপজেলার ডাক্তার গন জেলা শহরে রাখা বৌ বাচ্চার টানে ছুটে আসেন পারিবারিক সময় কাটাতে।
৫) তারা যে ঔষধ পেয়ে থাকেন(SAMPLE) সেগুলো নির্ধারিত দোকানে বিক্রি করেন এবং প্রেসক্রিপ্সন করে রোগীকে বলে দেন ঐ দোকান থেকে ঔই ঔষধ গুলো কিনতে। না হলে অসুখ ভালো হবে না।
৬) ঔষধ কোম্পানীর কাছ থেকে এয়ার কন্ডিশন ফ্রিজ উপঢৌকন পান, শর্ত
বিনিময়ে ওই কোম্পানীর ঔষধগুলো প্রেসক্রিপ্সন করবেন।
৭) প্রতি রিপ্রেসেন্টেটিভ নিম্নতম ২০০ টাকা ভিজিট দিয়ে দেখা করেন।(মফস্বলে(
৮) এদের কাছে গেলেই প্রথমেই গাদা খানিক টেস্ট দেবেন। এবং কোথা থেকে করতে হবে তার একটা কাগজ হাতে ধরিয়ে দেবেন ওখান থেকে টেস্ট না করালে রোগ ধরা পড়বে না। আগে একই টেস্ট যতই করা থাক।
৯)বে সরকারী ক্লিনিকে অপারেশনের রোগীকে লাগুক না লাগুক রাত ১২ টায় একবার এসে উনি ভিজিট করে যাবেন কারন ১ বার এস গেলেই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা।
১০) আর নাইট ডিউটি মানে তো ঘুমের রাত। সুন্দর বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে হাসপাতালের কক্ষে রাত কাটানো যায়।
এই হলো ডাক্তার দের সেবা করার নমুনা।(অধিকাংশ ডাক্তার)।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




