

২০১০ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বই দেবার দায়িত্ব সরকার কাঁধে নিয়েছেন। মুক্ত করেছেন বছরের শুরুতে বিরাট অংকের একটা টাকার চিন্তা থেকে শত শত হত দরিদ্র পিতা মাতাকে।নিশ্চিত করেছেন বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীকে প্রথম ক্লাশে উপস্থিত থেকে নতুন বই পড়ার আনন্দ লাভ করতে।
কিন্তু এতে কি পুরোপৃরি অভিভাবকগন চিন্তা মুক্ত হতে পেরেছেন?
সরকার পাঠ্য বই এর সূচীতে যে গ্রামার (ইংরেজী এবং বাংল) বই দিয়ে থাকেন, অধিকাংশ স্কুল সেটা খুলেও দেখে না্। স্কুল থেকে যে লেখকের লেখা বই অনুমোদন করে দেয় সেটি কিনাতে হবে।আমরা গ্রামার বেই কখনও প্রতিবছর কিনিনি। এবং নির্ধারিত কোন লেখকের বই পড়িনি।
এখনকার শিক্ষার্থীদের প্রতি শ্রেণীতে নির্ধরিত লেখকের বই কিনতে হয়।
এর পরে আছে গাইড বই এর অত্যাচার। বছরের প্রথমেই শিক্ষক গন গাইড বই এর নাম এবং লেখকের নাম ধরিয়ে দেন শিক্ষার্থীদের হাতে। প্রাথমিক বিদ্যালয়েও এই গাইড বই পড়ানো হয়। এই গাইড ব্ই কেনার টাকা যোগাড় করতে অভভাবকদের হিম শিম খেতে হয়।
বছরের প্রশমেই প্রকাশক গন স্কুলে স্কুলে শিক্ষদের কমিশনের ভিত্তিতে তাদের বই পড়ানো জন্য অনুমোদন করিয়ে নেয়।
এ ছাড়াও আছে বিভিন্ন খাতে চাঁদা আদায়। এর মধ্যে প্রধান হলো টিউটোরিয়াল পরীক্ষা। বছরে যে কয়বার টিউটোরিয়াল হবে প্রতিবার টাকা দেওয়া লাগবে।
এর থেকে মুক্তি দিতে সরকার আর শিক্ষক গন বসা দরকার। সরকারকে প্রতিটা বিদ্যালয়কে বার্ষিক অডিটের আওতায় আনতে হবে। এবং স্কুলের কর্মকান্ডের জন্য বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করতে হবে।
শিক্ষকগনকে সামান্য কমিশনের কথা বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বই পড়াতে আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে। আমার জানা মতে পাঠ্য বই বাইরে কোন প্রশ্ন হয় না। অতএব শিক্ষকবৃন্দের কাছে আমার একান্ত অনুরোধ ভবিষ্যত সম্পদ তৈহরী করতে আপনারা গাইড বই পড়তে শিক্ষার্থীদের নিরুতসাহিত করুন।কারন আপনারাই মানুষ গড়ার কারিগর।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




