somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তারেক মাসুদ, রানওয়ে ও একটি অটোগ্রাফ

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে টেবিলের খাতাপত্র ঘাটতে গিয়ে হটাৎ ই একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম। অনেক দিন থেকেই জিনিসটা চোখের সামনে ছিল অথচ খেয়ালই করিনি। একটা সামান্য পোস্টকার্ড সাইজ কার্ড। কার্ডটি হলো তারেক মাসুদের রানওয়ে ছবির একটি স্যুভেনিয়ার। আজকে লক্ষ্য করলাম যে কার্ডটি শুধুমাত্র একটি কার্ড নয়, এতে তারেক মাসুদের একটা অটোগ্রাফও আছে !!
তারেক মাসুদ....বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে যিনি এক নতুন ধারার সৃষ্টি করেছেন। এনাকে নিয়ে লেখার যোগ্যতা হয়ত আমার নেই কিন্তু তাঁকে যেমন দেখেছি, তাঁর কাজ যেমন দেখেছি চলচ্চিত্র জগতে এরকম অসাধারন ব্যক্তিত্ত সম্পন্ন মানুষ হয়তো কমই আছে। তাঁকে দেখেছি বলতে রানওয়ে ছবি দেখতে যাওয়ার সময় কয়েক ঘন্টার জন্য দেখা। মানুষ ভীড় জমাচ্ছে তার ছবি দেখার জন্য, একটা শো শেষ হচ্ছে অনেক মানুষ বের হচ্ছে আবার অনেকে যাচ্ছে পরের শো দেখার জন্য কিন্তু তারেক মাসুদ কে দেখলাম অডিটরিয়ামের বাইরে একবিষ্ট মনে বসে আছে। হয়তো কখনোও টিভি ক্যামেরা আসছে, তিনি একের পর এক সাকক্ষাৎকার দিয়ে যাচ্ছেন আর প্রতিটি শো শুরুর আগে দর্শকদের উদ্দেশ্যে তাঁর ছবি সমন্ধে, বর্তমান চলচ্চিত্রের অবস্থা সমন্ধে বলছেন। তাঁর একটি কথাই এখন মনে আছে, তিনি বলেছিলেন যে আমরা যেন হলমুখো হই তাতে করে এমনিতেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এই দুরবস্থা কাটিয়ে উঠবে, আরও ভালো ভালো ছবি তৈরী হবে।

হয়তো তারেক মাসুদ এখন নেই কিন্তু তাঁর কাজ এখন আমাদের মাঝে আছে। তাঁর কাজই তাকে বাঁচিয়ে রাখবে প্রতিটি মানুষের মনে। আসলেই .... মানুষ বেচে থাকে তার কর্মের মধ্যেই। তাঁর এই দেখানো পথ ধরেই হয়তো বাংলা চলচ্চিত্র আবার তার পুরোনো জৌলুস খুঁজে পাবে, নতুন পুরোনো পরিচালকের হাত ধরে আসবে বিকল্প ধারার ছবি, মানুষ আরোও হলমুখো হবে আর এভাবেই হয়তো তারেক মাসুদের স্বপ্ন পূরনের দিকে চলবে। তাঁর আত্নার শান্তি কামনা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৯
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৫ হাজার টাকা বিনিয়োগে ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা ফেরতের প্রলোভন!

লিখেছেন শাহাবুিদ্দন শুভ, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ওয়েবসাইটের প্রচার দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রথম আলোর আদলে তৈরি একটি ডিজাইন ব্যবহার করে উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এমনকি তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানের ফটোকার্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×