somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এ.এস.এম.মনজু
আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। নতুন অ্যাকাউন্ট খুললাম শুধু নিজের জ্ঞান বাডানোর জন্য। আর যদি সময় পাই তাহলে নিজের মনের ভাব কিছুটা প্রকাশ করার চেষ্টা করবো। সবাই ভাল থাকবেন।

এই যুগের বাংলিশটার্ন মেয়েদের উদ্দেশ্যে কিছু তিতা কথা

১৯ শে মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকাল বেশিরভাগ মেয়েই রাস্তায় বের হয় আকর্ষণীও পোশাক পড়ে। তাদের ভাবখানা এমন, যে তারা যখন রাস্তায় বের হবে তখন ছেলেরা তাদের দিকে তাকাতে বাধ্য হবেই।
.
.
কোন মেয়ে যত বেশি উগ্র পোশাক পড়বে ছেলেরা তত বেশি তাকাবে, এটাই স্বাভাবিক। কিছু কিছু মেয়ে শুধু পোশাকেই খ্যান্ত যায় না। পোশাকের ভেতরের তাদের দেহের বিভিন্ন অংশের দর্শন আরও বেশি ফুটিয়ে তোলে!
.
.
কথা হল, সবাইতো মানুষ, সবারই কামনা বাসনা আছে। যে মেয়ে আধা উলঙ্গ হয়ে রাস্তায় নামে সেই মেয়ের নিজস্ব দৈহিক চাহিদা অনেক বেশি আর যে মেয়ে তার উল্টা ভাবে চলে সেই মেয়ের কামনা বাসনা নেই, এটা কি তাই প্রমান করে ???
.
.
বড়ই হাস্যকর লাগে সেই মেয়েটিকে দেখে, যে প্রতি নিয়ত নিজের হাতে নিজের ঈমান হালকা করছে, আর নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছে !!
.
.
...আজকেরই একটা উদাহরন বলি হ্যাঁ?
.
.
তিতুমিরের গেটের ভিতর বন্ধুরা সহ ঢুকছি, এমন সময় আমাদের উল্টা দিক থেকে একটি মেয়ে আসতে দেখে, আমার একটি কামনাময় বন্ধু বলে উঠলো, 'ইশশ...রে......মনডা চায়, ওহনই এইডারে তুইল্লা লইয়া গিয়া.........।' তাৎক্ষণিক ভাবে তার সাথে আরও কয়েকজন বন্ধু সায়ও দিল( সারপ্রাইজ ....ক্স.. এর গন্ধ!)। আর আমরা বাকিরা সবাই হা করে তাকিয়ে দেখলাম কিছুক্ষন।
.
.
তারপর যতক্ষন কলেজ প্রাঙ্গনে ছিলাম ততক্ষণ পর্যন্ত থেমে থেমে উদ্ভট কিছু মেয়ে আসতে লাগলো আর সেই সাথে উদ্ভট মন্তব্যও হতে লাগলো।
.
.
একটা সময় এফ্রন পড়া দুটি মেয়ে পাশাপাশি হাটছিল, এটাও নাকি পর্দা!(এমন পর্দা না করলেই ভালো যে পর্দার আড়ালে, চোখের ক্ষুদা মেটানো যায়!)। তো বিভিন্ন আলোচনা চলছেই......
.
.
হঠাৎ করেই বোরখা পড়া একটা মেয়ে পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, আমরা সবাই তখন ঠিকই তাকিয়েছিলাম আর কেউ কোন মন্তব্য করলাম না...এটা ভাবা অবশ্যই ঠিক না, হ্যাঁ করেছি, তবে সত্যি কথা বলতে কি, আমি তখন নিজে মন্তব্য করলাম, ''আল্লাহ্‌ যেন আমার কপালে এমনই একটা রহমত আর বরকত উপহার হিসেবে রাখেন'' (হ্যাঁ আমিও হুজুর না, তবুও আশা করতে দোষ কোথায়? আল্লাহ্‌ মালিক)। তখন সবাই সায় দিয়ে কিছুক্ষন চুপ করলো। কিছুইতো বলার সুযোগ নেই এখানে।
.
.
আমার কথায় এখানেই সবকিছু পরিষ্কার বুঝা যায়, কিন্তু তবুও বলছি আপুদের....
.
.
আপনারা যেমনটি হবেন, আপনাদের কাছে ঠিক তেমনটিই ফিডব্যাক দেওয়া হবে। আধুনিকতার নামে যত বেশি নোংরা হবেন, আপনারা আরও তত বেশি নিচে নামবেন। আজকে আপনাদের এই করুন পরিনতির জন্য আপনাদের বাবা-মা ও অনেকাংশে দায়ী, কারন এইসব শিক্ষা ঘর থেকেই শুরু হয়। আবার বাবা-মা বা কতদিন ধরে শিখাবেন?? আপনারা পরিপক্ক হবার পরেও কি উনাদের কিছু করার থাকবে???
.
.
আপনাদের উদ্দেশ্যে সর্বশেষ কিছু কথা বলবো,
.
.
আপনাদের উপর পুরো জাতির নৈতিকতা দাড়িয়ে থাকে। আপনাদের বিভিন্ন বয়স থেকেই আপনারা বিভিন্ন ভাবে পুরুষদের নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। একজন মা, একজন বোন, বউ হিসেবে আপনাদের হাতে অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা থাকে।
.
.
.
আপু,
রাস্তা ঘাটে ছেলেরা আজ যদি আপনার দিকে ড্যাব ড্যাব চোখে তাকিয়ে থাকে, আপনাকে দেখলে শিশ বাজায়, সাইড মন্তব্য করে, আপনাকে তুলে নিয়ে গিয়ে......। তাহলে আপু দয়াকরে এতটুকুও অবাক হবেন না বা কাউকে দোষ ও দিবেন না। কারন, এই সমস্যা আপনার দ্বারাই সৃষ্ট! সুতরাং, আপনাকেই এর সমাধান বের করতে হবে!!

(দয়াকরে আমার কথায় আপুরা কষ্ট পাবেন না। অবশ্যই কথাগুলো আমাদের উভয়ের কল্যানের জন্যই বললাম। ইচ্ছা করলে আরও অনেক বেশি কিছু লিখতে পারতাম। আমার এই কথাগুলোর ব্যতিক্রম কিছু কথাও আছে......সেগুল নাহয় অন্য আরেকদিন বলবো...হ্যাঁ অবশ্যই বলবো!)

(আজ আর না, এটা একটি ধারাবাহিক পোস্ট)

ধন্যবাদ...
.
.
-মনজু
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×