somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলামের প্রতি আক্রমন

২২ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুরাইশরা সেনাবাহিনী নিয়ে মদিনা আক্রমণের জন্য রওনা দিয়ে দিয়েছে। যে গতিতে তারা এগুচ্ছে, দুই একদিনের মধ্যেই শহরে পৌঁছে যাবার কথা। কুরাইশদের যুদ্ধনীতি হচ্ছে যে তাদের কোন যুদ্ধনীতি নেই। শহরে পৌঁছে তারা যে কাউকে সামনে পাবে, হোক সে বৃদ্ধ-শিশু কিংবা নারী - স্রেফ খুন করে ফেলবে। কাজেই ওদের বাঁধা দিতে হবে শহরের বাইরেই।
তাই ওহুদের ময়দানে দ্রুত পৌঁছাবার জন্য হজরত মুহাম্মদ (সঃ) মুসলিম সেনাবাহিনী নিয়ে জুম্মার নামাজ শেষ করেই "গলি পথে" (শর্টকাট) রওনা হলেন। "হাইওয়ে" ধরে পৌঁছাতে পৌঁছাতে অনেক সময় চলে যাবে। তারচেয়ে বড় কথা, কুরাইশদের কাছে খবর পৌঁছে যাবে যে তাঁরা শহরের বাইরে আসছে। যুদ্ধে শত্রুর কাছে কোন রকমের তথ্যই পাচার হতে দেয়া বোকামি।
তো গলিপথে যাবার সময়ে এক অন্ধ বৃদ্ধের বাড়ির সামনে দিয়ে তাঁরা যাচ্ছিলেন। এতলোকের পদধ্বনি শুনতে পেয়ে লোকটা চিৎকার জুড়ে দিল, "কে যায়? মুহাম্মদ (সঃ) আর তাঁর চ্যালারা? খবরদার! আমার উঠানে একদম পা রাখবা না!"
বলে লোকটা পাথর ছুড়ে মারতে লাগলো।
সাহাবীরা তখন যুদ্ধের মুডে আছেন। যুদ্ধের নিয়মই হচ্ছে শত্রুর প্রাণ হরণ। এই বুড়োও তখন কোন বন্ধুত্বপূর্ণ কর্মকান্ড করছে না। এমনিতেও মদিনায় তখন মুনাফিকরা বড্ড যন্ত্রনা করছে। কাজেই এক সাহাবী নিজের তলোয়ারের হাতলে হাত দিলেন।
নবী (সঃ) সাথে সাথে বললেন, "ওকে ওর মতন ছেড়ে দাও। ও চোখ থেকে যেমন অন্ধ, অন্তর থেকেও তাই।"
একজন লোক, কিংবা এক দল লোক, কিংবা একটি দেশসুদ্ধ লোক যদি ইসলামের দিকে পাথর ছুড়ে মারে, তাতে ইসলামের কিছুই যাবে আসবেনা। কেন জানেন? আল্লাহ বলেছেন তিনি নিজে এর প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমার যথেষ্ট বিশ্বাস আছে তাঁর উপরে। কথা হচ্ছে, আপনার আছেতো? থাকলে ঐ বৃদ্ধের মতন ওদেরকে ওদের মতন ছেড়ে দিন। লেট আল্লাহ টেক কেয়ার অফ দেয়ার বিজনেস। শুধুশুধু নিজের সময় অপব্যয়ের কোন মানে আছে?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:১৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"নিজেদের কেলেঙ্কারিই যখন নিরাপদ নয়, প্রধানমন্ত্রী কতটা নিরাপদ"

লিখেছেন রিয়াজ হান্নান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৭


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রিয় তারেক রহমান রাহিমাহুল্লাহ,আপনাকে সবার আগে বাংলাদেশের জন্য ভালোবাসি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আপনার আশেপাশের লোকেরা কেলেংকারির সাথে জড়িত,এরা আবার ইলিয়াসের আগেই নিজেকে নিজে এক্সপোজ করে দেয়।

এরা নিজেরাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যবাদী নীতি

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৫২

নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা সম্প্রতি ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশের কিছু সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করেছে ।
গত ১৭ আগস্ট নেপালের রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×