somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশে এনিমেল রাইটস নিয়ে কোন আইন কী আছে? থাকলে সেটার লঙ্ঘনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী? যদি থাকে, তাহলে তার প্রয়োগ দেখিনা কেন? যদি না থাকে তাহলে কিভাবে আমরা আইনের জন্য দরখাস্ত করতে পারি? যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কিভাবে আকর্ষণ করা যাবে?

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের তামুর ভাই এবং জেনিফার তিলোত্তমা আপুর সংসারে কুকুরের সংখ্যা নেহায়েত কম না। এ নিয়ে তাঁদের এলাকাবাসীর ঘুম হারাম। "কুত্তা পালা হারাম" - মতবাদে বিশ্বাসী মুমিন মুসলিমরা রাস্তা দিয়ে আসতে যেতে কুকুরগুলোকে খোঁচাখুঁচি করে। বৃষ্টির সময়ে মাথায় ছাতা ধরে হলেও নিজের বাড়ি থেকে কষ্ট করে হেঁটে এসে ময়লা তুলে তাঁদের বাড়ির ভিতরে ছুড়ে মারবে। এতে কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করে, তাদের মজা এবং উৎসাহ আরও বেড়ে যায়।
হারাম প্রাণী কুকুরকে শাস্তি দিতে গিয়ে প্রতিবেশীর অধিকার লঙ্ঘন করতে এদের কোন সমস্যা নাই।
কুরআনে কুকুর পোষা হালাল-হারাম নিয়ে কোন ঘটনা নেই। সূরা কাহাফের ঐ যে গুহায় ঘুমিয়ে যাওয়া যেসব মুমিন যুবকদের বর্ণনা করা হয়েছে, সেখানে তাঁদের সাথে একটি কুকুরও ছিল। কাজেই কুরআন কুকুর পোষাকে নেগেটিভ অর্থে বর্ণনা করেনি। ইন্টারেস্টিং না?
হাদিসে আছে "সেই ঘরে ফেরেস্তা প্রবেশ করবে না, যে ঘরে ছবি এবং কুকুর থাকে।"
এবং তারপর স্কলাররা নানান কন্ডিশন দিয়ে দিয়েছেন কুকুর পোষার ব্যাপারে।
তবে এই হাদিসের পেছনের সংক্ষিপ্ত ঘটনা হচ্ছে, একবার নবীজির (সঃ) ঘরে ফেরেস্তারা আসছিলেন না। তারপরে দেখা গেল তাঁর ঘরে বিছানার নিচে কুকুরছানা ছিল। সেগুলো সরানোর পরেই ফেরেশতারা ঘরে প্রবেশ করেন।
কুকুরছানাগুলো কার ছিল জানেন? হাসান(রাঃ), হোসেনের(রাঃ)।
ব্যস, এই পর্যন্ত পড়েই লোকজন বিরাট আলেম হয়ে যান। শুরু করে দেন কুকুর নিধন। দেশে লাঠির আঘাতে ঘুমন্ত কুকুর হত্যার ভিডিও করা হয়। জীবিত কুকুরকে বাচ্চাকাচ্চাসহ কবর দেয়ার ভিডিও করা হয়। কুকুরের গায়ে কেরোসিন ঢেলে তার শরীরে আগুন জ্বেলে পৈশাচিক আনন্দলাভ করা হয়। রেস্টুরেন্টের বাইরে ক্ষুধার্ত কুকুরের গায়ে গরম ভাতের মাড় ঢেলে তার শরীর ঝলসে দেয়া হয়। তবুও পেটের দায়ে সেই অবলা প্রাণী বারে বারে এখানে ওখানে গিয়ে করুন চোখে তাকিয়ে থাকে।
ফেরেশতা প্রবেশ নিয়ে আরেকটি সহীহ হাদিসের উল্লেখ করি।
নবীজি (সঃ) তখন মাত্রই মদিনায় হিজরত করেছেন। এক ব্যক্তির বাড়িতে আতিথ্য গ্রহন করেছেন। লাঞ্চের সময়ে সেই ব্যক্তি তাঁকে খাবার পাঠিয়ে দেন, এবং দেখেন যে নবীজি (সঃ) পেঁয়াজ-রসুন ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। আনসার ভদ্রলোক খুবই কৌতূহলী হয়ে জানতে চান, "ইয়া রাসূলাল্লাহ (সঃ)। তাহলে কী আজ থেকে পেঁয়াজ রসুনও হারাম হয়ে গেল?"
রাসূলাল্লাহ (সাঃ) উত্তরে বলেন, "আমি যাদের সাথে কথা বলি, তোমাদের তাঁদের সাথে কথাবার্তা বলতে হয়না।"
মুখে পেঁয়াজ-রসুনের গন্ধ থাকলেও ফেরেস্তারা কাছে আসেন না। তাঁদের সেইরকম শুচিবাই স্বভাব। তাহলে আনট্রেইন্ড ডগ্স বাড়িতে থাকলে, যেখানে কুকুর এখানে ওখানে পায়খানা করে ফেলে, ফেরেশতারা আসবে কিভাবে? সহজ লজিক।
কিন্তু একই সাথে যুক্তি উঠে, বিদেশে যেমন কুকুরকে মানুষের চেয়েও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হয়, সেক্ষেত্রে ফেরেশতাদের এক্সকিউজ কী? বিশেষ করে এখানে সার্ভিস ডগ যারা ব্যবহার করেন, যেখানে অন্ধ বা অতিরিক্ত বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের যাবতীয় গৃহকর্মের জন্য ট্রেন্ড কুকুর ব্যবহার করতে হয়, যে কুকুর (অসম্ভব বুদ্ধিমান শ্রেণীর কুকুর এরা) তাঁদের এটা ওটা আনতে সাহায্য করে, এমনকি তাঁদের নিয়ে বাথরুমও করিয়ে আনে, সেক্ষেত্রে তাঁরা কী করবেন?
এই ব্যাপারটি গ্রে এরিয়ায় ফেলে দিল না ব্যাপারটিকে?
বিশ্বাস করেন, অ্যামেরিকায় কুকুর পালা মানুষ পালার চেয়েও এক্সপেন্সিভ। একটা কুকুরের পেছনে এখানে সপ্তাহে দুই তিনশো ডলার পর্যন্ত আরামসে খরচ হয়ে যায়, আমার নিজের পেছনেও তার অর্ধেক বা পৌনে অংশও খরচ হয়না। এখানকার কুকুরগুলো মরে যাবে, কিন্তু তবুও ঘরের ভিতরে পেশাব পায়খানা করবে না। কুকুরদের জন্য আলাদা ডগ পার্ক আছে। কুকুরদের বিউটি পার্লারও আছে, ডগ গ্রূমিং বলে, ওদের আলাদা হোটেলও আছে। বেবি সিটিংয়ের মতন পেট সিটিংও আছে। এখানকার "কুকুরদের" লাইফস্টাইল দেখলে অনেকেই আফসোস করতে পারেন এই ভেবে যে ক্যান অ্যামেরিকান কুত্তা হয়া জন্মাইলাম না!
তো - আমি এই ব্যাপারে এক্সপার্ট না অবশ্যই। এবং ইসলামে ফতোয়া দেয়া এতটাও সহজ না। বিশ্ববিখ্যাত এক স্কলারকে আমার এক ভাবি জিজ্ঞেস করেছিলেন কুকুর পোষা নিয়ে এখনকার জীবনের প্রেক্ষাপটে ইসলামিক আইন কী? উত্তরে সেই স্কলার বলেছিলেন, "আমি এই বিষয়ের এক্সপার্ট নই। আপনাকে বরং আমি আরেকজনের ফোন নম্বর দেব, তিনি এই স্পেসিফিক বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন।"
আগেও বলেছি, ফিক্হ ব্যাপারটা অনেক জটিল একটি বিষয়। একটা হাদিস randomly pick করে আমি আইন জারি করে দিলাম, এতটা সহজ হলেতো হতোই। কোন ফতোয়া জারির আগে সেই স্পেসিফিক টপিক নিয়ে হাদিস কুরআন নবীর জীবনী, সাহাবাদের জীবনী ঘাটাঘাটি করে ফালাফালা করে ফেলতে হয় - তারপর অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা করে তারপর ইমপ্লিমেন্ট করতে হয়। বৃষ্টির দিনে ছাতি মাথায় তামুর ভাইয়ের কুকুরকে উত্যক্ত করা ভদ্রলোক(?!) কয়টা হাদিস ঘাটাঘাটি করেন? তিনি কী এইটা জানেন না যে একটি তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি খাওয়ানোর পুণ্যে আল্লাহ একজনের বিগত জীবনের যাবতীয় পাপ মাফ করে দিয়েছিলেন? আবার একটি ঘুমন্ত বেড়ালকে বিনা কারনে লাথি মারার গুনাহ তার অতীত জীবনের যাবতীয় পুণ্যের চেয়েও ভারী হয়ে গিয়েছিল? ক্লাস সেভেনে থাকতে ধর্মশিক্ষা বইয়ে একটি সহীহ হাদিস পড়েছিলাম, "যাবতীয় সৃষ্টি আল্লাহর আপনজন।"
জ্বি, বিনা কারনে একটি পিঁপড়ার প্রাণ নেয়ারও অধিকার আপনার নেই। এতে আল্লাহর আপনজনকেই হত্যা করা হবে।
সুলায়মান (আঃ) আল্লাহর এত বড় নবী হবার পরেও পথ চলার সময়ে নিচের দিকে তাকিয়ে হাঁটতেন, তাঁর পায়ের নিচে না পিষ্ট হয়ে একটি পিঁপড়া প্রাণ হারায়! উমার (রাঃ) তামাম মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা হবার পরেও প্রতিবার মোনাজাতের সময়ে হাউমাউ করে কাঁদতেন। আমরা মোটামুটি সবাই জানি যে উমার (রাঃ) অন্যায়ের বিরুদ্ধে কতটা কঠোর শাসক ছিলেন, তাঁর ভয়ে সাহাবীরা পর্যন্ত তটস্থ থাকতেন, সেই উমারকে (রাঃ) প্রতি মোনাজাতে এইভাবে কাঁদার কারন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন, "আল্লাহ যে আমাকে এত বড় দায়িত্ব দিয়ে কী কঠিন পরীক্ষায় ফেলে দিলেন! আমার অধীনে একটি কুকুরও যদি না খেয়ে মারা যায়, আমাকেতো সেজন্যও আল্লাহর দরবারে জবাবদিহি করতে হবে। আমি সেদিন কী জবাব দেব?"
হজরত উমারের যেখানে একটি কুকুরের অনাহারে মৃত্যুর আশংকায় রাতের ঘুম হারাম হয়ে যেত, সেখানে আমাদের দেশে চৌদ্দটা অবলা নিরীহ কুকুরকে (যার বেশিরভাগই ছানা) জীবিত কবর দিয়ে ভিডিও করা হলো। আমাদের শাসকদের মন্তব্য কী?
আমার এক বন্ধু বাংলাদেশে গেলে প্রতিদিন সকালে কুকুরের কান্নার শব্দে তাঁর ঘুম ভাঙতো। খোঁজ নিয়ে দেখে প্রতিবেশীর ছয়টা কুকুরের বাচ্চা আছে। এবং এই বাচ্চাগুলো এবিউজের মাধ্যমেই তাদের দৈনন্দিন যাত্রা শুরু হয়। বন্ধুটা সবকটা কুকুরের বাচ্চাকে নিজের কাছে নিয়ে আসলো, অ্যামেরিকায়তো আনতে পারবেনা, তাই ওগুলোকে দেশের কিছু প্রাইভেট গ্রূপ, যারা এনিমেল রাইট্স নিয়ে কাজ করে, তাঁদের হাতে দিয়ে আসলো। খুব অবাক হয়ে বলল, দেশে সরকারি পর্যায়ে কোন এনিমেল শেল্টার নেই!
"দেশের মানুষ যেখানে না খেয়ে মরে, সেখানে কুকুর নিয়ে আল্লাদি...." এইধরণের মন্তব্য শুনতে হয় প্রায়ই। আপনার পেটে খাবার জোটেনি, তাই বলে কে অধিকার দিয়েছে আপনাকে অন্য প্রাণীর উপর সেই শোধ তোলার? মহাত্মা গান্ধী বলে গেছেন, "কোন জাতির যদি স্বভাব জানতে চাও, তাহলে এইটা দেখ তাঁরা তাঁদের নিম্নশ্রেণীর প্রাণীর সাথে কেমন আচরণ করে।"
এখন বলেন, আমাদের স্বভাব অনুযায়ী আমরা কেমন জাতি?
কিছু প্রশ্ন দিয়ে শেষ করি।
দেশে এনিমেল রাইটস নিয়ে কোন আইন কী আছে? থাকলে সেটার লঙ্ঘনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী? যদি থাকে, তাহলে তার প্রয়োগ দেখিনা কেন? যদি না থাকে তাহলে কিভাবে আমরা আইনের জন্য দরখাস্ত করতে পারি? যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কিভাবে আকর্ষণ করা যাবে?
কুকুরগুলোকে জীবিত কবর দেয়ার ভিডিওটা আমি দেখিনি। সার্চ করলেই খুঁজে বের করতে পারবো, দেখলে গা শিউরেও উঠবে। কিন্তু আপলোডকারীওতো এটাই চাইছিল। তার ভিডিও যেন বেশি বেশি মানুষ দেখে। ইউটিউব তাহলে তাকে টাকা দিবে। পয়সা না পেলেও সে ফেসবুক সেলিব্রেটিতো হবেই। তার ভিডিওতে প্রচুর লাইক, ডিসলাইক ও কমেন্টের ছড়াছড়ি হবে।
আর তাছাড়া মানুষের এই পৈশাচিক বর্বরতা দেখতে ইচ্ছেও করেনা। আমরাই সৃষ্টির সেরা জীব, এই ধারণা নিয়ে আমরা একটা বাবলের মধ্যে বাস করি। কী দরকার সেই বাবল ফুটা করে?
মৃত্যুর পরে আল্লাহ অবশ্যই আমাকে জিজ্ঞেস করবেন, "তুমি এই অন্যায় ঘটনা হতে দেখেছিলে, কিংবা শুনেছিলে। তুমি তখন কী করেছিলে?"
আমি যেন বলতে পারি আমার ক্ষমতার যেটুকু সম্ভব আমি করেছি।
আল্লাহ বলতে পারেন, তোমার আরও কিছু করার ক্ষমতা ছিল।
আমি বলবো, আমি হয়তো বুঝতে পারিনি ইয়া আল্লাহ। আমাকে আমার অক্ষমতার জন্য মাফ করো।
কিন্তু মৃত্যুর আগে, আজকে বলছি, ইয়া আল্লাহ তোমার কাছে বিচার দিলাম, তোমার সৃষ্ট অবলা প্রাণীগুলিকে যারা বিনা অপরাধে কষ্ট দেয় - হয় তুমি তাদের হেদায়েত দাও, নাহয় এমন কঠিন কোন শাস্তি দাও যেন তাদের আশেপাশের লোকেরা এইরকম অন্যায় করবার আগে একশোবার চিন্তা করে।
খুবই কঠিন একটি দোয়া করলাম। এর আওতায় আমিও পরে যেতে পারি। যদি তাই হয়, আল্লাহ যেন আমাকে এতটুকু সাবধানতা দান করেন যাতে আমার জানা মতে আমি বা আমার পরিবারের লোকজন, বা আমার বন্ধুবান্ধব আত্মীয়স্বজন প্রতিবেশীদের কেউই অবলা নিরীহ কোন প্রাণীর প্রাণনাশের কারন না হই।
বিঃদ্রঃ তামুর ভাই তাঁর কুকুরদের কতটা ভালবাসেন সেটা তাঁর "বিকু"কে নিয়ে লেখা ঘটনাতেই টের পাবেন। আমি বরং আমার একটা ইন্টারেস্টিং অব্জার্ভেশনের কথা বলি। রাঙামাটিতে যেদিন পাহাড় ধস হলো, রাত তিনটার সময়ে এই বিকুর চিৎকারেই আমাদের ভাবি ঘুম থেকে উঠে গিয়েছিলেন। তারপর দেখেন বাড়ি পানিতে ভেসে যাচ্ছে। এবং জেগে উঠেছিলেন বলেই তিনি সময় মতন নিজের বাচ্চাকাচ্চা এবং বিড়ালের ছানাপোনাসহ সবাইকে নিয়ে জীবিত ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে পেরেছিলেন। তাঁদের বাড়ি কিন্তু মাটিচাপা পরে গিয়েছিল। তাঁরা আল্লাহর সৃষ্ট একটি প্রাণীকে ভালবেসেছেন, হাদিস মতে যারা আল্লাহর আপনজন, সেই প্রাণীই ভয়াবহ দুর্যোগে তাঁদের প্রাণ রক্ষার উসিলা হলো।
জ্বি, আল্লাহ এভাবেই তাঁর খেলা খেলেন। কারোর প্রাণ রক্ষা এইভাবে যেমন হয়, কারোর প্রাণহরণও তেমনভাবেই হতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪১
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সী পার্ল এবং চারপাশ

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৪


খুব ভোরে ঘুম ভাঙ্গল। সূর্য তখনও জাগেনি। ব্যালকুনিতে গিয়ে বসলাম কিছুক্ষন। সামনে সাগর আপনমনে ঢেউ তুলে নাচছে। একজন মানুষও নাই সাগরপাড়ে। এমন নিরিবিলি সাগরপাড়ই চেয়েছিলাম। যেখানে পুরোটাই আমার থাকবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয়

লিখেছেন এমএলজি, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪০

= ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয় =

বিশ্বখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি এনভিডিয়া (NVIDIA)-তে কর্মরত, বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তরুণ বিজ্ঞানী ড.... ...বাকিটুকু পড়ুন

জলসার আসর

লিখেছেন নিচু তলাৱ উকিল, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

রঙ্গিন শহররের বুকে তাম্বু টাঙিয়ে বসিয়েছি জলসার আসর।
ধর্মীয় বয়ানের ফাঁকে;
গলির মাথায় বেজে উঠছে উলুধ্বনি।
এদিকে তুমি আর আমি ডুবে আছি কলকির ধোঁয়ায়।
নোনতা ঘামের ব্যবচ্ছেদে পুটিমাছের বুক চিরে মেখে দিয়েছি পাঁচ প্রহরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ শেষ জীবনে

লিখেছেন সামিয়া, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯



ঘুমিয়ে থাকা একজন মানুষ কখনো কখনো জেগে থাকা একজন মানুষের চেয়ে অনেক বেশি ভালো থাকতে পারে? কথাটা শুনতে অদ্ভুত। কিন্তু বয়স হলে মানুষ অনেক অদ্ভুত কথাই বিশ্বাস করে চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতি পদে আনভীর সোবহানকে দেখতে চাই।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২


সায়েম সোবহান আনভীর। এক বিশাল বিজনেস টাইকুন, বসুন্ধরা গ্রুপের যোগ্য কান্ডারী। আহা, কী তার ব্যক্তিত্ব! দেখতে যেমন সুন্দর, চরিত্রও যেন মাশাআল্লাহ্ ফুলের মতো পবিত্র। আর বসুন্ধরা গ্রুপের কথা তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×