somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন মতন হলে ভাল, আর যদি মন মতন না হয়, তাহলে আরও ভাল।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অমিতাভ বচ্চন তখন স্কুলের ছাত্র। স্কুলের নাট্যদলের তিনি তুখোড় অভিনেতা, আগের বছরই সেরা অভিনেতার ট্রফিটি তিনি পেয়েছেন। এইবছরও তিনিই পাবেন এই ব্যাপারে তিনি মোটামুটি নিশ্চিত।
নাটক মঞ্চস্থ হবার আগের দিন তিনি অসুস্থ হয়ে স্কুলেরই হাসপাতালে শয্যাশায়ী হলেন। এবং তাঁর বিছানা এমন জায়গায় ছিল যে মঞ্চে কী ঘটছে না ঘটছে, দর্শক প্রতিক্রিয়া সবই স্পষ্ট শোনা যায়। একটি শিশুর জন্য ব্যাপারটি কতখানি মর্মবিদারক কল্পনা করতে পারেন?
প্যারেন্টস ডেতে নাটক মঞ্চস্থ হয়, তাঁর পিতাও এসেছেন পুত্রের সাথে দেখা করতে। নাটকের পুরোটা সময় পিতা পুত্রের শয্যাপাশেই ছিলেন। পুত্র নীরবে কেঁদেছে, পিতা তাঁর হাত ধরে বসেছিলেন। পুরো নাটক শেষ হবার পর তাঁর পিতা তাঁকে একটি কথা বলেন, যেটি অমিতাভ বচ্চন তাঁর সিনেমায়, বাস্তব জীবনে বহুবার ব্যবহার করেছেন। তাঁর পিতা সেদিন বলেছিলেন, "মন মতন হলে ভাল, আর যদি মন মতন না হয়, তাহলে আরও ভাল।"
পিতা ভারতখ্যাত কবি ছিলেন। কিন্তু তাঁর ভাষা তাঁর অতটুকু পুত্র বুঝতে পারেনি। শিশু অমিতাভ পিতাকে জিজ্ঞেস করেন, "কথাটা বুঝলাম না। মন মতন না হলে আরও ভাল কিভাবে হয়?"
পিতা ব্যাখ্যা করলেন , "তুমি তোমার মনের মতন কিছু পেয়ে গেলেতো খুবই ভাল, কিন্তু যদি সেটা না পাও, তাহলে মনে রেখো, সেটা ঈশ্বরের মন মতন ঘটছে, এবং ঈশ্বর কখনই তোমার মন্দ চাইবেন না।"
অমিতাভ বচ্চন রেডিও অডিশনে ফেল করেছিলেন, জীবনের প্রথম দিককার সব ছবিই ফ্লপ ছিল, ব্যর্থ মনোরথে তল্পিতল্পা গুটিয়ে বোম্বে থেকে ফেরত যাচ্ছিলেন। ট্রেন স্টেশনে তিনি জাঞ্জির সিনেমার প্রস্তাব পান। এবং বলিউডে নতুন ইতিহাস রচিত হয়। পরমেশ্বর চাইছিলেন তিনি "অ্যাংরি ইয়াং ম্যান" হবেন, তিনি লুতুপুতু মার্কা সিনেমায় নাম কামালে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতো?
হরিবংশ রাই বচ্চনের সেই বিখ্যাত উক্তিটাই কুরআন শরীফের সূরা বাকারায় আছে, "তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না।"
কেন এত কথা বললাম সেটার কারন হচ্ছে আজকে প্রথম আলোয় একটা নিউজ হেডলাইন দেখলাম, "তরুণীর বিয়ে, তরুনের আত্মহত্যা।" হেডলাইন শুনেই বুঝা যাচ্ছে ঘটনা কী, কাজেই বিস্তারিত লেখার কিছু নেই। কিছুদিন আগে ফেসবুকে পোলাপান খুব লাফালাফি করলো কোন এক আহাম্মক প্রেমের প্রস্তাবে রিজেক্টেড হয়ে নিজের পিরিতি জাহির করতে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় ফেসবুকে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে নিজের আবেগ। এতে আহ্লাদে গদগদ হয়ে অনেকেই বলেছে, "আহ কী কিউট! মেয়েটা কত লাকি! আমাকে যদি এমনভাবে কেউ ভালবাসতো!"
খুব কম মানুষ দেখলাম ব্যাপারটি যে একটি হ্যারাসমেন্ট ছাড়া কিছুই না, সেটা উপলব্ধি করেছেন।
বাংলাদেশী আইন ব্যবস্থায় সেই মেয়েটি ঐ ছেলের নামে মামলা ঠুকে দিতে পারতো। সেটিই উচিৎ ছিল। এইভাবে কোটি মানুষের সামনে তাঁকে অপমান করার মানে কী?
বিদেশী যেকোন মেয়েকে এই আহ্লাদীমার্কা গল্পটা শোনান, প্রথমেই সে বলবে, "ইয়ু.....He's a creepy dude!" তারপরেই বলবে, "এই পোলাতো একটা স্টকার, পুলিশে দেয়া উচিৎ।"
আমাদের দেশের বা বলিউডের সিনেমার প্রেমগুলোতে দেখায় বখাটে নায়ক নায়িকাকে উত্যক্ত করছে, মেয়েটা না করছে, এবং অবশেষে ছেলে এমন কিছু করে ফেলছে (রক্ত দিয়ে চিঠি, হাত কেটে ফেলা, আত্মহত্যার চেষ্টা করা ইত্যাদি) যেখানে মেয়েটি বুঝে যাচ্ছে এই ছেলেটিই তাঁর আসল প্রেমিক। তারপর হ্যাপিলি লিভ্ড এবার আফটার।
কিংবা বখাটে ছেলের সাথে ভাল মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে, এবং মেয়ে তাঁর আসল প্রেম দিয়ে বখাটেকে শুধরে ফেলছে।
কোন সিনেমায় দেখেছিলাম ধর্ষণ করে ফেলেছে নায়ক, এবং নায়িকা তাঁর ভালবাসা দিয়ে নায়ককে ভাল করে ফেলেছে।
একটি মেয়ে যখন না বলে দিয়েছে, প্রথম দুই একদিন সময় নিতে পারেন মেয়েটির মন জয় করতে। বোঝার চেষ্টা করুন কেন না করছে, যদি দেখেন মেয়েটি ভুল বুঝছে, তাহলেই কেবল সেটা ভাঙাবার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন মেয়েটি জেনুইন, তাহলে ভাই বুদ্ধিমান ভাল মানুষের মতন সরে পড়ুন। অন্য কাউকে খুঁজে বের করুন যে ওসব গুনের জন্যই আপনার কদর করবে।
ধরা যাক, আপনার ধুম্রপানের অভ্যাসেই মেয়েটির আপত্তি। ছেড়ে দিতে পারবেন সিগারেট? তাহলে আগে ছাড়ুন, মেয়েটিকে তখন বলুন এখন সিগারেট টানেন না। দেখুন সে তাঁর মত বদলায় কিনা।
কিন্তু আপনার সবকিছুতেই মেয়েটির আপত্তি। তাহলে ঐ মেয়ের পিছনে যাওয়া আপনার উচিৎ না। জেনুইন থাকুন, আপনার জন্যও কেউ না কেউ অবশ্যই আছে।
উদাহরণ দেই।
স্কুল বয়সে আমার এক বন্ধু এক মেয়ের প্রেমে পড়লো। উথাল পাথাল প্রেম! বন্ধুটি দেখতে নায়কের মতন না হলেও নিখাদ ভাল মানুষ, মেয়েটিকে জান প্রাণ দিয়েই ভালবাসতো। কিন্তু ঐ বয়সী মেয়েদের আবার প্রায়োরিটি লিস্ট ভিন্ন থাকে। মেয়েটির প্রেম যে ছেলেটির সাথে হলো সে নিজের গাড়ি ড্রাইভ করে আসে, মেয়েটিকে নিয়ে দামি রেস্টুরেন্টে খেতে যায়, বিদেশ থেকে আসার সময়ে দামি গিফট আনে, নোকিয়া ৩১০০ মোবাইল সেট পর্যন্ত কিনে দিয়েছিল সেই ছেলে! ভাবা যায়? আমরা প্রথম মোবাইল সেট পেয়েছিলাম এইচএসসি পাশের পরে, তাও বাড়ি ছেড়ে দূরে আসায় বাবা মা যাতে খোঁজ রাখতে পারেন সেজন্য কিনে দিয়েছিলেন।
আমার মধ্যবিত্ত বন্ধুর খুব বেশি হলে ঐ পার্কে গিয়ে বাদাম খাওয়া পর্যন্তই সামর্থ্য হতো।
নিজের অসহায়ত্বে বুক ভেঙে গিয়েছিল, খুব কষ্ট পেয়েছিল, কিন্তু আত্মহত্যা বা এসিড নিক্ষেপ জাতীয় কুবুদ্ধি তাঁর মাথায় আসেনি, আমরা বন্ধুরাও আসতে দিইনি। এখানে বন্ধুদের একটা বড় ভূমিকা থাকে। যেমন আমাদের স্কুল জীবনের এক হট কাপলের (আমাদের স্কুলের ব্র্যাঞ্জেলিনা ছিল তাঁরা) ব্রেকাপের অনেক বছর পরে মেয়েটির বিয়ে হয়, মেয়ের বিয়ের ছবি ফেসবুকে আপলোড হয়, এবং এক বন্ধু সেই প্রেমিককে ট্যাগ করে বলে, "কিরে, বুকে কষ্ট হচ্ছে খুব? দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে? হিহিহি।" বাকি সব ছেলে মেয়ে সেই পোস্টে কমেন্টের পর কমেন্ট, বুঝিয়ে দেয়া তুই কত বড় লুজার যে তোর প্রেমিকার বিয়ে অন্য ছেলের সাথে হয়ে গেছে। এইটা নাকি পচানি, ফ্রেন্ডশীপে এইসব চলে। এইসমস্ত পোলাপানকে থাপড়াতে ইচ্ছে করেনা? এরাই আবার নিজেদের বন্ধু দাবি করে! এদের কারণেই অনেক ক্ষেত্রে পরদিন পত্রিকায় সংবাদ শিরোনাম হয়, 'তরুণীর বিয়ে, তরুনের আত্মহত্যা।'
তা যাই হোক, বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠে এক মেয়ের সাথে আমার ঐ প্রথম বন্ধুর প্রেম হয়। এই মেয়ের প্রায়োরিটি লিস্ট হচ্ছে, ছেলের বেশি টাকা পয়সা থাকতে পারবে না। কারন সে দেখেছে, বড়লোকের ছেলেরা নষ্ট হয় দ্রুত। চেহারা ম্যাটার করেনা, কারন হ্যান্ডসাম পোলাপান লুইচ্চা হয়। ক্যারেক্টার হতে হবে নিখাঁদ। স্বামী যদি ভাল মানুষ হয়, তাহলে দশ নম্বর বাসে ধাক্কাধাক্কি করে চড়েও সে জীবন কাটিয়ে দিতে পারবে। লুইচ্চা স্বামীর মার্সিডিজ বেঞ্জে সে থুথু মারে।
ব্যস, মিলে গেল। ছেলেটা এখন সুখেই আছে। আর ঐ স্কুল জীবনের প্রেমিকা কেমন আছে সেটা ঐ মেয়েই ভাল বলতে পারবে।
আমার জীবনের ঘটনাও সংক্ষেপে বলে ফেলি।
আমি যখন আমার সহপাঠী মেয়েটিকে ভালবাসার কথা জানালাম, সে স্পষ্ট করেই বলে দিল তাঁর বাবা মা যদি রাস্তা থেকে একটা ছাগল ধরেও এনে বলেন বিয়ে করতে, ও বিয়ে করে ফেলবে।
আমি তখন তাঁর পাশাপাশি তাঁর বাবা মায়ের মন জয়ের চেষ্টা চালালাম। আমার শ্বাশুড়ির কোন এক বিচিত্র কারনে আমার উপর কনফিডেন্স ছিল। কোন কারনে তিনি ভরসা রেখেছিলেন আমার কথায়। আমাদের বিয়ে সম্ভব হয়েছিল মূলত তাঁরই প্রচেষ্টায়।
এদিকে আমাদের ক্যানভাসের বিখ্যাত লেখক তানকিউল ভাইয়ের জীবনের গল্পটাও বলার লোভ সামলাতে পারছি না।
এক আত্মীয়া মেয়ের সাথে তাঁর প্রেম হয়েছিল। দুয়েক মাসের মাথায় মেয়েটির বাড়ি থেকে তাঁর বাড়িতে সেই মেয়ের বিয়ের কার্ড আসে। বেচারা ভাঙা বুক নিয়ে সেই মেয়ের বিয়ে খেয়ে এসেছেন। আমি বলেছি অতি উত্তম করেছেন। প্রেমিকা মিস হয়েছে এটাই একটা লস, রোস্ট মিস করে ক্ষতির পরিমান আরও বাড়াবেন কেন?
বিদেশে আসলে বুঝবেন দেশি বিয়েবাড়ির মুরগির রোস্ট কতটা অমৃত। তানকিউল ভাই এইবার নিউ ইয়র্কে আমাদের সেই দেশি রোস্ট খাইয়েছেন। আহ! I love this man!
তো যা বলছিলাম, মেয়ে যদি নিষেধ করে দেয়, হুদাই ছ্যাবলামি করে বেড়াবেন না। মেরুদন্ড শক্ত করেন, চেষ্টা করেন তাঁর চেয়েও ভাল মেয়ে খুঁজে বের করে গলায় মালা পড়াতে। কিংবা আপনার যেসব "গুণাবলীর" জন্য মেয়েটি আপনাকে ছেড়েছে, সেসব শুধরে আরও ভাল মানুষ হতে। যতদিন না পারছেন, ততদিন কেবল একটি কথা মনে রাখবেন, "মন মতন হলে ভাল, আর যদি মন মতন না হয়, তাহলে আরও ভাল।"
কিংবা, আল কুরআনের সেই বিখ্যাত বাণী, "তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না।" (বাকারা, ২১৬)
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৬
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মানবতা, সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে জাতীয় কবি নজরুলের চিরন্তন আহ্বান

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০৪

বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি একই সঙ্গে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংগীতজ্ঞ, দার্শনিক ও সমাজসংস্কারক। তাঁকে শুধু “বিদ্রোহী কবি” বললে তাঁর পরিচয় সম্পূর্ণ হয় না;... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth- তবে কি আমরা মহাবিশ্বের ভৃত্য?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

Humans are not from Earth: A Scientific Evaluation of the Evidence বইটির লেখক ডক্টর এলিস সিলভার (Dr. Ellis Silver)-এর ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবন নিয়ে মূলধারার তথ্যমাধ্যমে এক ধরনের রহস্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×