somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আমার ভুল হয়ে গিয়েছিল, আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম, আমার পরিবারের কারনে আসতে পারিনি" ইত্যাদি বাহানায় কাজ হবে?

০৬ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১০:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা বলছেন এই আন্দোলনে মামা'স বয়, ড্যাডি'স বয়রা পারিবারিক চাপের কারনে নামতে পারেনি, ওদের জন্য একটা উদাহরণ দেই।

আমাদের নবীজির (সঃ) জন্ম হয়েছিল মক্কার শ্রেষ্ঠ বংশ কুরাঈশীদের শ্রেষ্ঠ গোত্র হাশেমী পরিবারে। শুধু পারিবারিক পরিচয়েই তিনি আরব সমাজে অনেক ফায়দা তুলতে পারতেন। কারন সেই সমাজে গোত্রীয় পরিচয়ই ছিল সব সম্মানের প্রধান শর্ত। সনাতন ধর্মে যেমন বামুনের ছেলের কোন দোষ ধরা হয়না, অন্যদিকে শূদ্রের ছেলে মহাবীর কর্ণ হলেও রাজকন্যা দ্রৌপদীর হাত পেতে পারেনা। সে সমাজে শূদ্রের স্থান নেই। ওরা অচ্ছুৎ।
অথচ তিনিই (সঃ) কিনা প্রচার শুরু করেন "মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ নেই। কুরাইশী আরব ও আফ্রিকার কালো ক্রীতদাসে কেউ ছোট বড় নয়।" ব্রাক্ষ্মণ-চণ্ডালে কোন পার্থক্য নেই।
এ ছিল নিজের বিরুদ্ধে গিয়ে সত্যের পথে দাঁড়ানো।
শুধুমাত্র এই কারণেই আরবের বহু সম্মানিত শক্তিশালী দাম্ভিক নেতা ইসলাম গ্রহণ করতে রাজি হয়নি। তাঁর চাচা আবু লাহাব ছিল তাঁর প্রধান বিরোধী।
ওদের ভাষায় "তুমি চাও লোকে বলুক কুরাইশী আরব আর এই বিলাল (রাঃ) একই মর্যাদার অধিকারী? ওরা একই আসনে বসে খায়? না ধন্যবাদ, তোমার ধর্ম তোমার কাছেই রাখো।"
এমনও প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল যে "আমরা তোমার ধর্ম গ্রহণ করবো, শুধু এই ব্যাপারটা নিশ্চিত করো যে আমরা যখন কোন মিটিংয়ে আসবো, এই ক্রীতদাসগুলো তখন আমাদের পাশে বসতে পারবে না।"
তখনকার আরবের সামাজিক প্রেক্ষাপটে খুবই যৌক্তিক প্রস্তাব।
হজরত উমর (রাঃ) সহ বহু সাহাবী নবীজিকে (সঃ) এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু আল্লাহ নির্দেশ দেন যদি তিনি (সঃ) এই কাজ করেন, তবে তিনি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
ব্যস, নিজের পরিবার, নিজের সমাজ, নিজের আত্মীয় বন্ধুবান্ধবদের বিরুদ্ধে গিয়েও আমাদের নবীজি (সঃ) ঐ হাবশী ক্রীতদাসদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হননি।

শুরুতে অনেক কষ্ট হয়েছিল, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা, অপমান সহ্য করতে হয়েছিল। যারা তাঁর দিকে চোখ তুলে তাকানোর যোগ্যতা রাখতো না, ওরাই তাঁর (সাঃ) মুখে থুথু ছিটিয়েছে। তাঁর (সাঃ) জীবনের শত্রু বনে গিয়েছিল। নিজের বাড়ি ঘর শহর ছেড়ে নিঃস্ব অবস্থায় ভিনদেশে যেতে হয়েছিল। তবু তিনি (সাঃ) ন্যায়ের পথ থেকে এতটুকু বিচ্যুত হননি।
তখন যারা তাঁর (সাঃ) সঙ্গী ছিলেন, তাঁদের আর তাঁর (সাঃ) মক্কা বিজয়ের পরের সঙ্গীদের তুলনা কি চলে?

আল্লাহ নিজেই মুহাজিরদের সম্মান আনসারীদের উপরে রেখেছেন। ইসলাম অনুযায়ী সাহাবীদের মধ্যেও শ্রেষ্ঠ অবস্থান তাঁদের যারা বদর যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, এবং যারা একদম শুরুর দিকে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
তা তাঁর(সাঃ) থেকে আমরা শিখলাম যে ন্যায়ের জন্য নিজের পরিবার, আত্মীয় স্বজনদের বিরুদ্ধে যেতে হলেও যাওয়া উচিত। এবং কোন অবস্থাতেই জালিমদের পক্ষে থাকা চলবে না।

শুরুতে ঢাবির ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন করেছে। সরকার থেকে হুমকি দেয়া হয়েছে ওদেরকে দেখে নিবে। গুন্ডালীগের নেতা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে ওরা ক্যাম্পাস থেকে ওদের তাড়িয়ে দিবে। পুলিশ অস্ত্র হাতে গুন্ডাদের সাথে যোগ দিয়েছে। গোটা দেশ তখন তাকিয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসের দিকে। জালিম সরকারের বিরুদ্ধে একা দাঁড়িয়ে তখন ঢাবির গুটিকয়েক ছাত্রছাত্রী। নিরস্ত্র।

সবাই চাইলেই চুপ করে তামাশা দেখতে পারতো। সেটা না করে এগিয়ে এলো গোটা বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ। প্রথমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, তারপরে প্রাইভেট। এসপার ওস্পার কিছু একটা এইবার হয়েই ছাড়বে। অনেক মরেছি, আর মরতে রাজি না।
এরপরের ইতিহাস আমরা সবাই জানি।
ওরা যত মেরেছে, আন্দোলনকারীর সংখ্যা ততগুন বেড়েছে। ছাত্রলীগ নেমেছে, লীগের যাবতীয় গুন্ডাবাহিনী নেমেছে, পুলিশ নেমেছে, আর্মি নেমেছে - হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুটেছে, চুতিয়ালীগ ফেসবুকে ও অনলাইন ব্লগিংয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে, ছাত্রলীগের হাতে বন্দুক, শটগান, রামদা ইত্যাদি দেখেও চোখ বন্ধ করে জালিমের পা চেটে বলেছে "এই দেখুন মেধাবী ছাত্রদের হাতে লাঠি, ওরা সন্ত্রাসী" - তবু ওরা ঘরে ফিরেনি।
এক মা পানির বোতল হাতে নেমে বাচ্চাগুলোর হাতে চুমু খেয়ে দোয়া করে বলেছে "বয়সের কারনে আমি কিছু করতে পারছি না।" কিন্তু অন্তর থেকে দোয়া করেছেন।
পুলিশ ছেলেকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে, মা সেই ছেলের পিঠ চাপড়ে বলেছে ভয় না পেতে। আমরা বইয়ে রুমির মা, আজাদের মায়েদের গল্প পড়েছি, আমরা চোখের সামনে তাঁদের দেখলাম।
আমরা রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের গল্প পড়েছি। এইবার ওদেরও দেখলাম। শুয়োরের পাল ঘোৎ ঘোৎ করে হুমকি দিচ্ছিল সিদ্ধ ডিম থেরাপি দেয়া হবে, একেকটাকে দেখে নেয়া হবে, পিটিয়ে রাজপথ পরিষ্কার করা হবে, প্রবাসীদের এয়ারপোর্টে দেখে নেয়া হবে ইত্যাদি।

বাংলাদেশ তখন দুই ভাগে বিভক্ত। হয় আপনি জালিমের পক্ষে আছেন, নাহয় বিপক্ষে। নিরপেক্ষতার কোনই সুযোগ ছিল না।

আমি আম্মুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যদি এখন আমরা সব ভাইবোন দেশে থাকতাম, আমাদের পথে নামতে দিতা?
আমার ইউনিভার্সিটিতে রক্ত ঝরেছে, আমাকে নামতেই হতো। তবু যুদ্ধে যাওয়ার আগে মায়ের অনুমতি নেয়া উচিত। হাজার হোক, আমাকে দুনিয়ায় এনেছেন তিনি।
আম্মু জবাবে বলে, "কেন দিব না? আমি নিজেইতো নামতাম।"
আম্মুরা এরশাদ পতনের সময়েও পথেই ছিল। আমাদেরকে সেই স্বাধীনতার স্বাদ পেতে দিবে না?

হ্যা, বিদেশে থাকি বলে কিছুটা এডভান্টেজ অবশ্যই পাই। কিন্তু আমার বাড়ি ঘর, আত্মীয়স্বজনতো দেশেই থাকে, নাকি? সরকার চাইলেই অনেককিছুই করতে পারে। ওদের পা চাটা লোকের সংখ্যা বিদেশেওতো কম না। এইসব লেখালেখির ফলে কতজনের যে হুমকি ধামকি আসে, শুভাকাঙ্খীদের পরামর্শ আসে, "এতটা raw ভাবে লিখো না, কিছুটা সুগারকোটিং করো।"
কিন্তু আমি যে জালিমের পক্ষ নিতে ভয় পাই!
জীবনে অনেক ছোট বড় পাপ করেছি, কিন্তু জালিম হওয়ার পাপ থেকে আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। দুনিয়ায় এরচেয়ে বড় পাপ নেই। এই একটা পাপ আল্লাহ কখনই ক্ষমা করবেন না। মজলুমের অভিশাপ বড় কঠিন! চোখের পলকেই কাউকে পথে নামিয়ে দিতে পারে, সবাই নিজের চোখেইতো দেখলাম।

তা এমন উত্তপ্ত সময়েও অনেকে বলেছে "আসলে, আব্বু নিষেধ করেছে, আম্মু মানা করেছে, তাই আমি নামি নাই। আমার পারিবারিক প্রেশার ছিল। নাহলে আমার ইচ্ছা ছিল পাশে থাকার।"
তা অন্যদের বাবা মা কি বাবা মা না? অন্যদের পরিবার ছিল না? অন্যদের বিপদের শংকা ছিল না? আমাদের নবীজির (সঃ) জীবনের শিক্ষা হচ্ছে সবার আগে জুলুমের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল সজীব ওয়াজেদ জয়ের। ওর বলা উচিত ছিল "এই কাজটা করোনা মা।"
তারপরে প্রতিবাদ করা উচিত ছিল আওয়ামীলীগের নেতাদের। ওদের উচিত ছিল বলা "আপা, এইভাবে নিজের দেশের বাচ্চাদের উপর গুলি চালানো ঠিক হবেনা। ওদের সাথে আলোচনায় বসুন।"
তা না করে কিছু বরাহ শাবক বলেছে ওরা নাকি ড্রাগস খেয়ে রাস্তায় নেমেছিল। নাহলে পুলিশের বন্দুকের সামনে এইভাবে দাঁড়ানোরতো কথা না।
চিন্তা করতে পারেন? এই শুয়োর কি বলতে চায় গোটা মুক্তিযুদ্ধই হয়েছিল ড্রাগসের উপর? ওরাতো মেশিনগানের সামনে দাঁড়িয়েছিল।
মাশরাফি, যাকে দেশপ্রেমের আইডল মানা হতো, মাথায় পতাকা বেঁধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কত কথা যে বলতো, যাকে আধুনিক মুক্তিযোদ্ধা বলা হতো, ওর উচিত ছিল জুলুমের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা। পদ যাবে? গেলে যেত। ভাগ্যে না থাকলে এমনিতেও যাবে, ভাগ্যে থাকলে কারোর বাপের সাধ্য নেই সেটা কেড়ে নেয়ার। আফসোস! মাশরাফি-সাকিবরা বুঝলো না। পদতো গেলই, সম্মানও গেল। ভালবাসার "ক্যাপ্টেন" হয়ে গেল "দালাল ম্যাশ!" এরচেয়ে সেই পদ ছেড়ে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ালে আজকে হয়তো ওকেই তত্বাবধায়ক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া হতো।
পারিবারিক/সামাজিক দোহাই দিয়ে লাভ নাই।

সরকারি বাহিনী বন্দুক তাক করেছিল ছাত্রদের দিকে, ওরা তখনও জোরালো স্লোগান দিয়েছে। ওদের দরকার ছিল জনতার ভিড়। একশোজনের দিকে যত সহজে পুলিশ-মিলিটারি বাহিনী বন্দুক তাক করে দাঁড়াতে পারে, দশ হাজার জনের বিরুদ্ধে পারেনা। প্রমান আমরা দেখেছি, পাবলিকের দাবড়ানি খেয়ে বাংলাদেশ মিলিটারি ওদের ট্রাক ভর্তি সিপাহী নিয়ে দৌড়ে পালিয়েছে।
আমি আপনি রাস্তায় নামলে যে ইম্প্যাক্ট পড়ে, গন্যমান্য কেউ পথে নামলে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পুলিশও ভিআইপি বা সেলিব্রেটিদের দিকে গুলি চালাতে কয়েকবার চিন্তা করে।
ছাত্ররা রাস্তায় রাস্তায় গিয়ে বাড়িতে বসে থাকা মানুষের দিকে আহ্বান করছিল "আপনারা নেমে আসেন। আমাদের আপনাদের প্রয়োজন আছে। আজকে না হলে আর কখনই না।"
এই সময়েও অনেকে আসেনাই। পরিবারের দোহাই দিয়েছে। জালিমের জুলুমের দোহাই দিয়েছে।
বেরিয়েছে কখন?
যখন মোটামুটি নিশ্চিত যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করতে চলেছেন। বিপদ কেটে গেছে।
অনেকে তখনও নামেননি। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে বিদায় নেয়ার পরে ওরা পথে নেমে বিজয় মিছিল করেছে।

এখন বলেন, যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, সেই ঢাবি ক্যাম্পাসের দিনগুলোয়, যখন বাচ্চাগুলো গুণ্ডাবাহিনীর হাতে মার খাচ্ছিল, ওদের সমান কি এরা কখনও হতে পারবে?
"আমার ভুল হয়ে গিয়েছিল, আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম, আমার পরিবারের কারনে আসতে পারিনি" ইত্যাদি বাহানায় কাজ হবে? গর্ত থেকে বেরিয়ে এখন ক্রেডিট নিতে আসবে কেন? ওদের ছাড়াই যখন বিজয় এসেছে, ওদের ছাড়াই সামনে এগোনো যাবে। দলে মুনাফেক নিতে নেই। আমাদের নবীজি (সঃ) আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইকে (রাঃ) ওহুদের ময়দানে নিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে সে নিজের দল নিয়ে সরে পড়ে। সিরাজুদ্দৌলা মীর জাফরকে নিয়েছিলেন। ওর কারণেই তরুণ নবাব যুদ্ধে হারে। ইতিহাস থেকে শেখা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১০:২০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মসজিদে ইমামতি করা, আযান দেয়া, কুরআন শিক্ষাদান করা কিংবা সাধারণভাবে দ্বীন প্রচারের কাজে বিনিময়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তরের ইতিহাস অন্য কিছুর সঙ্গে মিলবে না, সত্যিই?

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একাত্তর কখনো অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীনতা বলতে আপনি কি বুঝেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৩


২০২৩ সালের কথা। আমরা কয়েকজন মিলে অনলাইনে একজন ইংরেজি স্যারের কাছে কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। একদিন ক্লাস চলছে, স্যার হঠাৎ বই থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা ছোটবেলায় যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৪

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১৪



বিশেষ দিন গুলো শাহেদ জামালের জন্য কষ্টকর।
যেমন ইদের দিন শাহেদ কোথায় যাবে? কার কাছে যাবে? তার তো কেউ নেই। এমনকি বন্ধুবান্ধবও নেই। তার এমন'ই পোড়া কপাল মেসেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×