somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংসদে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল উত্থাপন

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে
বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা আইনপ্রণেতাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক 'সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) আইন-২০১৪' বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি যাচাই-বাছাই করে সাত দিনের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। উত্থাপিত বিলে ১৯৭২-এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিলে বিচারকদের বয়স ৬৭ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে ৩৬ বছর পর বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা ফিরে পাবে জাতীয় সংসদ। সংসদের বাইরে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, আইনজীবী সংগঠন, অভিজ্ঞ আইনবিদ ও সুশীল সমাজের তীব্র বিরোধিতার মুখে বহুল আলোচিত এই সংবিধান সংশোধনী সংসদে উত্থাপিত হলো। বিল উত্থাপনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় '৭২-এর সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে গেলে ঝুঁকির মুখে পড়বে বিচার বিভাগ। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সংবিধানের এই সংশোধনী গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের জন্য শুভকর কিংবা ইতিবাচক হবে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে গেলে বিচারপতিরা ন্যায়বিচার করতে পারবেন না। উল্লেখ্য, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ওপর। এদিকে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে গৃহীত হওয়ার সময় বিরোধী দল জাতীয় পার্টির উপস্থিত সদস্যরা হাত তুলে পূর্ণ সমর্থন জানান। তবে সে সময় বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উপস্থিত ছিলেন না। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। উত্থাপিত বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিলটি আইনে পরিণত হলে স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে এর জবাবদিহিতা সংক্রান্ত সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সমুন্নত থাকবে। বিলে ১৯৭২ সালের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬ পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের সংসদের মাধ্যমে অপসারণের বিধান পুনঃপ্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ এর বিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং তাদের পক্ষে এ ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। এর প্রতিফলনে ১৯৭২ সালে সংবিধানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত রাষ্ট্রপতিকে সংসদ কর্তৃক অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ (অনুচ্ছেদ ৫২), সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ (অনুচ্ছেদ ৫৭), সংসদ সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত প্রস্তাবের মাধ্যমে স্পিকারকে অপসারণ (অনুচ্ছেদ ৭৪) এবং সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত প্রস্তাবের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের অপসারণের বিধান (অনুচ্ছেদ ৯৬) ছিল। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারকে যথাক্রমে অভিশংসন, পদত্যাগ ও অপসারণ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী বিধান অদ্যাবধি অপরিবর্তিত থাকলেও সামরিক শাসক কর্তৃক অসাংবিধানিক পন্থায় সামরিক ফরমান second proclamation (Fifteenth Amendment) order 1978 এর second schedule দ্বারা সুপ্রিমকোর্টের কোনো বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের অভিযোগে অপসারণের বিধান পরিবর্তনক্রমে সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং অপর দুইজন প্রবীণ বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের উপর ন্যস্ত করা হয় যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ এর চেতনার পরিপন্থী। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত সংসদে রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গের ন্যায় উচ্চ আদালতের বিচারকদের জবাবদিহিতার নীতি বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিদ্যমান রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬ পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণকে সংসদের মাধ্যমে অপসারণের বিধান পুনঃপ্রবর্তনের মধ্য দিয়ে অনুচ্ছেদ ৭ এর চেতনা পুনর্বহালের লক্ষ্যে সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) আইন-২০১৪ এর বিল উত্থাপন করা হয়েছে।' উল্লেখ্য, বিচারপতিদের অপসারণ বা অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষষ্ঠদশ সংশোধন আইন-২০১৪ গত মাসের ১৮ তারিখ মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়। বর্তমান সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের পরিবর্তে '৭২-এর সংবিধানের যে অংশ প্রতিস্থাপিত হবে তা হলো "(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক ৬৭ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। (২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অনূ্যন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না। (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত বা প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন। (৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।" উল্লেখ্য, '৭২-এর সংবিধানে বিচারকের বয়স ৬২ ছিল কিন্তু সংবিধানের ষষ্টদশ সংশোধনীতে বয়স বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সাতষট্টিই রাখা হয়েছে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ওপর। সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট ৯৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে যে, ''(২) এই অনুচ্ছেদের নিম্নরূপ বিধানাবলী অনুযায়ী ব্যতীত কোন বিচারককে তাঁহার পদ হইতে অপসারিত করা যাইবে না। (৩) একটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল থাকিবে যাহা এই অনুচ্ছেদে ''কাউন্সিল'' বলিয়া উল্লেখিত হইবে এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকের মধ্যে পরবর্তী যে দুইজন কর্মে প্রবীণ তাঁহাদের লইয়া গঠিত হইবে : তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিল যদি কোন সময়ে কাউন্সিলের সদস্য এইরূপ কোন বিচারকের সামর্থ্য বা আচরণ সম্পর্কে তদন্ত করেন, অথবা কাউন্সিলের কোন সদস্য যদি অনুপস্থিত থাকেন অথবা অসুস্থতা কিংবা অন্য কোন কারণে কার্য করিতে অসমর্থ্য হন তাহা হইলে কাউন্সিলের যাঁহারা সদস্য আছেন তাঁহাদের পরবর্তী যে বিচারক কর্মে প্রবীণ তিনিই অনুরূপ সদস্য হিসাবে কার্য করিবেন। (৪) কাউন্সিলের দায়িত্ব হইবে- (ক) বিচারকগণের জন্য পালনীয় আচরণ বিধি নির্ধারণ করা; এবং (খ) কোন বিচারকের অথবা কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতিতে অপসারিত হইতে পারেন সেইরূপ পদ্ধতি ব্যতীত তাঁহার পদ হইতে অপসারণযোগ্য নহেন এইরূপ অন্য কোন পদে আসীন ব্যক্তির সামর্থ্য বা আচরণ সম্পর্কে তদন্ত করা। (৫) যে ক্ষেত্রে কাউন্সিল অথবা অন্য কোন সূত্র হইতে প্রাপ্ত তথ্যে রাষ্ট্রপতির এইরূপ বুঝিবার কারণ থাকে যে কোন বিচারক- (ক) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে তাঁহার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করিতে অযোগ্য হইয়া পড়িতে পারেন, অথবা (খ) গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হইতে পারেন, সেইক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলকে বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত করিতে ও উহার তদন্ত ফল জ্ঞাপন করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন। (৬) কাউন্সিল তদন্ত করিবার পর রাষ্ট্রপতির নিকট যদি এইরূপ রিপোর্ট করেন যে, উহার মতে উক্ত বিচারক তাঁহার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হইয়া পড়িয়াছেন অথবা গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হইয়াছেন তাহা হইলে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা উক্ত বিচারককে তাঁহার পদ হইতে অপসারিত করিবেন। (৭) এই অনুচ্ছেদের অধীনে তদন্তের উদ্দেশ্যে কাউন্সিল স্বীয় কার্য-পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করিবেন এবং পরওয়ানা জারী ও নির্বাহের ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্টের ন্যায় উহার একই ক্ষমতা থাকিবে।''
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ কেন আমি বিএনপিকে ভোট দিবো?

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



আসছে ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকারপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন হবে বিতর্কমুক্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে। আমার অবশ্য এই দুই ব্যপারেই দ্বিমত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামিলীগ আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫



চাঁদগাজী বলেছিলেন,
"যেসব মানুষের ভাবনায় লজিক ও এনালাইটিক্যাল জ্ঞান না থাকে, তারা চারিপাশের বিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারে না, কোন বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সমাজে তাদের অবদান... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘বাঙালি মুসলমানের মন’ - আবারও পড়লাম!

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আহমদ ছফা'র ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ বইটা আরাম করে পড়ার মতো না। এটা এমন এক আয়না, যেটা সামনে ধরলে মুখ সুন্দর দেখাবে- এমন আশা নিয়ে গেলে হতাশ হবেন। ছফা এখানে প্রশংসা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নারায়ণগঞ্জ ডায়েরি: রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মানুষের অস্তিত্বের লড়াই

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৪


২০২৩ সালের নভেম্বর। ঢাকার কোলাহল পেছনে ফেলে আমরা যখন নারায়ণগঞ্জে পা রাখলাম, আমাদের চোখে তখন স্থায়ী ঠিকানার স্বপ্ন। ঢাকায় জমি দখল হয়ে গেছে, ফেনীর জমি জোর করে কেড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কলেজ ও ভার্সিটির তরুণরা কেন ধর্মের দিকে ঝুঁকছে? করনীয় পথ নকশাটাই বা কী?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬


ধর্মের দিকে ঝোঁকার মানচিত্র

অচেনা পথে হাঁটে আজ তরুণের দল
পরিচয়ের কুয়াশায় ঢেকে গেছে কাল
শিক্ষা, কর্ম, সম্পর্ক সবই আজ প্রশ্নবিদ্ধ
কোথায় জীবনের মানে মন দ্বিধাবদ্ধ।

এই দোলাচলে ধর্ম দেয় দৃঢ় পরিচয়
উদ্দেশ্য, শৃঙ্খলা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×