somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মারস্ শীতল
কিছু বলার জন্য

## বাঙলা, বাঙালি; আমাদের ভাতৃত্ববোধ এবং দৃষ্টিতে ফিফা???

০৭ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্যাখ্যেয় অংশঃ বাঙলা, বাঙালি; আমাদের ভাতৃত্ববোধ এবং দৃষ্টিতে ফিফা???

উৎসঃপ্রশ্নটা আমার আমিকে করা, আমার জাতিকে করা। আমার চিন্তাধারা আমার ব্যক্তিত্ববোধকে যেমন উঁচু করে, তেমনি তা হাজার বছরের গৌরবকে মাটিতে পিষ্ট করে।

ব্যাখ্যেয় প্রসঙ্গঃ কথা বলতে চাইছিলাম চলমান ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে। জানি না এর জন্ম কবে থেকে (বলা চলে, মনে নেই)। কয়েকটি নামজাদা টিমকে নিেয় প্রতিবার হল্লা হয়, ফুর্তি হয় এবং মারামারিও হয় কোথাও। আমিও ব্যক্তিগতভাবে একটি টিম পছন্দ করি(কিন্তু সাপোর্ট নয়)। কিন্তু আশ্চর্য্য হলেও এতে আমাদের দেশ তো দূর, আমাদের দেশের একজন খেলোয়াড়ও নেই। প্রতিবারই পতাকা ওড়ে, ভাল লাগে দেখতে, ভাল লাগে মানুষের ফুটবল প্রেম দেখে। ফুটবলে বাংলাদেেশর যত ভক্ত সারা পৃথিবীতেও এত নেই বোধহয়। আমার দেখা বিশ্বকাপ গুলো আমার ভাতৃত্ব ও ব্যক্তিবোধকে জাগ্রত করে। কোন এক কারণে এবার খেলা দেখতে মন চাইছে না, কোন এক কারণে ধারাবাহিক পছন্দীয় টিমগুলোকেও পছন্দ হচ্ছে না। আদৌ তারা কোয়ার্টার ফাইনাল অব্দি যাবে কিনা সন্দেহ।
ব্যাখ্যেয় ভাবঃ যাই হোক, সেটা বাদ। খারাপ লাগার জায়গাটা হলো, এক দল আরকদলকে নিয়ে যে কাঁদা মাখামািখ আর ছোড়াছুড়ি শুরু করছে এবং করেছে তা। এক দল ছুড়ছে। একদল তা দলা পাকিয়ে আবার অপরদিকে ছুড়ছে। এ কাদা ছুড়তে সোজা, তবে তুলতে পিঠ কুজা। অনেকেই বলবেন, আমি জ্ঞান দিচ্ছি। না, আমার মনোভাব আমাকে লেখতে বাধ্য করল। কজন লাইক দিল, কজন কমেন্ট করল দেখার বিষয় তা নয়, কজন তা গলধঃকরণ করতে পারল, সেটাই দেখার বিষয়।
ফিরে আসি। ফেসবুকের কল্যাণে এবং এতে যে কোন ছবি পোষ্ট করার ক্ষমতা আমাদের বহু দুর নিয়েছে। আমরা একদল সাপোর্ট করে অন্য দলের বিকৃত ছবি পোস্ট করছি। এটাতে আপনি বাধাপ্রাপ্ত নন যে আপনি কোন দল সাপোর্ট করতে পারবেন না, আর এতেও কোন প্রকার নিষেধাজ্ঞা নেই যে আপনি ছবি এডিট করে (কুকুরের ছবির উপর মানুষের প্রতিকৃতি তৈরী করে তাতে লািথ মেরে গোলপোস্টে পৌছে দিবেন) ফেসবুকে পোষ্ট করেন। ইহা নিতান্তই অমূলক, বিশ্রীরকম বাজে মানবিক কমর্কান্ডের উদাহরণ। উপরে একটা উদাহরণ টানলে ভুল হবে, আমার বন্ধুতালিকার কোন মানুষের প্রতি অভিযোগ করার ন্যায় প্রতীয়মান হবে। হোন আপনি ব্রািসল, কিংবা হোন আর্জেন্টিয়ান সাপোর্টার, ভুলছেন কেন আপনি বাঙ্গািল। মজার ব্যাপার গত বিশ্বকাপের পর পতাকা গুলোকে নিয়ে কি করা উচিৎ তা নিয়ে কিছু সাংঘাতিক পরামর্শ এসেছিল একটি পত্রিকার সাপ্তাহিকে। সেগুলো বিস্তারিত করব না। কখোনও কি শুনেছেন নিজ পতাকা কেউ ঝুলন্ত ল্যাট্রিনের পর্দাস্বরুপ ব্যবহার করেন। এবং তা ঘটছে বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই। নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ তা করবেননা এমনকি করতে দেবেনও না বলেও আমার বিশ্বাস। তার চেয়েও বড় ব্যাপার সেই পুরনো ছবিগুলো অনেকটা নতুন আঙ্গিকে পরিবর্তিত রুপে ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে উস্কিয়ে দিতে। কম্পিউটারের এই আধুনিক যুগে কিছুই বিছানা থেকে উঠে বাতি নিভানোর মত দূরে নয়। হাতের কাছেই গুগল আর ফ্রিতে ফেসবুক। এ দুটোর গুনে কার্যকলাপগুলো ফাঁস পেতে খুব বেশি দেরী হয় না। যখন উক্ত ছবিটি এশিয়া মহাদেশের এক হতদরিদ্র দেশ বাঙলাদেশ নামক দেশ হতে উৎকলিত হয়ে পতাকার মালিক দেশগুলোর নজর কাড়াবে, তখন হয়তবা এ ধরনের কাজগুলো আমাদের নজর কাড়বে, তখন এ ব্যাপারে তারা রূঢ় কোন পদক্ষেপ নিলে আমরা ক্ষুব্ধ হবো, ভাংচুর করব, বিক্ষোভ করব। তাতে লাভ কার, আর দোষটাই বা কাদের? আর ততদিনে আমরা, আমাদের গর্ব গিয়ে ঠেকবে কোথায়? আমি বলিনি আমি একা ঠিক করব, আমি বলিনি আমি সমাজ সংস্কারক, আমি বলিনি আমি বাংলাদেশি নই, আমি বলেছি আমি মানুষ, আমি দেশের পতাকা শুধু আমার দেশেই উড়তে দেখতে চাই না, দেখতে চাই গোটা পৃথিবীতে। কারণ আমি বাঙ্গালি, আমি বাংলাদেশি।

উপসংহারঃ জ্ঞানদাতা তিনিই যিনি, জ্ঞানীকে জ্ঞান দান করেন, কারণ তিনি মহাজ্ঞানী, তিনি সর্বশক্তিমান। ভুল চোখে পড়লে তা ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখা আবশ্যক, হেতু আমি কবি নই।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×