সমসাময়িক বিষয়াদি লয়া ফাল পাড়া বাঙালি নামক হুজুগিয়া জাতি আর কিইবা করিবার পারে? অবশ্য সামাজিক প্রাণি হেসেবে এই কাজ না করিয়াই বা কূল পাইব কেমতে! "যেখানে দেখপে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই" উড়াইয়া কি রতন পাইবে নাকি মনুষ্য উচ্ছিষ্ট দলা পাইবে তাহার কুন ঠিক নাই! দলা পাউক আর রতন পাউক জাতি আজীবন ছাই দেখিলে উড়াইয়া দেখিয়াছে, হোক সে নিজে নাহয় কাহারও মাধ্যমে!
আর মিডিয়ার মতো একটা তেনা প্যাচাইন্না ঘেউপাচাটা-দের লাগিয়া বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে কেউ মরিতেও পারে, আবার মিডিয়া চাইলে তাহাকে বাচাইতেও পারে! সমাজে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়া উঠা এইসকল মিডিয়ার লম্ফ-জম্ফ শুধু ব্যবসািয়ক উদ্ধেশ্যকে সফল করার জইন্য! কাহার পৌষ হইল, আর কাহার সর্বনাশ হইল এ তাদের দেখার বস্তু নহে! মনুষ্যগণও এসবে তালে তাল মেলাতে ব্যস্ত!
ছ'মাসও হয়নি পদ্মায় লঞ্চডুবি হইয়াছে, ইহা লইয়া কাহারও মনে শোক কিন্তু বিন্দুমাত্র নাই। সমসাময়িক বিষয় লইয়া এতো ফাল পাড়তে পারে, কিন্তু এর বিরুদ্ধে মূল দোষী কে তা খুজিয়া দেখার কারও সময় নাই! ১০ দিন ভিডিও দেখাইয়া, নানারকম প্রশ্ন তুলিয়া দুচারটি লঞ্চ অকেজো ঘোষনা করিয়া, তারপর কাউকে বরখাস্ত করিয়া, ইহাকে মাটিতে মিলাইয়া দেওয়া হইল! আজ কারও মুখে দুদন্ডের জন্যও শোনা যায় না পদ্মার পানি কতজনকে গ্রাস করিল। আজ যদি আমি বলি, তবে বলিবে তোমরা ওয়েস্ট অপ ভ্যালুবল ঠাইম! ইহা শ্রেফ একখানা উদাহরন বটে! এরকম হাজারও ঘটনা কালের গর্ভে হারাইয়া যাইতে আর বাকি নাই। ইহাই বাস্তব, ইহাই মানিয়া লওয়া আমাদের ফরজে আইন!
আজ হ্যাপি-রুবেলের স্ক্যান্ডাল হলে ভাল চলিতেছে, তাহাদের ইজ্জতের ব্যবচ্ছেদ করিয়া তাহারা ভালই ব্যবসা করিতেছে! দুদিন পর যখন আর ব্যবচ্ছেদ করিবার কিছুই থাকিবে না তখন দেখিবে তেলাপোকার মতোই ইহাদের স্থান হইবে নর্দমার খালে!
মোদ্দাকথা আমরা জাতি হিসেবে নিকৃষ্ট! তারচেয়ে বড় কথা আমরা বাঙালি হিসেবে আমাদের পিছন স্বহস্তে ফাঁড়িয়াছি এবং ভবিষ্যতের জন্যও ইহা জারি রাখিয়াছি। ইহাই আমাদের উন্নতির পিছনে বাঁধা হইয়া দাঁড়াইবার একমাত্র কারণ! মিডিয়া নামক শক্তিশালী মাধ্যমকে আমরা এসব বাদ দিয়া যদি অন্য কোন কাজে লাগাই, প্রফেশানলিজম এর উপরে যাইয়া যদি ইহাকে জাতির স্বার্থ দেখিয়া কাজে লাগাই তবে তা সমাজের পক্ষে ঢের উত্তম!
আই জাষ্ট ক্যান্ট ফাক দিচ বিগ অ্যাসহোলে অ্যালোন, এন্দ ছো আই কুয়িট!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


