somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আকাশমনি (একাশিয়া) ও ইউক্যালিপ্টাস নিয়ে দুটি কথা

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের সবারই অতিপরিচিত দুটি বৃক্ষ হলো আকাশমনি (একাশিয়া) ও ইউক্যালিপ্টাস। যা আমাদের নিজস্ব বৃক্ষ নয়, পরীক্ষামূলকভাবে বিদেশ খেকে আনা (বা বলা যায়, বিদেশ থেকে পাঠানো)। সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়া খেকে এগুলিকে বিশ্বের অন্যান্য যায়গায় ছড়িয়ে দেয়া হয়। তখন মূলত এর উদ্দেশ্য ছিল কাঠ সংগ্রহ করা। এর অপর একটি উদ্দেশ্য ছিল, ভূগর্ভস্থ পানির স্তরকে নিচে নামিয়ে দেয়া। কেননা, বিশ্বের অনেক দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার ফলে ম্যালারিয়া মারাত্নক আকার ধারন করে।বাংলাদেশে এগুলো আসে বিভিন্ন এজিও'র মাধ্যমে কিন্ত এগুলো আমাদের জলবায়ুর জন্য মোটেই উপযোগী নয় উপরন্তু মাটি থেকে অতিমাত্রায় পানি শোষন করে মারাত্নকভাবে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী সম্প্রতি এসম্পর্কে বলেন, "এত দিন বিদেশি দাতা সংস্থার পরামর্শে সামাজিক বনায়নের নামে এ ধরনের গাছ লাগানো হয়েছে। এই গাছগুলোর নিচে অন্য কোনো গাছ জন্মায় না, এমনকি পাখিও বসে না। আকাশমণি গাছের রেনু নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে গেলে অ্যাজমা হয়। এর কাঠ জ্বালানি হিসেবে বা আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহার করা যায় না।" তিনি আরও বলেন; "দেশের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন চরগুলোর মধ্যে যেগুলো টিকবে, সেগুলোতে সামাজিক বনায়ন করা হবে। ধানি জমির দুই পাশে ধইঞ্চা গাছ লাগানো হবে। এতে জমির পুষ্টি ও উর্বরাশক্তি বাড়বে।এনজিওরা সামাজিক বনায়নের নামে দেশের প্রধান সড়কগুলোর দুপাশ দখল করে আছে সাধারণ মানুষ এই জমিগুলো ব্যবহার করতে পারছে না।" (তথ্য: প্রথম আলো)

আরেকটি কথা বলে রাখা ভাল যে, ডেসটিনি ২০০০ সামাজিক বনায়নের নামে হাজার হাজার একর পাহাড়ী জমিতে এসব পরিবেশ বিরোধী গাছ রোপন করছে। যার পরিনতি হবে আরও ভয়াবহ। কেননা পাহাড়গুলি সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে অনেক উপরে। এখানে পানির একমাত্র উৎস হলো বৃষ্টি। যা পাহাড়ের উপরিভাগের মাটিতে সঞ্চিত থাকে। কিন্তু এসব গাছ পানির এই সামান্য উৎসকেও পর্যায়ক্রমে নিঃশ্বেষ করে দিচ্ছে।

আসুন আমরা যারা পরিবেশকে ভালবাসি তারা কিছুটা সচেতন হয়। অন্তত আমাদের পরিচিতজনদের এসব বৃক্ষরোপনে নিরুৎসাহিত করি।

(এটা আমার প্রথম ব্লগ, ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী)
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×