মনে পড়ে সাংবাদিক নুরুদ্দিন জগলুলকে...
২৩ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাংবাদিক নুরুদ্দিন জগলুল। কোম্পানীগঞ্জের এক সময়ের খুব পরিচিত নাম। ১৮ মে ২০১৫ তার নবম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৬ সালের এ দিনে তিনি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরোপারে পাড়ি জমান। তার মৃত্যু আমাদের সহকর্মী, বন্ধু, শুভানুধ্যায়ীদের কাছে অনেক কষ্টের। তার পরিবারের কাছে তো অপুরনীয়। মানুষটি সদা হাস্যজ্জলভাবে ছোট-বড় সবার সাথে সমান তালে মিশে যেতেন। অল্প সময়ে যতো তাকে দেখেছি শিক্ষক হিসেবে তিনি একজন আদর্শ শিক্ষকও ছিলেন। আজ তিনি নেই আছে তার অসংখ্য স্মৃতি। মফস্বল সাংবাদিকতা জীবনে আমার যতো বন্ধু বা সহকর্মী ছিলো তিনি ছিলেন সবার থেকে আলাদা। সব সময় শিক্ষক সুলভভাবে নিউজের কলাকৌশল নিয়ে আলোচনায় মগ্ন থাকতেন। জীবনের শেষ মূহুর্তেও টেলিফোনে তিনি আমার সাথে নিউজ নিয়েই শেষ কাথাটা বলেছিলেন। সেদিন বর্তমান সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছিলেন এলাকা সফরে। তার সফরের নিউজ কভারে গিয়েছিলাম আমি। তাই আমার সাথে ওই নিউজ নিয়েই দুপুর দেড়টার দিকে কথা হয়। কিন্তু তার অল্প কিছুক্ষণ পরই জানতে পারলাম আমাদের প্রিয় জগলুল আর নেই। তিনি একজন শিক্ষকের সন্তান হিসেবে নিজেও বাবার মতো শিক্ষকতা করতেন। তিনি মধ্য চরকাঁকড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের (নতুন বাজার হাইস্কুল) ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। বাবার পেশায় আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করতেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দৈনিক প্রথম আলোর কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার অপর ভাইদের প্রতিও ছিল তার অসম্ভব টান। সবসময় ভাইদের প্রশংসায় মগ্ন থাকতেন। তার চাচাতো ভাই আমাদের বন্ধু মোস্তাফিজ বিল্লাহ মারুফের সাথে খুব বেশি যোগাযোগ করতো। একদিনতো ভুলে একটা নিউজ প্রথম আলোর ফ্যাক্সে না দিয়ে মারুফ ভাইয়ের তখনকার কর্মস্থলে পাঠিয়ে দেন। পরে প্রথম আলো থেকে নিউজ না পেয়ে ফোন দিল ততক্ষনে হুশ হলো। আসলে মানুষের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। তার ডায়াবেটিস ছিল আমি অফিসে সব সময় তার জন্য চকলেট বা চিনি এনে রাখতাম। অনেক দিন তার সুগার কমে অজ্ঞান হয়ে যেত। অসুস্থ্য অবস্থায় ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ভর্তি ছিল ১৪ দিন তখন আমার বিয়ের কথা চলছিল। তার জন্য আমার বিয়ের তারিখ ১ মাস পিছিয়ে ১ মে করেছিলাম। আমার সেই বন্ধু আমার বিয়ের ১৮ দিন পর ২০০৬ সালের ১৮ মে দুপুরে আমাদের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে চলে যায় না ফেরার দেশে। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুক। আমীন।সাংবাদিক নুরুদ্দিন জগলুল। কোম্পানীগঞ্জের এক সময়ের খুব পরিচিত নাম। ১৮ মে ২০১৫ তার নবম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৬ সালের এ দিনে তিনি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরোপারে পাড়ি জমান। তার মৃত্যু আমাদের সহকর্মী, বন্ধু, শুভানুধ্যায়ীদের কাছে অনেক কষ্টের। তার পরিবারের কাছে তো অপুরনীয়। মানুষটি সদা হাস্যজ্জলভাবে ছোট-বড় সবার সাথে সমান তালে মিশে যেতেন। অল্প সময়ে যতো তাকে দেখেছি শিক্ষক হিসেবে তিনি একজন আদর্শ শিক্ষকও ছিলেন। আজ তিনি নেই আছে তার অসংখ্য স্মৃতি। মফস্বল সাংবাদিকতা জীবনে আমার যতো বন্ধু বা সহকর্মী ছিলো তিনি ছিলেন সবার থেকে আলাদা। সব সময় শিক্ষক সুলভভাবে নিউজের কলাকৌশল নিয়ে আলোচনায় মগ্ন থাকতেন। জীবনের শেষ মূহুর্তেও টেলিফোনে তিনি আমার সাথে নিউজ নিয়েই শেষ কাথাটা বলেছিলেন। সেদিন বর্তমান সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছিলেন এলাকা সফরে। তার সফরের নিউজ কভারে গিয়েছিলাম আমি। তাই আমার সাথে ওই নিউজ নিয়েই দুপুর দেড়টার দিকে কথা হয়। কিন্তু তার অল্প কিছুক্ষণ পরই জানতে পারলাম আমাদের প্রিয় জগলুল আর নেই। তিনি একজন শিক্ষকের সন্তান হিসেবে নিজেও বাবার মতো শিক্ষকতা করতেন। তিনি মধ্য চরকাঁকড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের (নতুন বাজার হাইস্কুল) ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। বাবার পেশায় আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করতেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দৈনিক প্রথম আলোর কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার অপর ভাইদের প্রতিও ছিল তার অসম্ভব টান। সবসময় ভাইদের প্রশংসায় মগ্ন থাকতেন। তার চাচাতো ভাই আমাদের বন্ধু মোস্তাফিজ বিল্লাহ মারুফের সাথে খুব বেশি যোগাযোগ করতো। একদিনতো ভুলে একটা নিউজ প্রথম আলোর ফ্যাক্সে না দিয়ে মারুফ ভাইয়ের তখনকার কর্মস্থলে পাঠিয়ে দেন। পরে প্রথম আলো থেকে নিউজ না পেয়ে ফোন দিল ততক্ষনে হুশ হলো। আসলে মানুষের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। তার ডায়াবেটিস ছিল আমি অফিসে সব সময় তার জন্য চকলেট বা চিনি এনে রাখতাম। অনেক দিন তার সুগার কমে অজ্ঞান হয়ে যেত। অসুস্থ্য অবস্থায় ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ভর্তি ছিল ১৪ দিন তখন আমার বিয়ের কথা চলছিল। তার জন্য আমার বিয়ের তারিখ ১ মাস পিছিয়ে ১ মে করেছিলাম। আমার সেই বন্ধু আমার বিয়ের ১৮ দিন পর ২০০৬ সালের ১৮ মে দুপুরে আমাদের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে চলে যায় না ফেরার দেশে। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুক। আমীন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।
নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।
হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের...
...বাকিটুকু পড়ুন
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫

১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা...
...বাকিটুকু পড়ুনডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।
আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন