
যে দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই, সে দেশে ব্যক্তি স্বাধীনতার কথা মুখে আনাটাই পাপ।
বিচার বিভাগ সিম নিবন্ধনের জন্য আইন জারি করেছে! সিম নিবন্ধন না করলে সিম বাতিল বলে গন্য হবে। আমার মনে হয়, বিচার বিভাগ কী বলে সে নিজেও জানে না।
যেমন ধরুন,ইদানীং রাষ্ট্রদ্রোহিতা, সংবিধান অবমাননা নামক শব্দগুলো ঠিক বুঝতে পারছি না। ছোটবেলায় পড়েছিলাম এগুলো নাকি খুবই গুরুতর অপরাধ,শাস্তি অনেক।
আমি কেন, বিভিন্ন টকশোতে অংশ নেয়া বুদ্ধিজীবীরাও ঠিক বুঝতে পারেন না।
সেদিন দেখলাম তারেক জিয়া ইস্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ইসলাম ঠিক বক্তব্য দিতে পারছেন না।
ফোনে আনা আইনজীবীও ঘোল খাচ্ছেন। কিন্তু, দেশদ্রোহী এবং সংবিধান অবমাননার মামলাও হচ্ছে প্রতিনিয়ত।কিছুদিন আগে ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পড়লেন। আবার 'ভাত দেন প্রধানমন্ত্রী, নইলে সংবিধান খাব' বলতে থাকা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে সংবিধান অবমাননার মামলা হয়েছে। আমার মনে হয় আইনজীবীদের চাইতে পুলিশই এসব মামলা ভালো বুঝেন। পুলিশই তো বাদী হয়ে এসব মামলাগুলো করেন।
আমি একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিকে আমার হাতের ছাপ কেন দেব?
আমি আসলে আমার নিজ দেশকেও আমার ব্যক্তিগত তথ্য দিতে ভয় পাই।
আমি অবাক হই, সেতো টাকা পয়াসাও ঠিকমত রাখতে পারে না।
আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ হচ্ছে না, যাচাই হচ্ছে-
এ কথা পড়ে আমার শুধুমাত্র হাসি পাচ্ছে।
আমরা তাহলে কোন দুঃখে সিম রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম?
আমি আর কিছু লিখব না, পরে আবার সংবিধান অবমাননা অথবা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পড়ে যাই!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



