somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শ্যজা, সাদীর সম্মানে, কালপুরুষের আসমানে, কাল সন্ধ্যায় উঠেছিল কিছু ব্লগীয় তারা

১৬ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা জিনিস আমি খুব মনোযোগ সহকারে ভাবতেছি। ব্লগের যাদের সাথেই দেখা হইতাসে। সবাই বেশ হাসি খুশি। দিলখোলা টাইপ। ক্রমে ক্রমে সবাইরে ভালা লাগতাসে। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ডন কুইক্সোট টাইপ। আন্ধার ঘরে তাদের রাহেন। তারা বিশ্বজয় কইরা ফালাইব। হাওয়াই ঘোড়া, হাওয়াই তলোয়ার, হাওয়াই রাজ্যি। কিন্তু তাদের লাইট জালাইয়া রাখেন। সব ফুস মন্তর। কথা কইতে পারেনা। এ অধম সেরকম এককান প্রাণী। তাই গত সন্ধ্যার দাওয়াত যখন পাই সাদিকের কল্যাণে তখন মোটামুটি মনে মনে ভেটকি খাই। আল্লাহ সব ইস্মাট পোলা মাইয়ার মধ্যে না জানি কতক্ষন বইয়া থাকতে হয়। কিন্তু রোকেয়া হলের সামনে থিকা প্রজাপতি, সাদি আর আমি যাত্রা করি। শাহজাহান পুর থেকে শ্যজারে গাড়ীতে তোলার পর থেকে আমার সে ভয় ক্রমে কাটতে থাকি। এমা শ্যজাতো ঠাম্মাদের লাহান। পরথমে কয় এই পোলাপান এতো আপনি আপনি করতাসো ক্যান। হি হি। আমিতো তখন হাওয়ায়। পথে শ্যজার কইলকাত্তার গল্প শুনতে শুনতে যাই। শ্যজা বলতে থাকে যেভাবে শৈশবে আমাদের চারিধারে বসাইয়া ঠাম্মা কিচ্ছা হুনাইতো। তারপরতো আমারা পথ হারাইয়া ফেলি বলা যায় ঢাকার জঙ্গলে। আমাদের উদ্ধার করে কালপুরুষ। আরে বাস খুব ফর্সা এই পোলার নাম কে কালপুরুষ রাখছে? আমি জিগাই সাদিরে। সাদি তখন সুফীর মেজাজে। খুব ছটফটে 60 বছরের এই কিশোর। যে এখনো নিয়মিত প্রেমে পড়ে। এটা মিসেস কালপুরুষের ভাষ্য। কাল পুরুষের ফ্ল্যাট দেখে সাদি আর আমি মুচ্ছা। এতো সমুদ্র। বসার ঘরটা জম্পেস। বাদ বাদ কালপুরুষ শুধু ছাদে যাবার জন্য তাড়া দিতে থাকে। শ্যাজা কয় এ হালা ঘর ছাইরা ছাদে যাইবার ছায় ক্যালা। তখনো জানতাম না ছাদে আমাদের জন্য কি বিশ্ময় অপেক্ষা করসে। এর পর আমরা সোজা খাবার টেবিলে। এইখানে মিসেস কালপুরুষের আসল কেরামতি। তালিকা দিয়ে আমি কারো জিবে লালা ঝরাইতে চাইনা। বুইঝা লন। তারপর খাবার টেবিলে উদয় হয় জামাল ভাস্কর চাচা আর মৌসুম। কিয়তক্ষন পর কৌশিক আর শুভ্রা। এইবার আমরা ছাদে চড়ি। আল্লা এতো ছাদ নয় যেন পার্ক। ক্রমে ক্রমে আসে ঝড়ো হাওয়া, শরৎ, রশ্মি ..। সাদিক মনু কওতো আর কে কে নাম মনে পড়িতেসে না। এইবার শুরু হয় আসল মজা। কালপুরুষের এই আসমানে ক্রমে ক্রমে তারারা নিজেদের মাজেজা দেখানো শুরু করলো। প্রজাপতির তিনটা গান পুরো অগোছালো সভাটারে গোছাই দিল। মিসেস কালপুরুষের গানটা কাটল ঠান্ডা হ্রদ। তারপর ভাস্কর চাচার আজম খান। শরতের হিন্দি ফ্লিম। অনেক মজা হইসে। অনেক ফুর্তি। এরকম সন্ধ্যা ভুলা যায় না। আবার নাইমা আবার কিচেন। আল্লা এরা এতো খাওয়াইতেও পারে। কালপুরুষরে ধন্যবাদ দিয়া খাটো করবো না। সকল প্রশংসা মিসেসের। তারপর বিদায় বেলায় নীচে ল্যম্পোষ্টের আলোয় রাগ ইমনের কথা না বললেই নয়। জয় বাবা বজরম বলি>>>>।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আমার মন খারাপ, ফুল দিয়ো=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮



অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।

অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।

কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×