somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওয়েপন রিভিউ :: M134 মিনিগান

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


M134 মিনিগান ::
তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে :: মাশুক খান।

হলিউডের মুভিতে আমরা প্রায়শই মিনিগান ব্যবহার করতে দেখি। কারো হাতে মিনিগান থাকা মানে শত্রুপক্ষের কোন আশা নেই। এই মিনিগান ১৯৬২ সালে আমেরিকায় তৈরী শুরু হয়। ইলেকট্রিক ড্রাইভেন এই রোটারী গান মূলত "জেনারেল ইলেকট্রিক" ডিজাইন করে। M134 মিনিগানের সামগ্রিক দৈর্ঘ্য ৩১.৫ ইঞ্চি (৮০০ মি.মি)। যেখানের ছয়টা ব্যারেল রয়েছে যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ২১.৮৫ ইঞ্চি (৫৫৫ মি.মি.)। খালি অবস্থায় ( বুলেট ছাড়া) এর ওজন ১৫.৯০ কিলোগ্রাম। মিনিগানে 7.62x51mm NATO ক্যালিবারের বুলেট ব্যবহার করা হয় এবং বুলেট ফিড হিসাবে বেল্ট ব্যবহার করা হয় এবং প্রতি বেল্টে ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার রাউন্ড বুলেট থাকে। মিনিগান প্রতি মিনিটে ছয় হাজার বুলেট ছুঁড়তে সক্ষম। যদিও বর্তমানে এটা কমিয়ে চার হাজারে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে ইউজারের উপরে কিছুটা নির্ভরশীল। মিনিগানের মাজল ভেলোসিটি ৮৫৩ মি./সে. এবং ফায়ারিং রেঞ্জ এক কিলোমিটার।

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস :: মূলত ভিয়েতনামের যুদ্ধে মিনিগান ডিজাইন করার প্রয়োজন হয়। Aircraft Gun M61 Volcan এর ছোটভাই বলা যায় M134 মিনিগানকে। যুদ্ধে মিনিগানের ভয়ঙ্কর দক্ষতার পাশাপাশি দীর্ঘ সার্ভিস লাইফ দেখে মিনিগানের ব্যবহার বিশ্বব্যাপী শুরু হয়। কাগজে কলমে মিনিগান ১৯৬২ সালে বললেও এটা আবিষ্কার হয় ১৯৬০ সালে। ১৯৬৬ সালে তৈরী হয় M134 মিনিগানের পরবর্তী সংস্করণ XM134। কিন্তু ভালো সার্ভিস না পাওয়ার কারনে XM134 বিলুপ্ত হতে সময় লাগেনি। বর্তমানে আমেরিকান আর্মি ছাড়াও অষ্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ফ্রান্স, ইসরায়েল, স্পেন, তুর্কি, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আর্মি মিনিগান ব্যবহার করে। তবে সোভিয়েত ইউনিয়ন এখনো ফোর ব্যারেলের GShG-7.62 ব্যবহার করে যেটা ১৯৭০ সালে আবিষ্কার হয় এবং কার্যক্ষমতা M134 মিনিগানের মতই।

টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেসন ::
General Electric M134 minigun ::
Six-Barrel Gatling Gun.
উৎপাদনকারী দেশ :: আমেরিকা
উৎপাদন সাল :: ১৯৬২
সার্বিক দৈর্ঘ্য :: ৩১.৫০ ইঞ্চি (৮০০ মি.মি.)
ব্যারেলের দৈর্ঘ্য :: ২১.৮৫ ইঞ্চি (৫৫৫ মি.মি)
খালি অবস্থায় ওজন :: ১৫.৯০ কিলোগ্রাম (৩৬.০৫ পাউন্ড)
ক্যালিবার :: 7.62x51mm NATO
এ্যাকশন :: Electrically Driven; Belt-Fed
ফিড :: পাঁচশো থেকে পাঁচ হাজার রাউন্ড লিংক বেল্ট
রেট অফ ফায়ার :: চার হাজার থেকে ছয় হাজার রাউন্ড।
রেঞ্জ :: ১০০০ মি ( ৩২৮০ ফুট; ১০৯৩ ইয়ার্ড)
দাম :: 3900 ডলার।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৪১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×