বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে যে চেতনা বা আদর্শ ছিল সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ বা চেতনাও বদল হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করবে সারা দেশ এবং বাহক হবে মূলত সরকার। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে স্বাধীনতার চেতনা বাস্তবায়ন হয়। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস বিকৃতি শুরু করে। বাংলাদেশের বিরোধিতাকারীরা শাসনক্ষমতায় এসে ধূর্ততার সঙ্গে এদেশের মূল ভিত্তির ওপর আঘাত শুরু করে। অপরাজনীতি, উগ্রপন্থী এবং জঙ্গীগোষ্ঠী তৈরি করে দেশকে পিছনের দিকে নিতে শুরু করে। গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙ্গে ফেলে নিজের ইচ্ছামাফিক দেশ পরিচালনায় ব্রতী হয়। প্রথিতযশা মুক্তিযোদ্ধাদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে এলেও বিভিন্ন চক্রান্ত এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের শাসন ব্যবস্থা থেকে দূরে রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাহক রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিন ছিল ক্ষমতার বাইরে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেও দেশকে গোছানোর সময় পাঁচ বছর যথেষ্ট নয়। নবম সংসদের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসারপর স্বাধীনতাবিরোধীতাকারীরা সহিংস অবস্থা তৈরিতে তৎপর হয়ে ওঠে। এসব সহিংসতাকারীদের তৎপরতা রুখে দিতে সক্ষম হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক ও বাহক। শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার অর্থ স্বাধীনতার স্বাদ এদেশের মানুষকে দেয়া, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মজবুত করা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির হাত থেকে রক্ষা করা, লেবাজধারী আলেমদের হাত থেকে এদেশের ইসলামকে রক্ষা করা, জঙ্গীবাদ, উগ্রবাদ থেকে মানুষকে নিরাপদে রাখা, বিদেশী বন্ধুদের ছদ্মবেশী সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করা, এ দেশের মালিক যে এ দেশের মানুষ, তা প্রমাণ করা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




