somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতের লড়াইয়ে জয়ী বাংলাদেশ। বাংলাদেশের কাছে বিপুল পরিমাণ সমুদ্রসীমা হারিয়েছে ভারত

১০ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জাতিসংঘের সালিশী আদালতের রায়ে ভারত বাংলাদেশের কাছে বিপুল পরিমাণ সমুদ্রসীমা হারিয়েছে হতাশা আর ক্ষোভের সঙ্গে এমন বক্তব্যই উঠে এসেছে ভারতের প্রথম সারির দৈনিক টেলিগ্রাফ পত্রিকার সংবাদে। একই সঙ্গে বলা হয়, তা সত্ত্বেও এই আদালতের আইনী প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দুই দেশই এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। এতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ, সমুদ্র উপকূলে ১২ নটিক্যাল মাইল বাড়ানো এবং এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন নির্মাণের বিষয়টি আলোচিত ছিল, যা সাগরের ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ার কথা। যদিও যে কোন দেশের সীমানা অতিক্রান্ত করেই জলের ধারা প্রবহমান থাকে, যে কোন দেশের জাহাজ চলাচলেও সব সময় আইনী বাধা অনুসরণ করা যায় না। তবে যে কোন দেশই এই সীমানা লঙ্ঘন করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। এ সব নিয়ে বাগ্যুদ্ধ, আইনী লড়াই চলেছে দীর্ঘদিন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হওয়ার পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের সঙ্গে এবং এর পর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত তাদের সমুদ্রসীমার বৈধতা নির্ধারণ করার জন্য ব্যাপক দর কষাকষি এবং আইনী লড়াই করে এসেছে। দীর্ঘ ৬৭ বছর আন্তর্জাতিক সালিশী আদালত বাংলাদেশকে উভয় দেশের সমুদ্রসীমার ১৭২,২২০ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশকে ১০৬,৬১৩ বর্গকিলোমিটার ন্যায্যতা দিয়েছে। রায়ে যে অংশ ভারত হারিয়েছে, সেই অংশে ভারতীয় জেলেরা এতদিন মাছ ধরে এসেছে, সেইসব এলাকায় ভারতীয় জেলেদের মাছ ধরা অথবা কোন ধরনের প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, এতে এ সব এলাকায় ভারতীয় জেলেদের প্রবেশ অবৈধ অনুপ্রবেশ হিসেবে গণ্য হবে। একই সঙ্গে উল্লিখিত এলাকার গ্যাস ব্লক অঞ্চলে গ্যাস আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এ সব এলাকা থেকে ভারত কোন তেল বা গ্যাস নিতে পারবে না। ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে আইনী লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতে সমুদ্রসীমা বিজয় অর্জনের পর দ্বিতীয়বারের মতো দ্রুততম সময়ে এই সফলতা সমুদ্রসীমা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতে লড়াইয়ের চূড়ান্ত বিজয় এনে দিল বাংলাদেশের জন্য।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×