এবার জঙ্গী তৎপরতায় জড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আটক হওয়া জামায়াতের ‘ইসলামী ছাত্রী সংস্থা’ ও নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’ নারী সদস্যদের মুক্তি দাবি করেছেন হেফাজত নেতারা। অন্য সময়ের মতো ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে এবার হেফাজত নেতারা সরাসরি জামায়াত হিজবুত তাহরীরের নারী জঙ্গীদের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। উগ্রবাদী ছাত্রীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার দাবি তুলে হেফাজত নেতারা হুমকি দিয়ে বলেছেন, অন্যথায় ইসলাম বিদ্বেষী ঢাবি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ-আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে। হেফাজত নেতারা একই সঙ্গে উগ্রবাদী ঐ ছাত্রীদের আটক করায় সহযোগিতা করার জন্য ছাত্রলীগ নেতাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে গ্রেফতার ও শাস্তির আবদার করেছেন। এর আগে গত তিন নবেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল থেকে জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন ‘ইসলামী ছাত্রী সংস্থা’ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন‘হিজবুত তাহরীর’ সদস্য সন্দেহে তিন ছাত্রীকে আটক করেছে ছাত্রলীগ ও হল প্রশাসন। ঐসব ছাত্রীর রুম তল্লাশি করে বিভিন্ন ধরনের জেহাদী বই, জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী ও একাত্তরের ঘাতককুল শিরোমনি গোলাম আযমের লেখা বই, হিজুবত তাহরীর এবং শিবিরের বিভিন্ন বই ও লিফলেট পাওয়া যায়। হেফাজত নেতা নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে ফতোয়া দান করলেও শিবির ছাত্রীদের পক্ষে বিবৃতি প্রদান করেন। নারীদেরকে তেঁতুলের সাথে তুলনা করলেও শিবির সমর্থক নারীরা তার এই ফোতোয়া থেকে মুক্ত থাকেন। তেঁতুল হুজর বলে খ্যাতি লাভ করা আহমেদ সফি নিজেকে অরাজনৈতিক বলে দাবী করলেও তিনি আসলে জামাতের “বি” টিম হিসাবে কাজ করছেন। এই “বি” টিম পাকিআকিদা বাস্তবায়নে জোর কদমে কাজ করছে। এর নাম কউমি মাদ্রাসা। এখানে বাঙ্গালী তৈরি হয় না পাকিস্থানি তৈরি হয়। বাংলা ভাষা ইতিহাস সংস্কৃতি এখানে শিক্ষা দেওয়া হয় না তাই এখানে জামাতের আদর্শ তৈরি হয়। সফি, বাবু নগরী তাই জামাতের পক্ষে কথা বলে। জামাতি কর্মছুঁচি বাস্তবায়ন করতে শেষ পর্যন্ত এরা ‘ইসলামী ছাত্রী সংস্থা’ ও নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’ নারী সদস্যদের নিয়ে “বি” টিম গঠন করেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


